সংবাদ শিরোনাম
  • আজ ২৯শে আশ্বিন, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

কুমিল্লায় শিশু ধর্ষণ, ফেসবুকে ভিডিও!

১২:৩৪ অপরাহ্ণ | বৃহস্পতিবার, সেপ্টেম্বর ১২, ২০১৯ চট্টগ্রাম

সময়ের কন্ঠস্বর ডেস্ক: কুমিল্লার মুরাদনগরে চতুর্থ শ্রেণিতে পড়ুয়া এক শিশুকে ধর্ষণের ভিডিও ফেসবুকে ভাইরাল হয়েছে। অর্থের প্রলোভন দেখিয়ে ওই শিশুকে ধর্ষণ করে স্থানীয় এক লম্পট মাতব্বর।

উপজেলার বাঙ্গরা বাজার থানাধীন রামচন্দ্রপুর উত্তর ইউপির বাখরাবাদ গ্রামে এ ঘটনা ঘটেছে। ধর্ষক ছিদ্দিকুর রহমান (৬৫) এবং ধর্ষিতা (১১) ওই গ্রামের বাসিন্দা।

গেল শুক্রবার এ ঘটনা ঘটলেও স্থানীয় মাতব্বররা তা ধামাচাপা দিয়ে রাখে। বুধবার ওই শিশুকে ধর্ষণের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ভাইরাল হয়। এতে এলাকায় বেশ তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে।

এদিকে ধর্ষণের ঘটনা ধামাচাপা দেয়ার জন্য স্থানীয় এক ইউপি সদস্যসহ মাতব্বররা ধর্ষক ছিদ্দিকুর রহমানের কাছ থেকে পাঁচ লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়ে ভাগবাটোয়ারা করেছে বলে এলাকায় গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়েছে। তবে ওই টাকা থেকে ধর্ষিতার পরিবারকে দেয়া হয়নি এক টাকাও।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, গত শুক্রবার বিকেলে রামচন্দ্রপুর উত্তর ইউপির বাখরাবাদ গ্রামের ভিকটিমকে (১১) কৌশলে এবং বিশ টাকা দেয়ার প্রলোভন দেখিয়ে বাড়ির পাশের একটি জঙ্গলে নিয়ে যায় গ্রামের মাতব্বর লম্পট ছিদ্দিকুর রহমান। সেখানে নিয়ে তাকে ধর্ষণ করে। তবে কে বা কারা ঘটনাটি ভিডিও করেন। এ ভিডিও দেখিয়ে ধর্ষকের কাছ থেকে স্থানীয় এক ইউপি সদস্যের যোগসাজশে গ্রামের মাতব্বররা ধর্ষক ছিদ্দিকুর রহমানের কাছ থেকে পাঁচ লাখ টাকা হাতিয়ে নেয় বলে গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়ে।

ধর্ষণের এ ভিডিও বুধবার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ভাইরাল হয়। ফেসবুকে এ ভিডিও দেখে ধর্ষক ছিদ্দিকুর রহমান গ্রাম ছেড়ে পালিয়ে যায়। খবর পেয়ে বাঙ্গরা বাজার থানার ওসি মিজানুর রহমান এবং এসআই নুরুল আলম ওই গ্রামে গিয়ে ধর্ষিতাকে উদ্ধার করে থানায় এনে লিখিত অভিযোগ গ্রহণ করে। পরে পুলিশের সহযোগিতায় ধর্ষিতার মা বাদী হয়ে ধর্ষণ মামলা দায়ের করে।

ধর্ষিতার ভাই জানান, ঘটনার পর মাতব্বররা আমাদেরকে কিছু টাকা দিতে চেয়েছিল কিন্তু আমরা তা গ্রহণ করিনি। আমরা ধর্ষকের উপযুক্ত শাস্তি দাবি করছি।

এ বিষয়ে বাঙ্গরা বাজার থানার ওসি মিজানুর রহমান বলেন, মাতব্বররা বিষয়টি ধামাচাপা দেয়ার চেষ্টা করেছিল কিন্তু খবর পেয়ে অভিযোগ ছাড়াই আমরা ঘটনাস্থলে গিয়ে ভিকটিমকে উদ্ধার করে থানায় এনে অভিযোগ গ্রহণ করেছি। ভিকটিমকে মেডিকেল পরীক্ষা করা হবে।