আবরার হত্যা: এজাহারে নাম না থাকলেও সংশ্লিষ্টতায় তিনজন গ্রেফতার

৩:২২ অপরাহ্ণ | বৃহস্পতিবার, অক্টোবর ১০, ২০১৯ আলোচিত বাংলাদেশ

সময়ের কন্ঠস্বর ডেস্ক:আবরার হত্যা মামলার এজাহারে নাম না থাকার পরও প্রাথমিক তদন্তে সংশ্লিষ্টতা থাকায় তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার মনিরুল ইসলাম।

দুপুরে ডিএমপির মিডিয়া সেন্টারে আবরার হত্যা মামলার বিষয়ে প্রেস ব্রিফিংয়ে একথা বলেন তিনি।

মনিরুল ইসলাম বলেন, এজাহার দায়েরের আগেই মোট ১০ জনকে গ্রেফতার করা সম্ভব হয়েছে। পরদিন ওই ১০ জনকে আদালতে হাজির করে আমরা পাঁচ দিন করে রিমান্ড পেয়েছি। তাদের জিজ্ঞাসাবাদ চলছে। পাশাপাশি এজাহার দায়েরের পরে আমরা আমাদের তৎপরতা অব্যাহত রেখেছি। ফলে এজাহার দায়েরের পর আরও পাঁচজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

তিনি বলেন, এজাহার একটি প্রাথমিক তথ্য বিবরণী। প্রাথমিকভাবে যাদের নাম এসেছে আবরার ফাহাদের বাবা তাদের নাম উল্লেখ করেছেন এবং অজ্ঞাতনামা আরও কয়েকজনের কথা বলেছেন। তারই সূত্র ধরে এজাহারে নাম নেই কিন্তু অন্যান্যদের জিজ্ঞাসাবাদ করে বা বিভিন্ন তথ্যপ্রযুক্তির সাহায্য নিয়ে জড়িত থাকার প্রমাণ পাওয়ায় আরো তিনজনকে গ্রেফতার করেছি।

এজাহার বহির্ভূত গ্রেফতাররা হলেন- অমিত শাহা, মিজানুর রহমান ওরফে মিজান এবং শামসুল আরেফিন রাফাত।

মনিরুল ইসলাম বলেন, এ তিনজনের নাম এজাহারে না থাকার পরেও প্রাথমিক তদন্তে তাদের সংশ্লিষ্টতার বিষয়টি আসায় তাদের গ্রেফতার করা হয়েছে।

এদিকে বৃহস্পতিবার সকালে ঢাকার সবুজবাগ থেকে আবরার ফাহাদ হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় আলোচিত ছাত্রলীগ নেতা অমিত সাহাকে আটক করে পুলিশ। দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে আবরারের রুমমেট মিজানকে বুয়েটের শেরে-ই-বাংলা হলের ১০১১ নম্বর রুম থেকে তাকে তুলে নিয়ে যায় ডিবি পুলিশ। আটক মিজান বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়াটার রিসোর্চ অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের শিক্ষার্থী।

এর আগে মঙ্গলবার বিকেলে শামসুল আরেফিন রাফাতকে রাজধানীর জিগাতলা এলাকা গ্রেফতার করা হয়।

রোববার (৬ অক্টোবর) দিবাগত মধ্যরাতে বুয়েটের সাধারণ ছাত্র ও বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ফাহাদকে শেরে-ই-বাংলা হলের দ্বিতীয় তলা থেকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নিয়ে যান। সোমবার (৭ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ৬টার দিকে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। তার শরীরে অসংখ্য আঘাতের চিহ্ন ছিল।

সময়ের কণ্ঠস্বর/ফয়সাল

Loading...