• আজ ২৯শে অগ্রহায়ণ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানালেন এমপি হারুন, চাইলেন স্বল্প সুদের ঋণ সুবিধা

১১:৪৫ অপরাহ্ণ | সোমবার, নভেম্বর ১১, ২০১৯ জাতীয়
mp

সময়ের কণ্ঠস্বর ডেস্কঃ চলমান দুর্নীতি বিরোধী অভিযানের জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে আন্তরিকভাবে ধন্যবাদ জানালেন বিএনপি দলীয় সংসদ সদস্য হারুনুর রশীদ। সেই সঙ্গে এমপিদের গাড়ি কেনার জন্য চাইলেন স্বল্প সুদের ব্যাংক ঋণ সুবিধা।

সোমবার (১১ নভেম্বর) রাতে একাদশ জাতীয় সংসদের পঞ্চম অধিবেশনে পয়েন্ট অব অর্ডারে দাঁড়িয়ে প্রধানমন্ত্রীর প্রতি ধন্যবাদ জানান তিনি।

এ সময় ক্যাসিনোবিরোধী অভিযানের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ। তিনি অসাধারণ একটি পদক্ষেপ নিয়েছেন, দেশব্যাপী দুর্নীতিবিরোধী অভিযান শুরু করেছেন। দেখা যাচ্ছে আওয়ামী লীগের বিভিন্ন অঙ্গ সংগঠনের নেতাদের বিরুদ্ধে তিনি কঠোর ব্যবস্থা নিচ্ছেন। ঠিক এরকম একটি মুহূর্তে আমার সাজা হলো। ব্যাপকভাবে তা প্রচার হলো। সারাদেশে একটা পারসেপশন তৈরি হলো বিএনপির এমপি বলেই হারুনকে সাজা দেওয়া হয়েছে। উচ্চ আদালত অতি অল্প সময়ে জামিন পাই। আপিল বিভাগও সেই জামিন বহাল রেখেছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘রায়টি যখন হলো আমার এলাকায় দেখলাম কিছু ব্যক্তি আনন্দ উৎসব করলো, মিষ্টি বিতরণ করলো। কিন্তু সারাদেশের মানুষ আমার জন্য দোয়া করেছে। মুক্ত হওয়ার পর আওয়ামী লীগের অনেক সিনিয়র নেতা আমার প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করেছেন। আমি তাদের প্রতি কৃতজ্ঞ।’

এমপিদের শুল্কমুক্ত গাড়ি সুবিধা নিয়ে তিনি বলেন, ১৯৮৮ সাল থেকে শুল্কমুক্ত গাড়ির সুবিধা এমপিদের দেওয়া হচ্ছে। ৫ম সংসদে ৩০১ গাড়ি আমদানি হয়েছে, ৭ম সংসদে ১৭৬টি, ৮ম সংসদে ৩১১টি এবং নবম সংসদে ৩১৫টি গাড়ি আমদানি করা হয়েছে। এমপিদের গাড়ি.. আমরা টাকা দিয়েই গাড়িটা আমদানি করি। আসলে ১৯৯৬ সালে যখন প্রথম এমপি হই, তার আগে গাড়ি ব্যবহারকারী ছিলাম না। আমার কোনো ব্যক্তিগত গাড়িও ছিল না। কিন্তু এমপিদের দৈনন্দিন কাজে ব্যবহার করার জন্য সব এমপিদের এ সুযোগ দিয়েছেন। এটি নিয়ে পত্রপত্রিকায় ঢালাওভাবে লেখা হয়। আসলে ইউরোপ-আমেরিকার মতো উন্নত বিশ্বে এক কোটি টাকা, দেড় কোটি টাকা দিয়ে নগদ টাকায় গাড়ি কেনা হয় না। তারা ব্যাংকের সুবিধা পেয়ে ডাউন্ড পেমেন্ট দিয়ে গাড়ি কেনে।

কারাগারে থাকা অবস্থায় আমি দেখলাম, সচিবদের গাড়ি কেনার জন্য সুবিধা দেওয়া হচ্ছে। তারপরও খবর দেখলাম, সচিবরা গাড়ি অপব্যবহার করছেন। সংসদ নেতাকে অনুরোধ করব, সংসদ সদস্যরা (এমপি) তো রিকশায় করে গণভবনে যাবেন না, এমপিরা তো প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে রিকশায় করে যাবেন না, সচিবালয়ে তো রিকশায় যাবেন না। সংসদ নেতাকে বলব, গাড়ির যে সুযোগ দিয়েছেন, অনুরোধ করব, এমপিদের গাড়ি কিনতে স্বল্প সুদ সহায়তা দেন। তাহলে পাঁচ বছর গাড়িটা ব্যবহার করার পর বিক্রি করলে মূলধনটা ফিরে পাওয়া যাবে, যোগ করেন হারুন।

Loading...