• আজ ৬ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

বশেমুরবিপ্রবি’র প্রভোষ্ট ও বিভিন্ন অনুষদের চেয়ারম্যানসহ ৭ জনের পদত্যাগ

৮:৩২ অপরাহ্ণ | মঙ্গলবার, অক্টোবর ১৫, ২০১৯ শিক্ষাঙ্গন
bango

এইচ এম মেহেদী হাসানাত, স্টাফ রিপোর্টার গোপালগঞ্জ: গোপালগঞ্জে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
বিশ্ববিদ্যালয়ে পদত্যাগের হিড়িক পড়েছে। আজ মঙ্গলবার সারা দিনে দুটি হলের প্রভোষ্ট ও বিভিন্ন অনুষদের চেয়ারম্যানসহ ৭ জন পদত্যাগ করেছেন। এদিকে নতুন করে ৬ জন সহকারী প্রক্টর নিয়োগ দিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানাগেছে, ব্যক্তিগত কারন দেখিয়ে আজ মঙ্গলবার সারা দিনে দুইজন হল প্রভোষ্ট ও বিভিন্ন বিভাগের চেয়ারম্যানসহ ৭ জন পদত্যাগ করেন। তারা তাদের নিজ নিজ পদত্যাগ পত্র রেজিষ্ট্রার প্রফেসর ড. নুরউদ্দিন আহমেদের কাছে জমা দেন। পরে পদত্যাগ পত্র ভারপ্রাপ্ত ভিসির কাছে পাঠানো হয়।

পদত্যাগকারীরা হলো- স্বাধীনতা দিবস হলের প্রভোস্ট মুহাম্মদ রবি উল্লাহ ও শেখ রাসেল হলের প্রভোস্ট রবিউল ইসলাম, কৃষি বিভাগের চেয়্যারম্যান ড. এম.এ সাত্তার, আইন বিভাগের ডীন মোঃ আব্দুল কুদ্দুস মিয়া, ছাত্র বিষয়ক উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মোঃ আব্দুর রহিম খান, ফুড এন্ড এগ্রো প্রসেস ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের চেয়ারম্যান ড. নাজমুল হক শাহীন এবং লাইভ ষ্টোক বিভাগের
চেয়ারম্যান মোঃ শফিকুজ্জামান।

এদিকে, নতুন করে ৬ জন সহকারী প্রক্টর নিযোগ দিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তপক্ষ। আজ মঙ্গলবার বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিষ্ট্রার প্রফেসর ড. নূরউদ্দিন আহমেদ স্বাক্ষরিত অফিস আদেশ- এ তথ্য জানাগেছে। সহকারী প্রক্টর পদে নিয়োগকৃতরা হল-আইন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মানসুরা খানম, সিএসই বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মোঃ নেসারুল হক, রসায়ন বিভাগের প্রভাষক নাসিরুদ্দিন, ইইই বিভাগের প্রভাষক চয়ন মন্ডল, সমাজ বিজ্ঞান বিভাগের প্রভাষক মোঃ হুমায়ূন কবীর ও সিএসই বিভাগের প্রভাষক এস.এ.এম
মেহেদী হাসান।

বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত উপাচার্য ড. মোঃ শাহজাহান পদত্যাগ ও সহকারী প্রক্টর নিয়োগের সত্যতা স্বীকার করেছেন।

প্রসঙ্গত, গত ১১ সেপ্টেম্বর আইন বিভাগের ছাত্রী ও ক্যাম্পাস সাংবাদিক ফাতেমা-তুজ-জিনিয়াকে সাময়িক বহিষ্কার করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। জিনিয়ার বহিষ্কার নিয়ে ব্যাপক আন্দোলনের মুখে ১৮ সেপ্টেম্বর প্রশাসন তার বহিষ্কারাদেশ তুলে নিতে বাধ্য হয়। ১৯ সেপ্টেম্বর থেকে শিক্ষার্থীরা ভিসি’র বিরুদ্ধে নানা অনিয়ম, দূর্নীতি, স্বেচ্ছাচারিতা, স্বজনপ্রীতি ও নারী কেলেঙ্কারীর অভিযোগ এনে তার পদত্যাগের এক দফা দাবীতে আন্দোলন শুরু করে শিক্ষার্থীরা। আন্দোলন চলাকালে শিক্ষার্থীদের উপর হামলার ঘটনায় ও ব্যক্তিগত কারন দেখিয়ে তিনজন সহকারী প্রক্টর পদত্যাগ করে। টানা ১২ দিনের আন্দোলনের মুখে ৩০ সেপ্টেম্বর তৎকালীন ভিসি প্রফেসর ড. খোন্দকার নাসিরউদ্দিন পদত্যাগ করেন।

Loading...