সংবাদ শিরোনাম
দাঙ্গায় রুপ নিচ্ছে দিল্লি, নিহতের সংখ্যা বেড়ে ২০ | বিশ্বের দূষিত বাতাসের শহরের তালিকায় আজও শীর্ষে ঢাকা | পীরগাছায় সড়কে হেলে পড়েছে একাধিক বৈদ্যুতিক খুঁটি, দেখার কেউ নেই | অশান্ত দিল্লিতে কারফিউ: সহিংসতায় নিহত বেড়ে ১৯, আহত ১৫০ | অবৈধ সম্পদ: স্ত্রীসহ ওসির বিরুদ্ধে দুদকের মামলা | বঙ্গবন্ধুর চিঠি নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সাথে দেখা করতে চান স্বীকৃতি বঞ্চিত মুক্তিযোদ্ধার স্ত্রী | শরীয়তপুরে যানবাহনের ড্রাইভার-হেলপারদের প্রশিক্ষণ দিচ্ছে পুলিশ | স্পেনে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উদযাপন করলো আওয়ামী লীগ | রংপুরে ইউপি চেয়ারম্যান ও উপজেলা বিএনপির সভাপতি গ্রেফতার | ট্রাম্পের সফরের মধ্যেই মুসলিম নির্যাতনে মেতে ওঠেছে হিন্দুত্ববাদীরা |
  • আজ ১৩ই ফাল্গুন, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

মিয়ানমারে ফিরতে রাজি নয় একজন রোহিঙ্গাও

১:৩১ অপরাহ্ণ | বৃহস্পতিবার, আগস্ট ২২, ২০১৯ আলোচিত বাংলাদেশ

সময়ের কণ্ঠস্বর ডেস্ক- আন্তর্জাতিক হস্তক্ষেপ ও দীর্ঘ আলোচনার পর রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন শুরু হওয়ার কথা থাকলেও এখন পর্যন্ত মিয়ানমারে ফিরতে কোনো রোহিঙ্গা রাজি হয়নি বলে জানিয়েছেন শরণার্থী, ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার মো. আবুল কালাম।

বৃহস্পতিবার (২২ আগস্ট) থেকে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন শুরু হওয়ার কথা থাকলেও কোনো রোহিঙ্গা রাজি না হওয়ায় তাদের পাঠানো সম্ভব হয়নি।

এদিন দুপুরে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা আলাপকালে মো. আবুল কালাম জানান, সাক্ষাৎকার দেয়া ২৯৫ রোহিঙ্গা পরিবারের কেউ স্বেচ্ছায় মিয়ানমার ফিরতে রাজি নয়। রোহিঙ্গারা রাজি না হওয়ায় প্রত্যাবাসন শুরু হবে কিনা তা নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে।

এসময় তিনি আরও জানান, সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া আছে বিকাল পর্যন্ত অপেক্ষা করা হবে।

এদিকে, প্রত্যাবাসনে সব ধরনের প্রস্তুতি নিয়ে কক্সবাজারের টেকনাফের শালবাগান রোহিঙ্গা ক্যাম্পে অবস্থান করছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

প্রত্যাবাসন কমিশনার জানান, রোহিঙ্গাদের ট্রানজিট পয়েন্টে নিয়ে যাওয়ার জন্য পাঁচটি বাস ও তাদের মালামাল পরিবহনের জন্য তিনটি ট্রাকের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। এছাড়াও টেকনাফ শালবন রোহিঙ্গা ক্যাম্প থেকে ঘুমধুম পর্যন্ত নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

তবে সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হলেও এমন পরিস্থিতিতে গত বছরের ১৫ ফেব্রুয়ারির মতো রোহিঙ্গাদের অনাগ্রহের কারণে আজও প্রত্যাবাসন আটকে যেতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

উল্লেখ্য, জাতিসংঘের তথ্য অনুযায়ী মিয়ানমারে হত্যা ও নিপীড়নের শিকার হয়ে বাংলাদেশের শিবিরে ১১ লাখ ৮৫ হাজার ৫৫৭ রোহিঙ্গা শরণার্থী রয়েছে। তাদের মধ্যে নারী ও শিশুর সংখ্যাই বেশি।

Loading...