• আজ ৩রা কার্তিক, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

চারঘাটে বঙ্গবন্ধুর ছবি ও নাম ফলকে কাঁদা লেপন, ক্ষুব্ধ এলাবাসী

১০:১৩ অপরাহ্ণ | মঙ্গলবার, সেপ্টেম্বর ১৭, ২০১৯ রাজশাহী
RAJ

ওবায়দুল ইসলাম রবি, রাজশাহী প্রতিনিধিঃ রাজশাহীর চারঘাটে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানের ছবি ও নাম-পরিচয় ফলকে কাঁদা লেপনের ঘটনা ঘটেছে। উপজেলার অনুপমপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়-১ এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় স্কুলের প্রধান শিক্ষক লায়লা পারভিন বাদী হয়ে চারঘাট মডেল থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন।

জানা যায়, অনুপমপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বঙ্গবন্ধুর ছবি ও নাম ফলক টানানো ছিল। সোমবার সকালে শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা বিদ্যালয়ে গিয়ে দেখতে পান বঙ্গবন্ধু ভবনের সামনে আঁকা বঙ্গবন্ধুর ছবিতে কাঁদা লেপন করে রাখা হয়েছে। ঘটনাটি ক্ষনিকের মধ্যে পুরো এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে আওয়ামী লীগসহ এলাকাবাসীর মাঝে ব্যাপক ক্ষোভ সৃষ্টি হয়। তাৎক্ষনিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ঘটনাটি সভাপতিসহ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে জানিয়ে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বাদী হয়ে এ বিষয়ে ব্যবস্থা নিতে চারঘাট মডেল থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক লায়লা পারভীন বলেন, ইতিপুর্বেও বঙ্গবন্ধুর ছবিতে কালি লেপন করা হয়েছিল। কিন্তুঘটনার সঙ্গে জড়িত কাউকে খুজে পায়নি। আবারও একই ঘটনা ঘটলো। এটা মেনে নেয়া যায় না। একটি কুচক্রি মহল পরিকল্পিত ভাবে এমন ঘটনা বার বার ঘটিয়ে যাচ্ছে। এ ঘটনার পেছনে যারা জড়িতে তাদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে বিচারের মুখোমুখি করার দাবি জানান তিনি।

চারঘাট মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সমিত কুমার কুন্ডু অভিযোগ পাওয়ার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, এটি একটি ন্যাক্কার জনক ঘটনা। এ ঘটনায় সম্পৃক্ততা থাকার সন্দেহে মোমিন নামের একজনকে আটক করে জেল হাজতে প্রেরণ বরা হয়েছে। তবে এ ঘটনার পেছনে যারাই জড়িত থাকুক না কেন তাদের দ্রুত সময়ের মধ্যে খুজে বের করে কঠিন শাস্তির মুখোমুখি করা হবে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মুহাম্মদ নাজমুল হক জানান, এ ঘটনায় থানা পুলিশকে গভীর ভাবে তদন্ত করার জন্য বলা হয়েছে। যাতে করে এ ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত খুজে বের করা যায়। উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক উপজেলা চেয়ারম্যান আলহাজ্ব ফকরুল ইসলাম বলেন, এমন ঘটনাটি খুবই দু:খ জনক। এটা বঙ্গবন্ধুর আদর্শের কোন সৈনিক মেনে নিতে পারে না। এর দৃষ্টান্ত মুলক শাস্তির দাবি জানিয়ে এর পেছনে ইন্ধনদাতাদেরও খুজে বের করার দাবি করেন ফকরুল।