সংবাদ শিরোনাম
বিশ্বব্যাপী ৮ লাখের বেশি মানুষ করোনায় আক্রান্ত, মৃত ৪১ হাজার | করোনা নিয়ে মমতার কবিতা ভাইরাল | অসুস্থ না হলে মাস্ক পরার প্রয়োজন নেই : বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা | ‘এশিয়ায় করোনার মহামারি শেষ হতে এখনও অনেক দেরি’- বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা | ‘সামনের দিনগুলো আরো ঝুঁকিপূর্ণ ও কঠিন হবে’- সাঈদ খোকন | ‘মশার গান আমি শুনতে চাই না, মশা মারতে হবে’- প্রধানমন্ত্রী | চিকিৎসক ও গণমাধ্যম কর্মীদের পিপিই দিলেন মাশরাফি | ‘পরিবার নিয়ে ঘরে নামাজের জামাত করুন’- মাওলানা ফজলুর রহমান | করোনা প্রতিরোধে জাতীয় ঐক্য গড়ার আহ্বান ভিপি নুরের | রাজবাড়ীতে জ্বর-শ্বাসকষ্টের ২ রোগীকে ঢাকায় প্রেরণ, একজনের মৃত্যু |
  • আজ ১৮ই চৈত্র, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

মোংলা-পায়রা বন্দরে ১০ নম্বর মহাবিপদ সংকেত, চট্টগ্রামে ৯

৯:৪৫ পূর্বাহ্ণ | শনিবার, নভেম্বর ৯, ২০১৯ স্পট লাইট
pmmo

সময়ের কণ্ঠস্বর ডেস্কঃ ঘূর্ণিঝড় বুলবুলের প্রভাবে মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরে ১০ নম্বর মহাবিপদ সংকেত দেখানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে চট্টগ্রাম বন্দরকে ৯ নম্বর মহাবিপদ সংকেত ও কক্সবাজার সমুদ্রবন্দরকে ৪ নম্বর স্থানীয় হুঁশিয়ারি সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

শনিবার সকালে আবহাওয়া অধিদপ্তর থেকে এ হুঁশিয়ার করা হয়। শনিবার সন্ধ্যা থেকে মধ্যরাত্রির মধ্যে এটি বাংলাদেশের দক্ষিণ পশ্চিমাঞ্চলে আঘাত হানতে পারে বলে জানিয়েছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী ডা. মো. এনামুর রহমান।

শুক্রবার (৮ নভেম্বর) বিকেলে ঘূর্ণিঝড় বুলবুল নিয়ে সংবাদ সম্মেলনে প্রতিমন্ত্রী জানান, এর প্রভাবে ৫ থেকে ৭ ফুট পর্যন্ত জলোচ্ছ্বাস হতে পারে।

ঘূর্ণিঝড়টির গতিবিধি গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। ঘূর্ণিঝড়টির বিষয়ে আবহাওয়ার বিশেষ বুলেটিনে বলা হয়, উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন পশ্চিম-মধ্য বঙ্গোপসাগর এলাকায় অবস্থানরত অতিপ্রবল ঘূর্ণিঝড় ‘বুলবুল’ আরও উত্তর দিকে অগ্রসর ও ঘণীভূত হয়েছে। ঘূর্ণিঝড়টি আরও ঘণীভূত হয়ে উত্তর-উত্তরপূর্ব দিকে অগ্রসর হয়ে শনিবার সন্ধ্যা নাগাদ ভারতের পশ্চিমবঙ্গ-খুলনা উপকূল (সুন্দরবনের কাছ দিয়ে) অতিক্রম করতে পারে।

ঘূর্ণিঝড়টির মূল অংশ খুলনায় আঘাত হানলেও এর প্রভাবে সমুদ্র বন্দরসমূহ, উত্তর বঙ্গোপসাগর ও বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকায় ভোর থেকে দমকা বা ঝড়ো হাওয়া বয়ে যাচ্ছে।

অতিপ্রবল ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রের ৭৪ কিলোমিটারের মধ্যে বাতাসের একটানা সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘণ্টায় ১৩০ কিলোমিটার যা দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়ার আকারে ১৫০ কিলোমিটার পর্যন্ত বাড়ছে। ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রের কাছে সাগর খুবই বিক্ষুব্ধ রয়েছে। এ কারণে সবধরনের মাছধরা নৌকা ও ট্রলারকে নিরাপদ আশ্রয়ে থাকতে বলা হয়েছে।

উপকূলীয় জেলা ভোলা, বরগুনা, পটুয়াখালী, বরিশাল, পিরোজপুর, ঝালকাঠি, বাগেরহাট, খুলনা, সাতক্ষীরা এবং তাদের অদূরবর্তী দ্বীপ ও চরগুলো ১০ নম্বর মহাবিপদ সংকেতের আওতায় থাকবে।

চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দরকে ৬ নম্বর বিপদ সংকেত নামিয়ে তার পরিবর্তে ৯ নম্বর মহাবিপদ সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

উপকূলীয় জেলা চট্টগ্রাম, নোয়াখালী, লক্ষ্মীপুর, ফেনী, চাঁদপুর এবং তাদের অদূরবর্তী দ্বীপ ও চরগুলো ৯ নম্বর মহাবিপদ সংকেতের আওতায় থাকবে।

Loading...