সংবাদ শিরোনাম
‘করোনায় আক্রান্ত ও মৃত্যুহার ঊর্ধ্বমুখী নয়’- জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী | ‘ঈদে মানুষের চলাফেরার কারণে সংক্রমণ বাড়তে পারে’- আশঙ্কা স্বাস্থ্যমন্ত্রীর | সংক্রমণ শূন্যের কোঠায় নিয়ে আসা চীনে নতুন করে ৪৩ জন আক্রান্ত | ঈদের ছুটি শেষে সুখবর দিলেন বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী | এমপি সালমা চৌধুরী করোনায় আক্রান্ত | ‘আগস্টের ষড়যন্ত্রকারীদের অপচেষ্টা আজও চলমান’- কাদের | করোনা বিস্তাররোধে নতুন প্রজ্ঞাপনে যেসব শর্ত দেয়া হয়েছে | দেশে করোনায় আরও ৩০ জনের মৃত্যু, নতুন শনাক্ত ১৩৫৬ | করোনা আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভারতের কর্নাটক রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী | আবারো বৃষ্টিপাতের প্রবণতা বৃদ্ধির পূর্বাভাস |
  • আজ ১৯শে শ্রাবণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

‘রোহিঙ্গা সমস্যা সৃষ্টির পেছনে জিয়াউর রহমানের হাত রয়েছে’- প্রধানমন্ত্রী

১২:০০ পূর্বাহ্ণ | বৃহস্পতিবার, নভেম্বর ১৪, ২০১৯ জাতীয়
hasina

সময়ের কণ্ঠস্বর ডেস্কঃ রোহিঙ্গা সমস্যা সৃষ্টির পেছনে জিয়াউর রহমানের হাত রয়েছে তাতে কোনো সন্দেহ নাই বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানে চীন, ভারতসহ সব পক্ষের সঙ্গে আলোচনা করা হয়েছে। তাদের ফেরত পাঠানোর ক্ষেত্রে নিরাপত্তার বিষয়কেও গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে বলেও জানান সরকার প্রধান।

বুধবার (১৩ নভেম্বর) বিকেলে স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে সংসদের পঞ্চম অধিবেশনে আজ প্রধানমন্ত্রীর জন্য নির্ধারিত প্রশ্নোত্তর পর্বে তরিকত ফেডারেশনের সৈয়দ নজিবুল বশর মাইজভান্ডারীর সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, শুধু ভারত আর চীনের সাথেই নয় বাংলাদেশসহ মিয়ানমারের সাথে যে কয়টি দেশের বর্ডার সম্পৃক্ত। যেমন চীন, ভারত, বাংলাদেশ, থাইল্যান্ড এবং লাউস এই প্রতিটি দেশের সাথে আলোচনা করেছি। কারণ প্রতিটি দেশের বর্ডারের সাথে মিয়ানমারের ছোটখাটো সমস্যা লেগেই থাকে। মিয়ানমারের সাথে আলোচনার একটি চুক্তিও সই করেছি এবং তারা এক সময় আগ্রহও দেখিয়েছেন রোহিঙ্গা ফেরত নিবেন বলে। রোহিঙ্গা সমস্যা সৃষ্টির পেছনে জিয়াউর রহমানের হাত রয়েছে তাতে কোনো সন্দেহ নাই।

তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গাদের ফেরত নিতে মিয়ানমার রাজি হয়েছে এবং একটি চুক্তিও করেছে। কিন্তু একটা সমস্যার সৃষ্টি হয়েছে যে, নিরাপত্তা নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত রোহিঙ্গারা দেশটিতে ফেরত যেতে চাচ্ছে না। এটি এখন মিয়ানমান সরকারের ওপরই নির্ভর করছে, বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া তাদের নাগরিকদের (রোহিঙ্গা) ফেরত যাওয়ার পর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং নিরাপদ থাকবে সেই বিশ্বাসটি আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গাদের মধ্যে সৃষ্টি করা তাদেরই (মিয়ানমার) দায়িত্ব।

Skip to toolbar