সংবাদ শিরোনাম
নরসিংদীতে প্রথমবারের মতো সর্বাধুনিক কার ওয়াশ ও সার্ভিসিং সেন্টার উদ্বোধন | রাজধানীতে ছিনতাইয়ের প্রস্তুতিকালে ‘ফইন্নি গ্রুপের’ ৬ সদস্য আটক | এবার চমেক চিকিৎসকদের জন্য ‘নোবেল’ চাইলেন মেয়র নাছির | তানোরে অবৈধ এসটিসি ব্যাংক সিলগালা | ফাঁড়িতে আসামির মৃত্যু: পুলিশ-এলাকাবাসীর সংঘর্ষে আহত ৩৩, পাঁচ পুলিশ প্রত্যাহার | লালমনিরহাটে সহকারী পরিচালকের বেত্রাঘাতে স্কুলছাত্রী অজ্ঞান | সাগরে মৎস আহরণে নিষেধাজ্ঞা, ফিশারিঘাট হারিয়েছে চিরাচরিত রুপ | ‘আবরার পানি খাইতে চাইলে পানি দেওয়া হয় নাই’ | নান্দাইলে নিষিদ্ধ পলিথিন ব্যাগ রাখায় ৫০ হাজার টাকা জরিমানা | মাগরিবের আজানের ২০ মিনিটের মধ্যে ছাত্রীদের হলে ঢোকার নির্দেশ! |
  • আজ ২রা কার্তিক, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

‘বালিশ-পর্দার অস্বাভাবিক দামের বিষয়গুলো প্রধানমন্ত্রীর নজরে আছে’

৫:৪২ অপরাহ্ণ | বুধবার, সেপ্টেম্বর ১৮, ২০১৯ জাতীয়
pianning-minister

সময়ের কণ্ঠস্বর ডেস্কঃ বুধবার রাজধানীর মতিঝিলের একটি অভিজাত হোটেলে আয়োজিত এক কর্মশালায় পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান জানিয়েছেন, সরকারের উন্নয়ন প্রকল্পে বিভিন্ন পণ্য অস্বাভাবিক দামে কেনা হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে সম্প্রতি বড় ধরনের সমালোচনার মুখে পড়তে হয়েছে সরকারকে। এ বিষয়গুলো প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নজরে আছে।

‘বুড়িগঙ্গা, তুরাগ, শীতলক্ষা ও বালু নদীর উচ্ছেদকৃত তীরভূমিতে পিলার স্থাপন, তীররক্ষা, ওয়াকওয়ে ও জেটিসহ আনুষঙ্গিক অবকাঠামো নির্মাণ (দ্বিতীয় পর্যায়)’ শীর্ষক প্রকল্পের সংশ্লিষ্ট স্টেকহোল্ডারদের নিয়ে আয়োজিত কর্মশালায় যোগ দিয়ে এসব কথা বলেন পরিকল্পনামন্ত্রী।

একনেক সভায় প্রধানমন্ত্রীর দেয়া নির্দেশনা সম্পর্কে পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, ‘প্রকল্পে আপনি চেয়ার, টেবিল, চাবি যাই কিনুন না কেন, মূল্য সম্পর্কে আপনাকে সাবধান হতে হবে। কারণ গণমাধ্যমে বালিশের দাম, পর্দার দাম, কী সব! প্রধানমন্ত্রীর নজরে এসব আছে।’

এম এ মান্নান বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী আমাকে বলেছেন, প্রতিটি আইটেম আপনি দেখবেন বসে বসে। গাড়ির ব্যবহার, আমাদের চেলাফেরা– প্রতিটি বিষয়ে আমাদেরকে নতুন ধরনের আচরণ (এটিটুড) নিয়ে কাজ করতে হবে।’

প্রধানমন্ত্রীর সময়ানুবর্তিতার দিকে ইঙ্গিত দিয়ে এম এ মান্নান বলেন, ‘অনেক প্রধানমন্ত্রী, রাষ্ট্রপতি আমাদের চাকরি জীবনে পার করে এসেছি। এই একনেক সভা তখনও ছিল। কিন্তু প্রায়ই সভা হতো না। মাসের পর মাস সভা হতো না। আইনগতভাবে যিনি একনেকের চেয়ার (সভাপতি), তিনি মাসের পর মাস আসতেন না। যিনি দ্বিতীয় বা তৃতীয় ব্যক্তি, তাকে তার পক্ষে এটি চালাতে হত। সকাল ১০টার সভা দুপুর ৩ থেকে ৪টা পর্যন্ত তীর্থের কাকের আমলারা বসে আছেন, শুরুই হয় নাই। অথচ গত ৭ বছর যাবত আমি একনেকে আছি, একটি সভাও দেরিতে শুরু হয় নাই। এর ব্যতিক্রম হয় একমাত্র রাষ্ট্রীয় প্রয়োজনে, সেটাও আবার আগেই জানিয়ে দেয়া হয়।’