সংবাদ শিরোনাম
প্রথমবারের দেশের বাজারে এলো ‘টু সিরিজ গ্র্যান কুপ’ বিএমডব্লিউ | শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ, শ্রীমঙ্গলে মা-বাবার পাহারায় ঘরে বসে ‘সততা’ পরীক্ষা | গোপালগঞ্জ জেলা পরিষদ সদস্য মন্নু করোনায় আক্রান্ত | থানায় বোমা বিস্ফোরণের ঘটনায় মিরপুরের ৬ পুলিশ কর্মকর্তা বদলি | জীবনসঙ্গিনী খুঁজে নিলেন চাহাল | এবার ১২০০ কোটি রুপি ব্যয়ে আকাশছোঁয়া ‘হনুমানের মূর্তি’ তৈরি হচ্ছে ভারতে | লাদাখ সীমান্তে উত্তেজনা বৃদ্ধি, আবারো চীনা সেনা মোতায়েনের দাবি ভারতের | হাজিদের পাথর নিক্ষেপে পদদলিত হয়ে মৃত্যু থামিয়ে ছিলেন এই বাংলাদেশি ইঞ্জিনিয়ার | লামায় ৯ বছরের শিশু ধর্ষিত, ধর্ষক আটক | পিরোজপুরে মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রণালয়ের দুই ভুয়া কর্মকর্তা গ্রেপ্তার |
  • আজ ২৫শে শ্রাবণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

ক্ষমা চাইলেন বুয়েট ভিসি

৯:১৩ অপরাহ্ণ | শুক্রবার, অক্টোবর ১১, ২০১৯ স্পট লাইট

সময়ের কন্ঠস্বর ডেস্ক:বুয়েট শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদ হত্যার ঘটনায় ক্ষমা চেয়েছেন উপাচার্য (ভিসি) অধ্যাপক ড. সাইফু্ল ইসলাম।

শুক্রবার বিকালে বুয়েট অডিটোরিয়ামে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের সঙ্গে বৈঠকের শুরুতেই ভিসি অধ্যাপক সাইফুল ইসলাম ক্ষমা প্রার্থনা করেন।

আবরার ফাহাদ হত্যার ৩০ ঘণ্টা পার হলেও ক্যাম্পাসে আসেননি ভিসি। যে কারণে ক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা ভিসির পদত্যাগ দাবি করেন। সেই দাবির প্রেক্ষিতে ক্ষমা চান বুয়েট ভিসি অধ্যাপক ড. সাইফুল ইসলাম।

শুক্রবার আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের সঙ্গে বৈঠকের বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন আবরার ফাহাদের পরিবারকে ক্ষতিপূরণ এবং মামলার যাবতীয় খরচ বহনকরার ঘোষণা দেয়।

এ বৈঠকে আবরার ফাহাদ হত্যা মামলায় এজাহারভুক্ত ১৯ জনকে বুয়েট থেকে সাময়িক বহিষ্কার করা হয়েছে।

এর আগে আবরার হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত থাকার প্রমাণ মেলায় বুয়েট শাখার সহসভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ ১১ জনকে ছাত্রলীগ থেকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হয়।

প্রসঙ্গত, ভারতের সঙ্গে সম্পাদিত চুক্তি নিয়ে ফেসবুকে স্ট্যাটাস দেয়ায় খুন হন বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদকে। ভারতের সঙ্গে চুক্তির বিরোধিতা করে শনিবার বিকালে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাস দেন ফাহাদ। এর জের ধরে রোববার রাতে শেরেবাংলা হলের নিজের ১০১১ নম্বর কক্ষ থেকে তাকে ডেকে নিয়ে ২০১১ নম্বর কক্ষে বেধড়ক পেটানো হয়। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। পিটুনির সময় নিহত আবরারকে ‘শিবিরকর্মী’ হিসেবে চিহ্নিত করার চেষ্টা চালায় খুনিরা।

তবে আবরার কোনো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন না বলে নিশ্চিত করেছেন তার পরিবারের সদস্যসহ সংশ্লিষ্টরা।

হত্যাকাণ্ডের প্রমাণ না রাখতে সিসিটিভি ফুটেজ মুছে (ডিলেট) দেয় খুনিরা। তবে পুলিশের আইসিটি বিশেষজ্ঞরা তা উদ্ধারে সক্ষম হন। পুলিশ ও চিকিৎসকরা আবরারকে পিটিয়ে হত্যার প্রমাণ পেয়েছেন।

আবরার ফাহাদ হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় তার বাবা বরকত উল্লাহ বাদী হয়ে চকবাজার থানায় ১৯ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেন। ইতিমধ্যে পুলিশ ১৭ জনকে গ্রেফতার করেছেন। ১৩ জনকে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করছে পুলিশ।

সময়ের কণ্ঠস্বর/ফয়সাল

Skip to toolbar