গফরগাঁওয়ে দু’পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ নিহত -১,আহত ৫

৫:৪৬ অপরাহ্ণ | বৃহস্পতিবার, সেপ্টেম্বর ১২, ২০১৯ ময়মনসিংহ
Mymenshing

আব্দুল মান্নান পল্টন,ময়মনসিংহ ব্যুরো: ময়মনসিংহের গফরগাঁওয়ে পূর্ব বিরোধকে কেন্দ্র করে দুইদল গ্রামবাসীর মধ্যে সংঘর্ষে  নিহত হয়েছেন হুমায়ুন কবীর(২৭)নামে এক যুবক।

এ সংর্ঘর্ষে আহত হয়েছেন উভয় পক্ষের ৫জন। আহতদের ঢাকা পঙ্গু এবং ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসাপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

ঘটনাটি ঘটেছে বুধবার রাতে উপজেলার রাওনা ইউনিয়নের ধোপাঘাট গ্রামে। আহতরা হলেন-নিহত হুমায়ুন কবীরের বড় ভাই লিটন মিয়া(৫০)ছোট ভাই জজ মিয়া(২৫),মা রাহেলা খাতুন(৬৮),এবং প্রতিপক্ষ আশরাফুল(৩৩),শরীফুল(৩৬)।গফরগাঁও থানার ওসি অনুকুল সরকার জানান.পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

পুলিশ ও এলাকাবাসী সূত্রে জানাযায়,রাওনা ইউনিয়নের ধোপাঘাট নামাপাড়া গ্রামের মৃত শহর আলী মেম্বারের ছেলে আশরাফুল,শরীফুল ও নয়ন মিয়ার সঙ্গে রাওনা পূর্বপাড়া গ্রামের মৃত আব্দুল মতিন মিয়ার ছেলে নিহত হুমায়ুন কবীর ও তার ছোট ভাই জজ মিয়ার সাথে দীর্ঘদিন যাবত বিরোধ চলে আসছিল।পূর্ব বিরোধের জের ধরে বুধবার রাতে আশরাফুল,শরীফুল ও নয়ন মিয়ার নেতৃত্বে ১০/১২জনের সশস্ত্র লোকজন হুমায়ুন কবীর ও জজ মিয়ার বাড়িতে হামলা চালিয়ে ভাংচুর ও লুটপাট করে।সন্ত্রাসীদের হামলা থেকে নিজেদের বাঁচাতে বাড়িতে থাকা নারী ও শিশুরা ভয়ে অন্যত্র আশ্রয় নেয়।পরে সন্ত্রাসীরা স্থানীয় ধোপাঘাট বাজারে এসে ইসমাইল হোসেনে চা ষ্টল ভাংচুর করে।

খবর পেয়ে হুমায়ুন ও জজ মিয়ার সুসংগঠিত হয়ে সশস্ত্র অবস্থায় ধোপাঘাট বাজারে অবস্থান করে।এসময় দুপক্ষের মধ্যে ব্যাপক সংঘর্ষ হয়।সংঘর্ষ চলাকালে আশরাফুল,শরীফুল ও নয়ন মিয়া প্রতিপক্ষ হুময়ুন ও জজ মিয়াকে দা দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর আহত করে।স্থানীয় লোকজন আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাদের উদ্ধার করে প্রথমে পাশর্^বর্তী ভালুকা উপজেলা স্বাস্থ্যকপ্লেক্সে এবং পরে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে।সেখানে অবস্থার অবনতি হলে রাতে হুমায়ুন কবীর  ও জজ মিয়াকে  ঢাকা পঙ্গু হাসপাতালে ভর্তি করা হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক হুমায়ুন কবীরকে মৃত ঘোষনা করেন

নিহতের বড় ভাই লিটন মিয়া জানান,প্রায় আড়াই বছর আগে মোটরসাইকেল চালানো নিয়ে আশরাফুল,শরীফুল ও নয়ন আমার ছোট ভাই হুমায়ুনকে কুপিয়ে আহত করে।ঔঘটনায় থানায় মামলা হলেও পুলিশ রহস্যজনক কারণে কোন আসামী গ্রেফতার করেনি।পুলিশ আসামীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিলে আজ আমার ভাই হুমায়ুন কবীরকে প্রাণ দিতে হত না।