• আজ ৬ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

রাজবাড়ীতে ইলিশ ধরার অপরাধে দুই পুলিশ আটক

৭:০৯ অপরাহ্ণ | মঙ্গলবার, অক্টোবর ২২, ২০১৯ ঢাকা, দেশের খবর

খন্দকার রবিউল ইসলাম, রাজবাড়ী প্রতিনিধি: সরকারী নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে রাজবাড়ীর পদ্মায় ইলিশ ধরার দায়ে এক এএসআই ও কনস্টেবলসহ ২০ জনকে আটক করেছে জেলা প্রশাসন ও র‌্যাব।

মঙ্গলবার ভোর রাতে সদর উপজেলার ধাওয়াপাড়াসহ পদ্মা নদীর বিভিন্ন স্থান থেকে তাদের আটক করা হয়। আটকৃত দুই পুলিশ হলো, রাজবাড়ী পুলিশ লাইসনের এএসআই মোঃ সফিকুল ইসলাম ও কোর্ট পুলিশের কনস্টেবল ওসমান গনি।

এদিকে আটকৃত জেলেদের ভ্রাম্যমান আদালতের মাধ্যমে আটক প্রত্যেক জেলেকে ৯ দিন করে কারাদন্ড দেওয়া হয়েছে এবং আটক পুলিশের এএসআই মোঃ সফিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে আইন প্রক্রিয়া শেষে জেলা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

ধাওয়াপাড়ার স্থানীয় মোঃ নেওয়ামত আলীসহ একাধীক এলাকাবাসী জানান, রাতে কয়েকজন পুলিশ ধাওয়াপাড়া ১নং ওয়ার্ডের সাবেক মেম্বার শহীদের বাড়ি থেবে ডেকে নদীতে মাছ ধরতে নিয়ে যান। পরে স্থানীয় জনগন এক পুলিশ কনস্টেবল ও বাবু নামে এক যুবককে আটক করে গনধোলাই দেয়। পরে রাজবাড়ী সদর থানার এসআই মোঃ জাহিদ ও আরিফসহ পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে গিয়ে আটকৃতদের উদ্ধার করে।

তবে এতে সাবেক মেম্বার শহিদের কোন দোষ ছিল না বলে দাবি শহিদের পরিবারের। আটককৃত জেলেদের ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করেন, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ রফিকুল ইসলাম ও মোঃ মহিউদ্দিন।

তারা জানান, ভোরে পদ্মায় র‌্যাবকে সাথে নিয়ে অভিযান চালিয়ে ইলিশ মাছ ধরার দায়ে ১৮ জন জেলেকে আটকের পর ভ্রাম্যমান আদালতের মাধ্যমে কারাদন্ড দিয়েছেন। এছাড়া ওই সময় একজন পুলিশের এসআইকে নদীতে মাছ ধরা অবস্থায় নৌকা থেকে আটক করেছেন। তার বিরুদ্ধে আইনি প্রক্রিয়া শেষে জেলা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

অভিযানে ২৫ কেজি মাছ ও ১ লক্ষ মিটার জাল জব্দ করা হয়েছে। পড়ে জব্দকৃত মাছ এতিমখানা ও দুঃস্থদের মাঝে বিতরণ এবং জাল পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়েছে।

রাজবাড়ী সদর থানার এসআই মোঃ জাহিদ জানান, এ ঘটনার খবর পেয়ে সাথে সাথে ঘঁনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনি। পরে জনতার হাতে আটক হওয়া একজন পুলিশ সদস্য ও তার সহযোগি বাবুকে উদ্ধার করা হয়। তবে তাদের কাছে কোন মাছ বা জাল পাওয়া যায়নি। তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Loading...