ভয়ঙ্কর প্রেমের নাটক, স্ত্রীকে ধর্ষণের দৃশ্য লুকিয়ে দেখছিল স্বামী

২:৩৫ অপরাহ্ণ | বৃহস্পতিবার, সেপ্টেম্বর ২৬, ২০১৯ আলোচিত

সময়ের কণ্ঠস্বর, ফরিদপুর- ফরিদপুরের শহরতলীর তালতলা এলাকা থেকে উদ্ধার হওয়া আকলিমা আক্তার সোনিয়া (৩০) হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটন করেছে র‌্যাব ৮ ফরিদপুর কোম্পানি। হত্যার আগে সোনিয়াকে একটি মাইক্রোবাসে তুলে ধর্ষণ করা হয়।

এরপর হত্যা করে রাত ১১টার দিকে তালতলা এলাকায় লাশ ফেলে পালিয়ে যায় হত্যাকারীরা। হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত রাসেল দেওয়ান নামে এক জনকে আটক করেছে র‌্যাব। এ সময় ধর্ষণ ও হত্যায় ব্যবহৃত মাইক্রোটিও জব্দ করা হয়।

বুধবার বিকেল ৩টায় এক প্রেস ব্রিফিং এ এসব তথ্য জানায় র‌্যাব ৮ ফরিদপুরের স্কোয়াড কমান্ডার সহকারী পুলিশ সুপার দেবাশীষ কর্মকার।

এর আগে গত ২০ সেপ্টেম্বর শহরতলীর তালতলা এলাকা থেকে সোনিয়ার লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। তিনি চরমাধবদিয়া ইউনিয়নের জমাদ্দার ডাঙ্গী গ্রামের আব্দুল ওহাব শেখের মেয়ে।

দেবাশীষ কর্মকার আরও জানান, সোনিয়ার লাশ উদ্ধার হওয়ার পর ঘটনাটির নিয়ে ছায়া তদন্ত শুরু করে র‌্যাব। তদন্তের এক পর্যায়ে প্রযুক্তির সহায়তায় ও গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে রাসেলকে আটক করা হয়। রাসেল ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছে। আটক রাসেলের বাড়ি রাজবাড়ীর কালুখালী এলাকার পশ্চিম রতনদিয়া গ্রামে।

রাসেলের বরাত দিয়ে র‌্যাবের এই কর্মকর্তা জানান, সোনিয়ার সাবেক স্বামীর সঙ্গে যোগসাজশে তাকে হত্যার পরিকল্পনা করে তার প্রেমিক। সেই অনুযায়ী গত ১৯ সেপ্টেম্বর সোনিয়ার সঙ্গে দেখা করে তাকে একটি মাইক্রোবাসে তুলে নেয় প্রেমিক। এরপর মাইক্রোবাসে তার প্রেমিক তাকে ধর্ষণ করে। এ সময় সাবেক স্বামী মাইক্রোবাসের ভেতর লুকিয়ে দেখছিল। এক পর্যায়ে সেও ধর্ষণ করতে চাইলে সোনিয়া চিৎকার শুরু করে।

তখন শহরের অম্বিকাপুর এলাকায় মাইক্রোবাস থামিয়ে রাসেলের সহায়তায়, সোনিয়ার প্রেমিক ও সাবেক স্বামী মিলে তার মাথার পেছনে ছুরিকাঘাত করে। হত্যা শেষে তারা চরমাধবদিয়া ইউনিয়নের তালতলা এলাকায় লাশ ফেলে পালিয়ে যায়।