সংবাদ শিরোনাম
নিলামে উঠছে মহাত্মা গান্ধীর স্বর্ণে মোড়ানো চশমা | ‘বঙ্গবন্ধু বেঁচে থাকলে দেশ মালয়েশিয়া-সিঙ্গাপুরকে ছাড়িয়ে যেত’- তথ্যমন্ত্রী | ক্যারিয়ারের ১৪ বছরঃ সমর্থকদের উদ্দেশে যা বললেন সাকিব | দিনাজপুরে ভুয়া নারী চিকিৎসককে এক মাসের জেল,ক্লিনিক সিলগালা | র‌্যাব ম্যাজিস্ট্রেট সারওয়ারের আল্টিমেটাম | ‘স্বাস্থ্যবিধি মেনে সীমিত আকারে খেলাধুলা পরিচালনা করা যাবে’- ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী | বেনাপোলে আমদানি নিষিদ্ধ ভারতীয় ওষুধ সহ পাচারকারী আটক | ভারতে ৪০ দিন কারাভোগের পর দেশে ফিরলেন তাবলীগ জামায়াতের ৮ নারীসহ ১৭ জন | বাম্পার ফলন হলেও দাম কম থাকায় হতাশ হবিগঞ্জের লেবু চাষিরা | রাজবাড়ীতে প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া অনুদানের চেক পেলেন সাংবাদিকরা |
  • আজ ২৬শে শ্রাবণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

সুস্থ থাকতে হাঁটা কতটা জরুরি?

৯:২০ অপরাহ্ণ | বুধবার, সেপ্টেম্বর ১১, ২০১৯ লাইফস্টাইল

লাইফস্টাইল ডেস্ক- নানা কারণে আজকাল নিয়মিত ব্যায়াম করা সবার পক্ষে সম্ভব হয় না। কিন্তু সুস্থ থাকতে কিছুটা হলেও শারীরিক পরিশ্রম করা জরুরি। বিশেষজ্ঞদের মতে, হাঁটা এমন একটা উপায়, যার মাধ্যমে কষ্টসাধ্য পরিশ্রম ছাড়াও সহজেই সুস্থ থাকা যায়।

তবে কোন সময়ে হাঁটা শরীরের জন্য উপকারী তা নিয়ে অনেকেই দ্বিধায় থাকেন। চিকিৎসকদের মতে, যেকোনো সময়েই হাঁটা যেতে পারে। ২৪ ঘণ্টার মধ্যে যখনই সময় পাবেন তখনই হাঁটতে পারেন। তারপরও হাঁটার জন্য সূর্যাস্তের আগের সময় অর্থাৎ বিকালকে সবচেয়ে উপযোগী বলছেন বিশেষজ্ঞরা।

অনেকেই ঘুম থেকে উঠেই সকালে হাঁটতে বের হন। বিশেষজ্ঞদের মতে, ঘুম থেকে উঠেই হাঁটতে যাওয়া ঠিক না। ঘুম থেকে ওঠার কমপক্ষে ৩০ মিনিট পর হাঁটতে বের হওয়া উচিত।

তাদের মতে, শরীর সুস্থ রাখতে প্রতিদিন কমপক্ষে ৩০ মিনিট হাঁটা উচিত। তবে প্রতিদিন না-ও হাঁটলেও চলে। পাঁচ দিন ৩০ মিনিট করে ১৫০ মিনিট হাঁটলেও সুস্থ থাকা যায়। তাদের ভাষায়, একজন মানুষের সপ্তাহে ১৫০ মিনিট হাঁটা জরুরি।

শারীরিক অবস্থা ভালো থাকলে আরও বেশি সময় ধরে হাঁটা যেতে পারে। তবে কখনোই ৩০ মিনিটের কম হাঁটা উচিত নয়। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, একবারে ৩০ মিনিট হাঁটার শারীরিক ক্ষমতা না থাকলে তিনবার ১০ মিনিট করে ৩০ মিনিট হাঁটতে পারেন। অথবা একবার ২০ মিনিট, অন্যবার ১০ মিনিট করে মোট ৩০ মিনিট হাঁটা যেতে পারে।

হাঁটলে নানা ধরনের শারীরিক উপকার পাওয়া যায়। যেমন-

১। ভালো ঘুম হয়।

২। হাড় ও পেশি মজবুত হয়।

৩.। ১৫ মিনিট হাঁটলে ৫৬ ক্যালোরি শক্তি খরচ হয়, ওজন কমে।

৪। সৃজনশীল চিন্তা করতে সাহায্য করে।

৫। মানসিক চাপ, উদ্বেগ, ও টেনশন দূর হয়।

৬। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে।

৭। ধমনির চাপ কমিয়ে হৃদরোগ প্রতিরোধ করা যায়।

Skip to toolbar