সংবাদ শিরোনাম
ইলিয়াস কাঞ্চনকে নিয়ে নিজের মন্তব্যের পক্ষে সাফাই গাইলেন শাজাহান খান | মোবাইল কিনলেই সাথে পেঁয়াজ ফ্রি! | পেঁয়াজ ছাড়া রান্না হলে আওয়ামী লীগ ছাড়াও দেশ চলবে: রাঙ্গা | নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যের দাম নিয়ন্ত্রনে সরকার সম্পূর্ণ ব্যর্থ | বিশ্ববিদ্যালয়গুলো ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানে পরিণত হচ্ছে: রাষ্ট্রপতি | হাসপাতালে চেয়ার না পেয়ে নিজের কাঁধেই বসালেন অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রীকে! | সাপাহারে সীমান্ত দিয়ে ভারতে অনুপ্রবেশকালে ৩ যুবক আটক | সিরাজগঞ্জে আ.লীগ-বিএনপি সংঘর্ষ: বিএনপির ১৫৭ নেতাকর্মীর নামে মামলা | মির্জাপুরে একরাতে দুই নারী ও এক শিক্ষার্থীর আত্মহত্যা | মুন্সীগঞ্জের তিনটি ইটভাটা উচ্ছেদ, ১৩ লাখ টাকা জরিমানা |
  • আজ ২৪শে অগ্রহায়ণ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

আবরার হত্যার বিচার চাইলেন আসামি মুন্নার মা

১২:৪১ অপরাহ্ণ | বুধবার, অক্টোবর ৯, ২০১৯ আলোচিত বাংলাদেশ

সময়ের কণ্ঠস্বর, হবিগঞ্জ- বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) মেধাবী ছাত্র আবরার ফাহাদ হত্যার দ্রুত বিচার দাবি করেছেন আসামি ছাত্রলীগ বুয়েট শাখার গ্রন্থনা ও প্রকাশনা সম্পাদক ইশতিয়াক আহমেদ মুন্নার মা। ঘটনার পরই পুলিশের হাতে আটক হন মুন্না।

মুন্নার মা কুলসুমা আক্তার শেলি দাবি করেন, তার ছেলে এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত নয়। কারণ হিসেবে তিনি জানান, ঘটনার রাতে মুন্না তার গ্রামের বাড়ি হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলার ঘরগাঁও গ্রামে একটি বিয়ের অনুষ্ঠানে ছিলেন। বিয়ের অনুষ্ঠান শেষে রাত সাড়ে ১১টায় মুন্না বাড়ি থেকে ঢাকার উদ্দেশে রওয়ানা দেন।

মুন্নার মা বলেন, আমার ছেলেকে পুলিশ আটক করেছে সন্দেহজনকভাবে। আমার ছেলে এমন বর্বর হত্যার সঙ্গে জড়িত থাকার প্রশ্নই আসে না।

তিনি বলেন, আজ আবরারের স্থলে আমার ছেলে মারা গেলেও আমি পুত্রহারা হতাম। আমি এ হত্যাকাণ্ডের দ্রুত বিচার দাবি করছি।

মঙ্গলবার মুন্নার গ্রামের বাড়িতে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, তার পিতা প্রয়াত আহাদ আলী মেম্বার ছিলেন বিএনপির একজন কর্মী। তারা পারিবারিকভাবে বিএনপির সমর্থক। এ পরিবারের সন্তান ইশতিয়াক মুন্না বুয়েটে গিয়ে ছাত্রলীগ নেতা বনে যান।

আবরার হত্যাকাণ্ডে তার জড়িত থাকার বিষয়টি গ্রামের বাড়িতে জানাজানি হলে সমালোচনার ঝড় ওঠে। অনেকেই তাকে চুনারুঘাটের কলঙ্ক বলে আখ্যায়িত করেছেন।

কুলসুমা আক্তার শনিবার বিকেলে তার ৩ ছেলেকে নিয়ে গ্রামে পীর মোর্শেদ কামালের মেয়ের বিয়ের অনুষ্ঠানে বেড়াতে যান। মুন্নার মা জানান, রোববার রাতে বিয়ের অনুষ্ঠান শেষে রাত সাড়ে ১১টায় বুয়েটের ইশতিয়াক মুন্না বাসযোগে ঢাকায় চলে যান। সোমবার সকালে ছেলের ফোন না পেয়ে মা কুলসুমা ফোন করলে তার ফোন বন্ধ পান। এরপরই মুন্নার এক বন্ধু তার মাকে জানায় মুন্নার হলে (শেরেবাংলা হল) সমস্যা হয়েছে। মুন্না সমস্যায় আছে, এ কথা বলেই সে ফোন কেটে দেয়।

পরে কুলসুমা খোঁজ নিয়ে জানতে পারেন তার ছেলে প্রথমে চকবাজার পুলিশ ও পরে ডিবি পুলিশের কাছে রয়েছে। তাকে সন্দেহজনকভাবে আটক করা হয়েছে এবং তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। তিনি জানান, নিহত আবরারের বাবা যে মামলা করেছেন তাতে তার ছেলে মুন্নার নাম নেই। এ ছাড়া যে ভিডিও ফুটেজ পাওয়া গেছে তাতেও মুন্নার ছবি নেই। সে ছাত্রলীগ করত আমি জানি।

এ বিষয়ে মুন্নার চাচা ওয়াহেদ আলী জানান, মুন্না রোববার বাড়িতে এসেছিল। রাতে ঢাকা যাওয়ার সময় আমার সঙ্গে বিদায় নিয়ে গেছে। একই গ্রামের ডা. মুসলিম উদ্দিন বলেন, ইশতিয়াক মুন্নারা ৩ ভাই। সবাই মেধাবী। মুন্না গ্রামের ঘরগাঁও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পড়ার সময়ই ২০০৮ সালে তারা বাবা মারা যান।

উল্লেখ্য, গত রোববার দিবাগত রাত ৩টার দিকে বুয়েটের শেরে বাংলা হলের নিচতলা থেকে আবরার ফাহাদের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। তাকে বুয়েটের ছাত্রলীগ কর্মীরা পিটিয়ে হত্যা করে বলে দাবি সহপাঠীদের।

Loading...