সংবাদ শিরোনাম
  • আজ ২৮শে অগ্রহায়ণ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

‘ক্রিকেটের মঞ্চে তিস্তার সমাধান হতে পারে’- পররাষ্ট্রমন্ত্রী

১২:৩০ পূর্বাহ্ণ | শনিবার, নভেম্বর ২, ২০১৯ জাতীয়
poro

সময়ের কণ্ঠস্বর ডেস্কঃ পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন বলেছেন, সৌরভ গাঙ্গুলীর আমন্ত্রণে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আসছেন কলকাতার ইডেন গার্ডেনে ভারত-বাংলাদেশ টেস্ট ম্যাচ দেখতে। সেখানে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় উপস্থিত থাকবেন। তাদের মধ্যে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা হবে। এভাবেই ক্রিকেটের মঞ্চে তিস্তার সমাধান হতে পারে।

শুক্রবার কলকাতায় বাংলাদেশ বইমেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন ড. মোমেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন কবি শঙ্খ ঘোষ ও বাংলা একাডেমির সাবেক মহাপরিচালক প্রফেসর শামসুজ্জামান খান, বাংলাদেশের কলকাতা উপ-দূতাবাস প্রধান তৌফিক হাসান, প্রথম সচিব শামসুল আরিফ, জ্ঞান ও সৃজনশীল প্রকাশক সমিতির সভাপতি ফরিদ আহমেদসহ বিশিষ্টজনেরা।

আব্দুল মোমেন বলেন, পররাষ্ট্রমন্ত্রী হওয়ার পর এই প্রথম আমার কলকাতায় আসা। তবে আমার বড় ভাই (সাবেক অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত) অনেকবার কলকাতায় এসেছেন এবং এই বইমেলা এর আগে তিনি উদ্বোধন করেছেন। তারই পথ অনুসরণ করে আমার আসা।

‘কলকাতায় বাংলাদেশ বইমেলা, ব্যাপারটার একটা আলাদা অনুভূতি আছে। কারণ জাতিগতভাবে এবং সাংস্কৃতিকভাবে আমাদের সবদিক থেকে মিল রয়েছে। আমি অত্যন্ত আনন্দিত যে, গত আট বছর ধরে সাফল্যের সঙ্গে কলকাতায় বাংলাদেশ বইমেলা হয়ে আসছে। আর এই জন্য মেলার আয়োজক ও পশ্চিমবঙ্গ সরকারকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানাই।’

সম্প্রতি বাংলাদেশে মাছ ধরাকে কেন্দ্র করে আটক ভারতীয় জেলের ব্যাপারে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের ২২ দিন ইলিশ ধরা বন্ধ ছিল। এর মধ্যে তিনি ঢুকে পড়েছিলেন। তিনি নিরাপদে আছেন।’

রোহিঙ্গা ইস্যুতে তিনি বলেন, ভারতের সঙ্গে মিয়ানমারের ভালো সম্পর্ক রয়েছে। এই সম্পর্কের ভিত্তিতে দিল্লি মিয়ানমারকে বোঝাক যে রোহিঙ্গাদের যাতে দেশে ফিরিয়ে নেয়।

এনআরসি নিয়ে বাংলাদেশের কোনো আশঙ্কা নেই জানিয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, এ নিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্যকে বিশ্বাস করে বাংলাদেশ সরকার। তারা বলেছেন, এটা ভারতের অভ্যন্তরীণ বিষয়। অমিত শাহ এ প্রসঙ্গে যা বলেছেন তা তার রাজনৈতিক বক্তব্য হতে পারে।

বাংলাদেশের সাড়ে চার হাজারেরও বেশি বই এবারের বইমেলায় স্থান পেয়েছে। ৬০টি স্টলে বাংলাদেশের ৮০টি সরকারি ও বেসরকারি প্রকাশনা সংস্থার এসব বই পাওয়া যাবে।

Loading...