ধানের বাম্পার ফলনেও শঙ্কিত সরকার: কৃষিমন্ত্রী

৬:১৭ অপরাহ্ণ | বৃহস্পতিবার, নভেম্বর ৭, ২০১৯ জাতীয়

সময়ের কণ্ঠস্বর, ঢাকা- ধানের বাম্পার ফলন হলেও দাম কমে যাওয়া আর কৃষকের ন্যায্য মূল্য হারানোর শঙ্কা জানিয়েছে কৃষি মন্ত্রণালয়। তাই কৃষিমন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাক বলছেন, কৃষকেরা যাতে ক্ষতিগ্রস্ত না হয় সেজন্য প্রান্তিক চাষিদের কাছ থেকে লটারি করে ধান কেনা হবে।

বৃহস্পতিবার (৭ নভেম্বর) সচিবালয়ে কৃষি মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে সারবিষয়ক জাতীয় সমন্বয় ও পরামর্শ কমিটির সভা শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।

ড. আব্দুর রাজ্জাক বলেন, এখন রবি মৌসুম চলছে। রবির চারা রোপণ চলছে। ডিসেম্বরের শেষে বোরো মৌসুম শুরু হবে। মূলত এ সময়ে সারের সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন হয়। সারের কোনো সমস্যা হবে না-এটুকু বলতে চাই। যথেষ্ট মজুত রয়েছে। পাইপলাইনে যা আছে তা দিয়ে আগামী বোরো মৌসুম পর্যন্ত সার নিয়ে সমস্যা হবে না। কৃষকেরও কোনো ভোগান্তি হবে না।

কৃষিমন্ত্রী বলেন, ‘বোরো মৌসুমে সারের অনেক প্রয়োজন হবে, তাই এই সভা করা হয়েছে। সারের দাম জাতীয় পর্যায়ে নির্ধারণ করা হয়ে থাকে। কিন্তু কতটুকু কিনব, কীভাবে কিনব, সরকারি বা বেসরকারি পর্যায়ে কোন সংস্থা কতটুকু আনবে-এগুলো আমরা নির্ধারণ করে থাকি। আমরা আজ সব কিছু আলোচনা করেছি। আলোচনায় একটা বিষয় সুস্পষ্ট-আমাদের এ মুহূর্তে যে সার মজুদ রয়েছে তার পরিমাণ ২৪ লাখ ৩২ হাজার টন। এর মধ্যে টিএসপি ৩ লাখ ৪৯ হাজার টন, ডিএপি ৫ লাখ ৯৭ হাজার টন, এমওপি ৭ লাখ ১৫ হাজার টন, ইউরিয়া ৭ লাখ ৭১ হাজার টন। দেশের বার্ষিক সারের চাহিদা ৫০ লাখ টন। অন্যান্য বছরের তুলনায় সব সারই বেশি আছে।’

বাংলাদেশ কৃষি প্রধান দেশ। এ দেশে কৃষির গুরুত্ব অপরিসীম উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, ‘জিডিপির ১৪ ভাগ কৃষি থেকে আসে, ৪০ ভাগ মানুষ কৃষির ওপর জীবিকা নির্বাহ করে দেশের, ৬০ থেকে ৭০ ভাগ মানুষ গ্রামে বাস করে। তারা কোনো না কোনোভাবে কৃষির সঙ্গে জড়িত। ফলে সার কৃষি কাজের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ উপকরণ।’

Loading...