শ্রমিক লীগের সম্মেলন আজ

৯:৫১ পূর্বাহ্ণ | শনিবার, নভেম্বর ৯, ২০১৯ জাতীয়
sromik

সময়ের কণ্ঠস্বর ডেস্কঃ আওয়ামী লীগের ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠন জাতীয় শ্রমিক লীগের সম্মেলন আজ। বেলা ১১টায় ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে সম্মেলনের প্রথম অধিবেশন অনুষ্ঠিত হবে। আওয়ামী লীগ সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সম্মেলনটি উদ্বোধন করবেন।

সকালে অনুষ্ঠিত হবে সম্মেলনের প্রথম অধিবেশন। এতে সাধারণ সম্পাদকের প্রতিবেদন, শোক প্রস্তাব পাঠসহ প্রধান ও বিশেষ অতিথির বক্তব্য শেষে দেওয়া হবে দুপুরের বিরতি। পরে ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে দ্বিতীয় (কাউন্সিল) অধিবেশনে নতুন নেতৃত্ব ঘোষণা করা হবে বলে আশা করা হচ্ছে। এবারের সম্মেলনে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পদে স্বচ্ছ ভাবমূর্তি নেতৃত্ব আসবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

সম্মেলন ঘিরে সব প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে। সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে বিশাল সম্মেলন মঞ্চ ও প্যান্ডেল নির্মাণ ছাড়াও সম্মেলন স্থল ও আশপাশের সড়কগুলোকে বর্ণাঢ্য সাজে সাজিয়ে তোলা হয়েছে। এতে আওয়ামী লীগ ও শ্রমিক লীগের ইতিহাস ঐতিহ্যের পাশাপাশি বর্তমান সরকারের বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মকাণ্ড তুলে ধরা হয়েছে। সম্মেলনে কেন্দ্রীয় কমিটিসহ সারা দেশে সংগঠনটির ৭৮টি সাংগঠনিক জেলা থেকে ৮ হাজার কাউন্সিলর ও সমসংখ্যক ডেলিগেটস যোগ দেবেন।

এ বার শ্রমিক লীগের সভাপতি পদে আলোচনায় আছেন শ্রমিক লীগের সহ-সভাপতি হাবিবুর রহমান আকন্দ, বর্তমান কার্যকরী সভাপতি ফজলুল হক মন্টু, সহ-সভাপতি শাহজাহান খান, সরদার মোতাহের উদ্দিন, নূর কুতুব আলম মান্নান, আমিনুল হক ফারুক, মো. জহিরুল ইসলাম চৌধুরী, মোল্লা আবুল কালাম আজাদ। এছাড়া বর্তমান সভাপতি শুকুর মাহমুদ ফের পদে থাকতে চান। অন্যদিকে সভাপতি পদে আসতে চান বর্তমান সাধারণ সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম।

সাধারণ সম্পাদক পদের দৌড়ে আরও আছেন ঢাকা মহানগর দক্ষিণ শ্রমিক লীগের সাধারণ সম্পাদক আহসান হাবীব মোল্লাসহ বেশ কয়েকজন। তাদের মধ্যে যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুন কবির, খান সিরাজুল ইসলাম, মু. শফর আলী, প্রচার সম্পাদক কেএম আযম খসরু, দফতর সম্পাদক মো. আমিনুল ইসলাম, অর্থবিষয়ক সম্পাদক সুলতান আহমেদ, শ্রমিক উন্নয়ন ও কল্যাণ বিষয়ক সম্পদক কাউসার আহমেদ পলাশ, ক্রাফট ফেডারেশন বিষয়ক সম্পাদক এটিএম ফজলুল হক আলোচনায় রয়েছেন।

প্রসঙ্গত, ১৯৬৯ সালের ১২ অক্টোবর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান জাতীয় শ্রমিক লীগ প্রতিষ্ঠা করেন। প্রতিষ্ঠার পর অনেক ভাঙাগড়ার মধ্য দিয়ে গেছে সংগঠনটি। বঙ্গবন্ধুর হত্যাকাণ্ডের পর দলের একাংশ (মিজান) শ্রমিক লীগের মূল নেতাদের নিয়ে আলাদা সংগঠন করে। পরে ৮০’ দশকে শ্রমিক লীগ আবার বাকশালের দখলে চলে যায়। শুরু থেকেই এটি আওয়ামী লীগের সহযোগী সংগঠন হিসেবে থাকলেও বর্তমানে ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠন হিসেবে কাজ করছে।

Loading...