কিশোরীকে গণধর্ষণের দায় স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দি সিএনজি চালকের

৬:২৩ অপরাহ্ণ | শুক্রবার, আগস্ট ৩০, ২০১৯ সিলেট
Habigonj

মঈনুল হাসান রতন, হবিগঞ্জ প্রতিনিধিঃ প্রাণ কোম্পানিতে কাজ করতে যাওয়া কিশোরীকে হাওরে নিয়ে পালাক্রমে ধর্ষণের ঘটনায় আটককৃত সিএনজি চালক আব্দুর রশিদ আদালতে দায় স্বীকার করে স্বীকারোক্তি মূলক জবানবন্দি দিয়েছে।

গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেলে হবিগঞ্জের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট তৌহিদুল ইসলামের আদালতে এ ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি রেকর্ড করা হয়।

এসময় সে ঘটনার পুরো বর্ণানা দেয় এবং এ ঘটনায় কারা কারা জড়িত তাদের নাম প্রকাশ করে। সিএনজি চালক আব্দুর রশিদ সদর উপজেলার নিতুরচক গ্রামের আব্দুস সামাদের পুত্র। বিষয়টি নিশ্চিত করেন কোর্টস্টেশন পুলিশ ফাঁড়ির পরিদর্শক ও মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা গোলাম কিবরিয়া হাসান।

তিনি জানান, এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে সোহেল রানা নামে আরো একজনকে আটক করা হয়েছে। সে সদর উপজেলার আশেড়া গ্রামের বায়জিদ মুহুরির পুত্র। এর পুর্বে গতকাল বৃহস্পতিবার রাতেই ভিকটিমের পিতা বাদী হয়ে সদর থানায় একটি মামলা দায়ের করে।

উল্লেখ্য, বানিয়াচং উপজেলর সুজাতপুর ইউনিয়নের গাজীপুর গ্রামের সনজব আলীর জনৈক কিশোরী কন্যা গত মঙ্গলবার বিকেলে বাড়ি থেকে রওয়ানা হয় প্রাণ কোম্পানিতে যাওয়ার জন্য। পথিমধ্যে সে হবিগঞ্জ শহর থেকে সন্ধ্যার দিকে সিএনজি অটোরিক্সা যোগে অলিপুরের উদ্দেশ্যে যাওয়ার জন্য উঠলে সিএনজি চালকসহ তার সহযোগীরা তাকে ওই এলাকায় না নিয়ে রাস্তা ঘুড়িয়ে কৌশলে অন্যত্র নিয়ে যায়। পরে তাকে রাতের আধারে সদর উপজেলার নছরতপুর এলাকার একটি হাওরে নিয়ে গিয়ে পালাক্রমে ধর্ষণ করে।

এসময় টহল পুলিশ বিষয়টি আচ করতে পরে তাকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে। পরে বুধবার বিকেলে তাকে হবিগঞ্জ সদর আধুনিক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সে বর্তমানে চিকিৎসাধীন রয়েছে।