সংবাদ শিরোনাম
  • আজ ৬ই আশ্বিন, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

মানুষ বোঝে না, আল্লাহর শক্তি কত: প্রধানমন্ত্রী

৭:৩৫ অপরাহ্ণ | বুধবার, আগস্ট ২১, ২০১৯ জাতীয়
HASINA

সময়ের কণ্ঠস্বর ডেস্ক- প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ২১ আগস্টের আগে খালেদা জিয়া বক্তব্য ছিল- ‘আওয়ামী লীগ ১০০ বছরেও ক্ষমতায় আসতে পারবে না। শেখ হাসিনা প্রধানমন্ত্রী তো দূরের কথা জীবনেও বিরোধীদলীয় নেতাও হতে পারবে না।’ কিন্তু আল্লাহর মাইর দুনিয়ার বাইর বলে একটা কথা আছে। মানুষ বোঝে না আল্লাহর শক্তি কত? যে অভিশাপ খালেদা জিয়া আমার জন্য দিয়েছিল এখন তা তার কপালেই জুটে গেছে।এটা হলো বাস্তবতা।

বুধবার (২১ আগস্ট) বিকেলে রাজধানীর খামারবাড়ির কৃষিবিদ ইনিস্টিটিউশন মিলনায়তনে আওয়ামী লীগ আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এ সব কথা বলেন। ২১ শে আগস্ট গ্রেনেড হামলায় নিহত ও আহতদের স্মরণে এই সভা হয়।

২০০৪ সালে বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের মেয়াদে নৃশংস গ্রেনেড হামলার ঘটনায় তৎকালীন সরকারের জড়িতের বিষয়ে বিভিন্ন যোগসূত্রতা তুলে ধরেন তৎকালীন হামলার স্বীকার হওয়া শেখ হাসিনা।

তিনি বলেন, বিএনপি জামায়াতের পৃষ্টপোষকতা ছাড়া ২১ আগস্টের মত ঘটনা ঘটনা সম্ভব না-এটা আজকে প্রমাণিত সত্য। এটা নিয়ে আমরা একটা রায়ও পেয়েছি।

শেখ হাসিনা বলেন, তদন্ত করা হয়েছে। যারা আসামি তারা শাস্তি পেয়েছে। ২১ আগস্টের ঘটনায় খালেদা জিয়ার সহযোগিতা থাকলেও তাকে আসামি করা হয়নি। সে তো প্রধানমন্ত্রী ছিল-তার সম্পূর্ণ দায়দায়িত্ব ছিল। এটা অস্বীকার করা যায় না। কারণ খালেদা জিয়া স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দায়িত্বে ছিল। আর বাবর কিন্তু স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ছিল। সে ক্ষেত্রের তার দায়িত্ব তো অস্বীকার কেউ করতে পারে না।

শেখ হাসিনা বলেন, একুশে আগস্ট গ্রেনেড হামলায় বেঁচে থাকার কথা নয়। ওরা ভাবেনি যে বেঁচে থাকবো। অনেক ছোট ছোট ঘটনা আমি জানি। যারা হামলা করেছে তারা এক জায়গায় গিয়ে আশ্রয় নিয়েছে। সেখান থেকে ফোন করেছে যে আমি মারা গেছি কী না।

একুশে আগস্টের গ্রেনেড হামলায় নিহতদের স্মরণ করে তিনি বলেন, অজ্ঞাতনামা দুজন যে মারা গেল তাদের খবর কেউ নেয়নি, লাশও কেউ নেয়নি। এখন ধীরে ধীরে সবই বের হচ্ছে। কীভাবে ওই জজ মিয়াকে নিয়ে এসেছে। একজন সাধারণ মানুষকে নিয়ে এসে নির্যাতন করে স্বীকারোক্তি নেওয়া হয়েছিল।

সাংবাদিকদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আপনারা অনেক তথ্য বের করেছেন। এই তথ্যটা বের করেন, তারেক রহমান খালেদা জিয়ার বড় ছেলে ৫ নম্বরে তার যে শ্বশুরবাড়ি ওখানে এসে সে ১০ মাস থাকলো এবং পহেলা আগস্ট চলে গেল ক্যান্টেনমেন্টের বাসায়। ওখানে থেকে সে কী করলো? তার কাজটা কী ছিল?

তিনি বলেন, অনেক পরে মামলা করে আমরা একটা রায় পেয়েছি। আমরা আশা করি এর বিচার হবে। কিন্তু যাদের আমরা হারিয়েছি তাদের তো আর ফিরে পাবো না।