মিয়ানমার ও তুরস্ক থেকে আমদানি করা হচ্ছে পেঁয়াজ

৯:১৩ অপরাহ্ণ | সোমবার, সেপ্টেম্বর ৩০, ২০১৯ অর্থনীতি
AA

সময়ের কণ্ঠস্বর ডেস্কঃ রোববার (২৯ সেপ্টেম্বর) থেকে বাংলাদেশে পেঁয়াজ রফতানি বন্ধ করে দিয়েছে ভারত। পেঁয়াজ রফতানি পুরোপুরি বন্ধ করে দেয়ায় এর প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশের বাজারে। এক রাতের ব্যবধানে বাংলাদেশে পেঁয়াজের দাম দ্বিগুণ হয়ে গেছে।

পেঁয়াজের দাম কেজি ১০০ টাকা ছুঁলেও বাণিজ্য সচিব মো. জাফর উদ্দীন বলছেন, দেশি ও আমদানি করা পেঁয়াজের সন্তোষজনক মজুত রয়েছে। এ নিয়ে উদ্বিগ্ন হওয়ার কোনো কারণ নেই। যারা মজুত করবেন এবং বাজার অস্থির করার চেষ্টা করবেন তাদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া হবে।

ভারত পেঁয়াজ রপ্তানি বন্ধ ঘোষণার আগে থেকেই ব্যবসায়ীরা মিয়ানমার থেকে আমদানি শুরু করেছিলেন। এ পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ভারতের ‘নাসিক’ পেঁয়াজের চেয়ে কম দামে। সোমবার (৩০ সেপ্টেম্বর) তুরস্ক থেকে আমদানি করা পেঁয়াজের চালান এসেছে চট্টগ্রাম বন্দরে।

এ ছাড়া গত কয়েক সপ্তাহ থেকে সোমবার (৩০ সেপ্টেম্বর) পর্যন্ত মিয়ানমার থেকে টেকনাফ স্থলবন্দর দিয়ে তিন হাজার ৫৭৩ টন পেঁয়াজ আমদানি হয়েছে। খালাসের অপেক্ষায় হাজারের অধিক টন পেঁয়াজ ভর্তি ট্রলার বন্দর ঘাটে নোঙর করে আছে। পেঁয়াজভর্তি আরও একাধিক ট্রলার স্থলবন্দরের পথে মিয়ানমার থেকে রওনা দিয়েছে।

জানা যায়, মিয়ানমারের রফতানিকারকরা টনপ্রতি গড় দাম ৩৫ হাজার টাকায় টেকনাফ স্থলবন্দর পর্যন্ত পৌঁছে দিচ্ছে। আনুষঙ্গিক খরচ যোগ করে মিয়ানমার থেকে আসা পেঁয়াজ টেকনাফ বন্দর কার্যক্রম শেষ পর্যন্ত কেজিপ্রতি গড় দাম দাঁড়ায় ৩৫ টাকা। কিন্তু টেকনাফের স্থানীয় বাজারে ব্যবসায়ীরা পেঁয়াজের দাম হাঁকাচ্ছেন ৮০ টাকা। কক্সবাজার শহর, বৃহত্তর ঈদগাঁও বাজারসহ প্রসিদ্ধ বাজারগুলোতে ১০০ থেকে ১১০ টাকা পর্যন্ত নেয়া হচ্ছে পেঁয়াজের কেজি।

টেকনাফ স্থলবন্দর শুল্ক কর্মকর্তা মো. আবছার উদ্দিন বলেন, মিয়ানমার থেকে প্রচুর পরিমাণ পেঁয়াজ আসছে। সোমবার পর্যন্ত ৩ হাজার ৫৭৩ টন পেঁয়াজ বন্দরের কার্যক্রম শেষ করে দেশের বিভিন্ন স্থানে সরবরাহ দিয়েছেন ব্যবসায়ীরা। ঘাটে পেঁয়াজভর্তি ১৫টি ট্রলার নোঙর করা আছে। বন্দরের উদ্দেশ্যে মিয়ানমার ছাড়ছে আরও বেশ কয়েকটি ট্রলার। ফলে পেঁয়াজ আমদানি বাড়বে। এরপর দাম কমবে।

Loading...