সংবাদ শিরোনাম
হবিগঞ্জে টানা বৃষ্টি ও ঢলে নিম্নাঞ্চল প্লাবিত, শাক সবজিসহ ফসলের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি | শ্রীপুরে খাবার সংকটে সহস্রাধিক বানর, ওদের কান্না থামাবে কে? | হেলিকপ্টারে ঢাকায় আনা হলো করোনা আক্রান্ত মন্ত্রী বীর বাহাদুরকে | চাপের মুখে ফেসবুকের নীতিমালা পরিবর্তনের ঘোষণা জাকারবার্গের | মিরপুরে ফুটপাত দখলমুক্ত করতে মাঠে নামছেন কাউন্সিলর কাশেম মোল্ল্যা | টাঙ্গাইলে নতুন করে আরো ১৭ জন করোনায় আক্রান্ত | লাখে ৩০ জন আক্রান্ত হলেই ওই এলাকা ‘রেড’ জোনে | নাসিমের অবস্থা ডিপ ক্রিটিক্যাল: ডা. কনক কান্তি | বাউফলে করোনা উপসর্গ নিয়ে একজনের মৃত্যু | যুক্তরাষ্ট্রকে ছাপিয়ে করোনায় একদিনে সর্বোচ্চ মৃত্যু ব্রাজিলে |
  • আজ ২৪শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

বিশ্ব মশা দিবস আজ

১২:১১ অপরাহ্ণ | মঙ্গলবার, আগস্ট ২০, ২০১৯ তথ্য জাদুঘর

তথ্য জাদুঘর ডেস্ক- দেশে যখন ডেঙ্গু রোগ দুর্যোগে পরিণত, হাসপাতালে ভর্তি হাজার হাজার ডেঙ্গু রোগী এই অবস্থায় আজ মঙ্গলবার পালিত হচ্ছে বিশ্ব মশা দিবস।

প্রতি বছরের ২০ আগস্ট দিবসটি পালিত হয়ে আসছে। ১৯৩০ সাল থেকেই বিশ্বব্যাপী পালিত হয়ে আসছে দিবসটি।

১৮৯৭ সালের এই দিনে ম্যালেরিয়া রোগের কারণ আবিষ্কার করেন ব্রিটিশ চিকিৎসক রোনাল্ড রস। এই আবিষ্কারের জন্য তিনি পরে চিকিৎসা শাস্ত্রে নোবেল পুরস্কার পান। তার সম্মানে যুক্তরাজ্যের লন্ডন স্কুল অব হাইজিন অ্যান্ড ট্রপিক্যাল মেডিসিন দিবসটি পালন শুরু করে।

প্রতিবছর প্রায় সাড়ে আট লাখ মানুষ মশাবাহিত রোগে মারা যায় বলে জানিয়েছেন গবেষকরা। সে কারণে বাংলাদেশসহ সারা বিশ্বে সচেতনতা বৃদ্ধিতে এই দিবস পালনে আনুষ্ঠানিকতা বাড়ছে।

উইকিপিডিয়ায় মশার বর্ণনায় বলা হয়েছে, মশা এক প্রকারের ছোট মাছি প্রজাতির পতঙ্গ। ছোট্ট এই পতঙ্গটি এখন ঘুম হারাম করে দিয়েছে বাংলাদেশের মানুষের।

একটা ছোট্ট মশার কামড়ও ভয়ংকর হতে পারে। মশার কামড়ে ম্যালেরিয়া, ডেঙ্গু, চিকুনগুনিয়া, জাপানিজ এনকেফেলাইটিস, ফাইলেরিয়া, জিকা ভাইরাস ও হলুদ জ্বরের মত সব মারাত্মক রোগ হতে পারে।

স্ত্রীমশারাই মানুষকে কামড়ায় অর্থাৎ রক্ত পান করে। যদিও যেসব প্রাণীর শরীর থেকে রক্ত শুষে নেয় তা তাদের শরীরের তুলনায় খুবই অল্প, কিন্তু কিছু মশা রোগজীবাণু সংক্রামক। মশার মাধ্যমেই ম্যালেরিয়া, ডেঙ্গু, ফাইলেরিয়া, পীতজ্বর, জিকা ভাইরাস- এসব রোগ সংক্রমিত হয়।

দেশ এখন এডিস মশার ভয়ে কাঁপছে। কারণ এডিস মশা ডেঙ্গু ও পীতজ্বরের মতো মারাত্মক দুটি রোগের বাহক। এডিস মশা দেখতেও আলাদা। এদের দেহে ও পায়ে কালো এবং সাদা চিহ্ন রয়েছে। অন্যান্য মশার মতো নয় এডিস মশা, এগুলি সক্রিয় থাকে এবং কেবল দিনের বেলায় কামড় দেয়। এদের কামড়ানোর সময়কাল খুব ভোরে এবং সন্ধ্যা হওয়ার আগে ও সন্ধ্যায়।

১৯টি জায়গায় এডিস মশা বেশি বসবাস করে থাকে বলে জানিয়েছেন ভি নাগপাল নামক একজন কীটপতঙ্গ বিশেষজ্ঞ। এগুলো হলো- পুরনো টায়ার, লন্ড্রি ট্যাংক, ঢাকনাবিহীন চৌবাচ্চা, ড্রাম বা ব্যারেল, অন্যান্য জলাধার, পোষা প্রাণীর পাত্র, নির্মাণাধীন ভবনের ব্লক, ফেলে রাখা বোতল ও টিনের ক্যান, গাছের ফোকর ও বাঁশ, দেয়ালে ঝুলে থাকা বোতল, পুরনো জুতা, ফুলের টব, পরিত্যক্ত খেলনা, ছাদে, অঙ্কুরোদগম উদ্ভিদ, বাগান পরিচর্যার জিনিসপত্র, ইটের গর্ত ও অপরিচ্ছন্ন সুইমিং পুলে এডিস মশা জন্ম নেয়।

প্রায় ফি-বছর মশাবাহিত ভাইরাস থেকে জ্বরে কাবু হয় ঢাকার মানুষ। এবার তো ডেঙ্গু জ্বর ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। সারা দেশের মানুষ শঙ্কিত। ঠিক সেই সময়ই এল এবারের মশা দিবস।