ভেড়ামারার আলোচিত অনিক হত্যা মামলা সিআইডিতে

৮:২৬ পূর্বাহ্ণ | বৃহস্পতিবার, আগস্ট ২৯, ২০১৯ খুলনা
Kustia

এস.এম.আবু ওবাইদা-আল-মাহাদী, সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট, কুষ্টিয়া : কুষ্টিয়ার ভেড়ামারায় আলোচিত অনিক হত্যা মামলটি এখন সিআইডিতে। পুলিশ হেড কোয়াটারের নির্দেশে ভেড়ামারা থানা পুলিশ মামলাটি সিআইডিতে হস্তান্তর করে।

ভেড়ামারা মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোল্লা মোঃ খবির আহমেদের নির্দেশে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই প্রশান্ত কুমার দাস সিআইডির এস আই মাসুদের হাতে মামলার নথি তুলে দেন।

ভেড়ামারা থানার ওসি মোল্লা খবির আহমেদ বলেছেন, গ্রেফতার এড়াতে খুনিরা আত্মগোপনে রয়েছে। খুনিরা বারবার তাদের লোকেশন পবিরর্তন করছে। তাদের গ্রেফতার এখন সময়ের ব্যাপার মাত্র।

গত (২০শে অগাষ্ট) মঙ্গলবার বিকাল ৪টার দিকে ভেড়ামারা শহরে প্রকাশ্যে দিবালোকে খুন হন আমিন গার্মেন্টসর সেলসম্যান অনিক (২২)। বাজারের মধ্যেই একদল দৃর্বৃত্ত হাতুড়ি এবং রড দিয়ে পিটিয়ে তাকে খুন করে। প্রাথমিক ভাবে ধারনা করা হয়, আমিন গার্মেন্টেস এর পাশেই আরিফ বস্তবিতানের মালিক আরিফের সাথে তুচ্ছ ঘটনার জের ধরে এ হত্যাকান্ডের ঘটনা ঘটে। প্রকাশ্যে দিবালোকে যুবককে হত্যার ঘটনায় ক্ষুদ্ধ হয়ে উঠে ভেড়ামারার ব্যবসায়ীরা। বিশাল মানববন্ধন করে প্রশাসনকে ২৪ ঘন্টার অল্ট্রিমেটাম দেয়। সিসিটিভি’র ক্যামেরার ফুটেজ সংগ্রহ করে আসামীদের গ্রেফতারে মাঠে নামে পুলিশ প্রশাসন। পরদিনই নিহতের পিতা আক্তার হোসেন বাদী হয়ে ৩ জনের নাম উল্লেখ করে ভেড়ামারা থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলা নং-৪, ধারা ৩২৩,৩২৪ ও ৩৪।

গ্রেফতার এড়াতে এরপর থেকেই গা ঢাকা দেয় হত্যাকারীরা। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা চৌকষ পুলিশ অফিসার এস আই প্রশান্ত কুমার দাস বলেন, অভিযোগের প্রেক্ষিতে ভেড়ামারার আরিফ বস্ত্র বিতানের মালিক আরিফুর রহমান আরিফ (৪২) ভেড়ামারার বিলশুকা সর্দ্দার পাড়া এলাকার পলাশ (১৯) ও ভেড়ামারার ক্ষেমিরদিয়াড় এলাকার রবিন (১৮)কে গ্রেফতার করতে ভেড়ামারা থানার অফিসার ইনচার্জ মোল্লা মোঃ খবির আহমেদ এর নেতৃত্বে সাড়াঁশি অভিযান শুরু হয়। সে অভিযান এখনো অব্যহত রয়েছে। খুনিদের গ্রেফতারে ব্যবহার করা হচ্ছে উন্নতমানের তথ্য প্রযুক্তি এবং ডিভাইস। পুলিশ তৎপর রয়েছে। খুনিরা যে কোন সময় গ্রেফতার হবে।

ভেড়ামারা থানার অফিসার ইনচার্জ মোল্লা খবির আহমেদ সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, অনিক হত্যা মামলার আসামীদের গ্রেফতার এখন সময়ের ব্যাপার। তদন্ত প্রক্রিয়া ইতোমধ্যে ৮০ ভাগ শেষ হয়েছে। এখন শুধু গ্রেফতার করে আদালতে সোর্পদ করা। তাদের গ্রেফতারের জন্য উন্নতমানের তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার করা হচ্ছে। খুনিদের প্রতিটি পদক্ষেপ অনুসরন করার চেষ্টা চলছে। মামলাটি এখন থেকে সিআইডি পুলিশ তদন্ত করবে। তিনি জানান, খুব দ্রুত ভেড়ামারা থানা পুলিশ এবং সিআইডি পুলিশ যৌথ ভাবে খুনিদের আটক করে আদালতে র্সোপদ করবে। বারবার লোকেশন পরিবর্তন করেও খুনিদের লাভ হবে না।