পদ্মায় ‘মা ইলিশ’ ধরতে শেষ মুহুর্তে জেলেরা ‘বেপরোয়া’

২:৫২ অপরাহ্ণ | রবিবার, অক্টোবর ২৭, ২০১৯ ফিচার

মোঃ রুবেল ইসলাম তাহমিদ, মুন্সিগঞ্জ প্রতিনিধি- ইলিশের প্রজনন মৌসুমে ২২ দিন (৯ অক্টোবর থেকে ৩০ অক্টোবর) মাছ ধরার ওপর সরকারি নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। তবে শুরু থেকে মানলেও মাওয়ায় তিন শতাধিক জেলে ও ক্রেতাকে জেল-জরিমানা করে, জাল-নৌকা ধ্বংস করেও লৌহজংয়ে পদ্মা নদীতে মা ইলিশ নিধন ঠেকানো যাচ্ছে না।

রাত-দিন পদ্মাপাড়ে ইলিশ বিকিকিনি তে মানুষের ভিড় লেগেই আছে। ইলিশ নিধনের আর ৪ দিন বাকি থাকতে জেলেরা শেষ মুহুর্তে বেপরোয়া হয়ে উঠেছে অনেক গুণবেশি। ক্রেতারাও প্রশাসনের কড়াকড়ি উপেক্ষা করে সস্তায় ইলিশ কিনতে চলে যাচ্ছে পদ্মাপাড়ে।

এ বছর অধিকাংশ জেলে নৌকা ও জাল বানিয়েছেন বহুগুণ। জেলেদের শতকরা প্রায় ৯০ জন এবার ঋণ করে চড়াসুদে টাকা এনেছেন আড়ৎদারদেরে থেকে। ঋণের টাকা পরিশোধ করতেই, র‍্যাব, থানা পুলিশ, ও নৌ-পুলিশ পাহারাকে তোয়াক্কা না করে নদীতে ইলিশ শিকারে নামছেন তারা।

গত বছরের মতো এবার লৌহজংয়ে সমন্বিত উদ্যোগ ছিল না। পুলিশ, কোস্টগার্ড ও নৌপুলিশের। যে কারণে জেলেরা টানা ইলিশ শিকার করতে এবার শেষ মুহুর্তে বেপরোয়া হয়ে উঠেছে অনেক গুণবেশি। এই তিন বাহিনী পালা করে ২৪ ঘণ্টা নদী পাহারা দিলে জেলেরা নামতেই পারত না- এমন অভিমত অনেক সচেতন মানুষের ও বিজ্ঞ মহলের ধারণা।

এ ধারাবাহিকতায় র‍্যাব-১১, সিপিসি-১ এর কমান্ডার পুলিশ সুপার মোঃ এনায়েত হোসেন মান্নানের নেতৃত্বে একটি চৌকস আভিযানিক দল লৌহজংয়ের পদ্মা নদীতে মা ইলিশ নিধন ঠেকানো এক বিশেষ অভিযানে আজ রবিবার ভোর রাত ৪টা থেকে সকাল সাড়ে ৭টা পর্যন্ত ৬৯ জন জেলে ও ৩ লক্ষ ৫হাজার মিটার কারেন্ট জাল ২শ কেজি মা ইলিশ যব্দ করেন।

আসামীদের কে উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তার উপস্থিতে ভ্রাম্মমান আদালতের মাধ্যেমে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দিয়ে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়।

Loading...