আশুলিয়ায় এক চেয়ারম্যানের নামে মামলা করে পালিয়ে বেড়াচ্ছে বাদীর পরিবার

৯:৫৫ পূর্বাহ্ণ | বৃহস্পতিবার, সেপ্টেম্বর ২৬, ২০১৯ ঢাকা
Screenshot

নিজেস্ব প্রতিবেদকঃ আশুলিয়ায় ধামসোনা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সাইফুল ইসলামের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করার পর থেকে আতঙ্কে রয়েছে বাদীর পরিবার। এছাড়াও চেয়ারম্যানের লোকজনের হুমকির মুখে বাদী ও তার ছেলে বাড়ি থেকে পালিয়ে বেড়াচ্ছে বলেও অভিযোগ রয়েছে।

মামলা সুত্র ও বাদীর পরিবার জানায়, ২০১৬ সালে ৫মে আশুলিয়ার শ্রীপুর এলাকার আব্দুল আলিম ওরফে গেদুরাজের ছেলে শাহীনকে গুলি ও কুপিয়ে হত্যা করে সাইফুল চেয়ারম্যানের লোকজন। এ ঘটনায় নিহতের বাবা বাদী হয়ে থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করে।

এর পর থেকেই বিভিন্নভাবে ওই হত্যাকান্ড ভিন্ন খাতে নেওয়ার জন্য সাইফুল ইসলাম ও তার লোকজন বিভিন্ন কৌশলে অপ্রপচার চালাতে শুরু করে। পরে আব্দুল আলিমের পরিবারকে এলাকায় হেয় প্রতিপন্ন করার জন্য মানববন্ধনসহ বিভিন্ন মাধ্যমে অপ্রপচার চালানো শুরু করলে এ ঘটনায় তিনি নিজে বাদী হয়ে ধামসোনা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সাইফুল ইসলামসহ চার জনের নাম উল্লেখ করে মামলা দায়ের করেন। বর্তমানে মামলাটি পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনে (পিবিআই) তদন্ত চলছে।

বিষয়টি নিশ্চিত করে পুলিশ ব্যুারো অব ইনভেস্টিগেশনের পুলিশ পরিদর্শক নাসির উল্লাহ বলেন, ধামসোনা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানসহ চার জনের নামে দায়ের করা মামলাটি তিনি তদন্ত করছেন। আব্দুল আলিমের ছেলে কাউছার অভিযোগ করে বলেন, চেয়ারম্যানের লোকজন ২০১৬ সালে ২৪ আগস্ট তার ভাইকে গুলি ও কুপিয়ে হত্যা করেছে। এছাড়াও এলাকায় তাদেরকে খারাপ ও সুনাম নষ্ট করার জন্য অপ্রপচার চালিয়ে ওই হত্যাকান্ডের মামলাটি ভিন্ন খাতে প্রবাহের চেষ্টাও চালানো হয়েছে। এসব কারনেই তার বাবা বাদী হয়ে ইউপি চেয়ারম্যানসহ চার জনের নামে মামলা দায়ের করেছেন। মামলা দায়েরের পর থেকেই তার পুরো পরিবার আতঙ্কের মধ্যে রয়েছেন। তারা চেয়ারম্যানের সন্ত্রাসী বাহিনীর ভয়ে বাড়ি থেকে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

কাউছার অভিযোগ করে আরো বলেন, তার বাবা আব্দুল আলিমের সাথে চেয়ারম্যান সাইফুল ইসলাম নির্বাচনে প্রতিদ্বন্ধিতা করেছেন। এ কারনে নির্বাচনী প্রতিপক্ষ হিসেবে তাদের সাথে সাইফুল চেয়ারম্যানের বিরোধ রয়েছে। ২০১৬ সালে নির্বাচনে জয়ী হওয়ার পরই চেয়ারম্যানের লোকজন তার বাবাকে মানষিকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ করার জন্য ভাইকে কুপিয়ে ও গুলি করে হত্যা করে।

তবে এসব বিষয়ে অভিযুক্ত ইউপি চেয়ারম্যান সাইফুল ইসলামের মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।

Loading...