সংবাদ শিরোনাম
খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে টাঙ্গাইলে বিক্ষোভ | সৌদিতে কেন আমাদের ধুঁকে ধুঁকে মরতে হচ্ছে? প্রধানমন্ত্রীকে নির্যাতিত নারী | অপরাধী যেই হোক, শাস্তি পেতেই হবে, এটাই সিদ্ধান্ত: প্রধানমন্ত্রী | ‘পুলিশ বলেছে, কার্যালয় থেকে নিচে নামলেই ব্যবস্থা নিবে’ | নয়াপল্টন ঘিরে রেখেছে পুলিশ, র‌্যালি করতে পারছে না বিএনপি | গাভীর পেট থেকে একটি বড় চোখ নিয়ে অদ্ভুত বাছুরের জন্ম! | ৩৮ জন আরোহীসহ চিলির সামরিক বিমান নিখোঁজ | স্বামী খাট কিনে না দেওয়ায় অন্তঃসত্ত্বা নারীর আত্মহত্যা! | ৩৬ ঘন্টা সম্মুখ যুদ্ধের পর এই দিনে পাক হানাদার মুক্ত হয়েছিল মাদারীপুর | আশুলিয়ায় সোয়েটার কারখানায় হিটার মেশিন বিস্ফোরণে শ্রমিক নিহত, আহত ৩ |
  • আজ ২৫শে অগ্রহায়ণ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

ন্যায়বিচারে বাধার প্রতিবাদে এজলাসেই নিজের মুখে গুলি চালালেন বিচারক

৩:৫২ অপরাহ্ণ | সোমবার, অক্টোবর ৭, ২০১৯ আন্তর্জাতিক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক- কাঠগড়ায় দাঁড়িয়ে আছে হত্যা মামলার আসামিরা। কিন্তু অপরাধী সাব্যস্ত করার শক্ত কোনো প্রমাণ নেই। তা সত্ত্বেও ওপরের নির্দেশ, শাস্তি দিতেই হবে অভিযুক্তদের। শেষ পর্যন্ত চাপ উপেক্ষা করেই আসামিদের বেকসুর খালাস দেন বিচারক। এরপর এজলাসে বসে পকেট থেকে পিস্তল বের করে নিজের মুখে গুলি চালান বিচারক।

শুক্রবার (৪ অক্টোবর) বিকাল সাড়ে ৩টায় ঘটনাটি ঘটে দক্ষিণ থাইল্যান্ডের ইয়ালা আদালতে। দ্রুত বিচারককে হাসপাতালে নেয়া হয়। অপারেশনের পর বর্তমানে তিনি শঙ্কামুক্ত।

এর আগে প্রতিবাদী বক্তব্য দিয়ে সেটা সামাজিক মাধ্যমে পোস্টও করে ওই বিচারক। ন্যায়বিচারে এমন নজিরবিহীন প্রতিবাদের জন্য এখন প্রশংসায় ভাসছেন বিচারক কানাকর্ন পিয়ানচানা।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তো বটেই, থাইদের মুখে মুখেও এখন একটাই কথা- একেই বলে বিচারক। এরই নাম বিচার।

থাইল্যান্ডের বিচার বিভাগ ও এর বিচারিক প্রক্রিয়া নিয়ে ঢের অভিযোগ রয়েছে। দেশটির সচেতন মহল ও সুশীল সমাজ বলছে, আদালত এখন ধনী ও প্রভাবশালী ছাড়াও আর কাউকে চেনে না। রায় বেশিরভাগই পয়সাওয়ালা ও প্রভাবশালীদের পক্ষেই যায়।

অন্যদিকে ছোট্ট অপরাধে সাধারণ মানুষকে দেয়া হয় গুরুতর সাজা। তারপরও বিচার ব্যবস্থা নিয়ে এ যাবৎ কোনো বিচারকই প্রতিবাদ করেননি।

নিজের বুকে গুলি চালানোর আগে বিচারক খানাকর্নের লেখা বিবৃতিটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। ২৫ পৃষ্ঠার ও বিবৃতি থেকে জানা যায়, তিনি যে মামলার শুনানি করছিলেন তা জাতীয় নিরাপত্তা এবং গোপন সংগঠন, ষড়যন্ত্র ও অস্ত্রবিষয়ক।

থানাকর্নের দাবি, মামলায় রায় নিয়ে জ্যেষ্ঠ বিচারকদের মধ্যে মতানৈক্য দেখা দেয়। প্রমাণের অভাবে পাঁচ অভিযুক্তকে খালাস দিতে চেয়েছিলেন খানাকর্ন। তবে জ্যেষ্ঠ বিচারকেরা তাকে তিন অভিযুক্তকে মৃত্যুদণ্ড ও বাকি দু’জনকে কারাদণ্ড দিতে চাপ দেয় বলে ওই বিবৃতিতে দাবি করা হয়েছে।

Loading...