সংবাদ শিরোনাম
শুক্রবার খালেদা জিয়ার সঙ্গে দেখা করবেন স্বজনরা | ‘ইরান পৃথিবীতে সবচেয়ে বড় ইহুদিবিদ্বেষী’- ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী | সাঈদীর পক্ষ নিয়ে ওয়াজ করায় সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ | ভারতে এইডস আক্রান্ত তরুণীকে গণধর্ষণ, আতঙ্কিত আসামিরা | গজনভি ক্ষেপণাস্ত্রের সফল পরীক্ষা চালাল পাকিস্তান | বিয়ের ২৪ ঘন্টা না পেরোতেই পুরুষাঙ্গ হারালো বর! | ভারতের মুসলিমদের জন্য সরব কিন্তু চীনের বেলায় নিরব পাক প্রধানমন্ত্রী | ‘মুসলিম হয়ে ভারতে টিকে থাকা অনেক কঠিন’- নাসিরুদ্দিন শাহ | নওগাঁ সীমান্তে তিন বাংলাদেশি নিহতের ঘটনায় বিএসএফের দুঃখ প্রকাশ | বছরের প্রথম ২৩ দিনেই বিএসএফের গুলিতে নিহত ১৫ বাংলাদেশি |
  • আজ ১১ই মাঘ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

রোমান্টিক কনফেশনের উত্তরে যা বললেন ডাকসু এজিএস সাদ্দাম

১১:০৪ পূর্বাহ্ণ | মঙ্গলবার, সেপ্টেম্বর ১৭, ২০১৯ ইন্টারনেট রঙ্গ
SADDAM

ইন্টারনেট রঙ্গ ডেস্কঃ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এক ছাত্রী কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ-ডাকসুর এজিএস সাদ্দাম হোসেনকে নিয়ে রোমান্টিক কনফেশন লিখেছেন। বিষয়টি নিয়ে আলোচনার ঝড় উঠেছে শিক্ষার্থীদের মাঝে। বিশেষ করে নারী শিক্ষার্থীদের মাঝে চলছে ব্যাপক আলোচনা। কারণ ডাকসু নির্বাচনে তিনি সর্বাধিক ভোট পেয়েছিলেন নারী ভোটারদের।

“ডিউ ক্রাশ এন্ড কনফেশন” পেইজ থেকে পাঠকের জন্য হুবহু তুলে ধরা হলো-

মনি মুক্তা নামের সেই ছাত্রী লিখেছেন, আমি জানি আমি সাহসী তাই নিজের নাম লিখতে ভয় পাইনি! আপনাকে প্রথম দেখেছিলাম বাইকে চালাতে। আমি নীলক্ষেত যাচ্ছিলাম আপনি পিছনে একটা ছেলেকে নিয়ে বাইক চালিয়ে আসছিলেন। তখন তো জানতাম না আপনি একদিন ঢাবি ছাত্রলীগের সাধারন সম্পাদক হবেন। তবে এটা বুঝেছিলাম আপনি পলিটিক্স করেন কারন পিছনে আরো কয়েকটা বাইক ছিল।

“পরে আপনাকে নিয়ে বিস্তারিত জানা হয় যখন আপনি সাধারন সম্পাদক হন। পরে জানলাম আপনি এফ.আর হলে থাকেন। আমার এক ডিপার্টমেন্টের বড় ভাই আপনার পলিটিক্স করে। ভাইকে অনেক বার বলেছি আপনার সাথে একদিন দেখা করিয়ে দিতে কিন্তু সে শুধু ব্যস্ত আর ব্যস্ত।”

“রোকেয়া হলের প্রায় অর্ধেক মেয়েই জানে আপনি আমার ক্রাশ! এমনকি আমার বয়ফ্রেন্ড ও জানে। শুধু আপনিই জানলেন না। যখন সবাই আপনাকে নিয়ে পঁচা কথা বলে। আপনার বদনাম করে তখন আমার খুব গা জ্বলে। এমনকি আপনার পড়াশুনা নিয়েও মানুষ কথা বলে। এতেও মেজাজ টা গরম হয়।”

“আমার খুব ইচ্ছা আপনার সাথে দেখা করবো আর আপনি আমার ফোন দিয়ে আমার সাথে একটা সেলফি তুলবেন। কিন্তু তা তো আর হচ্ছে না। আপনাকে আর পাই কই। আপনি তো পলিটিক্স নিয়ে ব্যস্ত! আর হ্যা মানুষের কথা কানে নিতে হবে না। নেতা সবাই হতে পারেনা। নেতা হতে গেলে অনেক কিছু বিসর্জন দিতে হয়।”

“আপনার জন্য মন থেকে দোয়া করি। আমি কিন্তুু পলিটিক্স করি না যে আপনাকে হাওয়া দিবো বা তেল দিবো পদ পাওয়ার লোভে৷ কিন্তুু আপনি যদি কোনোদিন আমাকে বলেন যে “তুমি রাজনীতি করো, তোমার মেধাকে রাজনৈতিক কাজে লাগিয়ে মানুষের সেবা করো তবক আমি ঠিক রাজনীতি করবো।” চিন্তা করবেন না আমি কিন্তুু রাজনীতি বিজ্ঞানেরই ছাত্রী, রাজনীতি নিয়ে পড়াশুনা করা মেয়ে।

আমার পদের লোভ নেই। তবে পরিবর্তন আর ভালো কিছু করার ইচ্ছা তো অবশ্যই আছে। তবে এইসব রাজনীতি পরের কথা। আগে তো বলবো খুব সাধারণ করে যে – আপনাকে আমার ভালো লাগে। আমি কিন্তুু লুইচ্চা না। আপনাকে ভালো লাগে শুধু। এই ভালো লাগাটা সুন্দর, স্বাভাবিক এবং শৈল্পিক! আপনি না হয় ক্যাম্পাসে জারুল হবেন, আর আমি হবো জারুলের বেগুনি রং!”

কমেন্ট বক্সে সাদ্দাম প্রতিউত্তরে লিখেছেন, “দেখা হলে কথা বলো এবং সুন্দর, স্বাভাবিক ও শৈল্পিক চা খেয়ে যেও! রাজনীতি কর বা না কর, জীবনে ভালো কিছু কোরো। জারুলের বেগুনি রঙ দেখলে এরপরে তোমার কথা মনে পড়লেও পড়তে পারে! সুন্দর লেখা আর ভাবনার জন্য ভালোবাসা।”

Loading...