সংবাদ শিরোনাম
  • আজ ২৬শে অগ্রহায়ণ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

পেঁয়াজের পর এবার চালের বাজারে আগুন

৫:২৪ অপরাহ্ণ | রবিবার, নভেম্বর ১৭, ২০১৯ আলোচিত বাংলাদেশ
cal

সময়ের কণ্ঠস্বর ডেস্কঃ পেঁয়াজের ঝাঁজে দিশেহারা মানুষের জন্য এবার আরেক দুঃসংবাদ নিয়ে এসেছে সবচেয়ে প্রয়োজনীয় নিত্যপণ্য চাল। পেঁয়াজের পর চালের বাজারে আগুন লাগতে শুরু করেছে। চিকন ও মোটা সব ধরনের চালের দাম কেজি প্রতি ৫-৭ টাকা বেড়েছে। হঠাৎ চালের দাম বেড়ে যাওযায় অস্বস্তিতে পড়েছেন ক্রেতারা।

রোববার (১৭ নভেম্বর) রাজধানীর বিভিন্ন বাজারে খুচরায় প্রতি কেজি মিনিকেট চাল বিক্রি হয়েছে ৪৮ থেকে ৫০ টাকায়, যা এক সপ্তাহ আগে বিক্রি হয় ৪৫ থেকে ৪৬ টাকায়। এছাড়া ৫০ থেকে ৫২ টাকায় বিক্রি হওয়া নাজিরশাইল দাম বেড়ে ৫৫ থেকে ৫৬ টাকা, ৩৩ থেকে ৩৪ টাকার বিআর-২৮ চাল বিক্রি হয়েছে ৩৬ থেকে ৩৮ টাকায় এবং ৩০ থেকে ৩২ টাকার স্বর্ণা চাল বিক্রি হয়েছে ৩৫ থেকে ৩৬ টাকায়। তবে পোলাওয়ের চাল বা চিনিগুঁড়া কেজিপ্রতি ৭ থেকে ৮ টাকা বেড়ে ৯০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। কিন্তু এ চালের ক্রেতা অনেক কম।

কুষ্টিয়ার কয়েকটি চালের বাজার ঘুরে জানা যায়, প্রায় ৬-৭ মাস চালের বাজার স্থিতিশীল ছিল। কৃষকের উৎপাদিত ধানের দাম কম থাকায় চালের বাজার স্থিতিশীল ছিল। কিন্তু গত সপ্তাহে বাজারে হঠাৎ করে বেড়ে গেছে সব ধরনের চিকন ও মোটা চালের দাম।

মিনিকেট চালের দাম আগে ৩৮ টাকা ছিল, এখন সেই চালের দাম ৪৪ থেকে ৪৫ টাকা। একই হারে বেড়েছে কাজললতা চালের দামও। ৩২ টাকা থেকে বেড়ে ৩৮ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে কাজললতা চাল। তবে আঠাশ চালের দাম তেমন একটা না বাড়লেও প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ৩২-৩৩ টাকায়। চালের বাজার হঠাৎ বেড়ে যাওযায় অস্বস্তিতে পড়েছেন ক্রেতারা।

ক্রেতারা বলছেন, সিন্ডিকেট করে হাঠাৎ চালের দাম বাড়িয়ে দিয়েছেন ব্যবসায়ীরা। এখনই চালের দাম কমাতে না পারলে পেঁয়াজের মতো অবস্থা হয়ে যাবে।

এ দিকে রোববার (১৭ নভেম্বর) খাদ্যভবনে খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার বলেন, চালের দাম বাড়ার কোনো আশঙ্কা নেই। সর্বকালের সর্বোচ্চ চাল মজুদ রয়েছে। আমরা ৬ লাখ মেট্রিকটন চাল কৃষকের কাছ থেকে কিনছি। কৃষক যাতে কোনো হয়রানির শিকার না হয় সে ব্যাপারে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। চালে মান যাতে খারাপ না হয় সে ব্যাপারেও বলা হয়েছে। সেটা হলে গ্রহণ করা হবে না।

খাদ্যমন্ত্রী আরও বলেন, চালের দাম বাড়ার কোনো আশঙ্কা নেই। সর্বকালের সর্বোচ্চ চাল মজুদ রয়েছে। আমরা ৬ লাখ মেট্রিকটন চাল কৃষকের কাছ থেকে কিনছি। কৃষক যাতে কোনো হয়রানির শিকার না হয় সে ব্যাপারে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। চালে মান যাতে খারাপ না হয় সে ব্যাপারেও বলা হয়েছে। সেটা হলে গ্রহণ করা হবে না।

‘আজ বাজারে সরু চালের কেজি ৫১ টাকা ১১ পয়সা। যখন ধানের দাম কম ছিল আমরা তখন কৃষকের কাছ থেকে বেশি দামে ধান কিনেছি। মৌসুমের সময় ধানের দাম ছিল ৫/৭শ টাকা মণ। এখন দাম বেড়ে ১ হাজার/১১শ টাকা হয়েছে। মোটা চাল খাওয়া মানুষ ভুলে গেছে। এ কারণে চিকন চালের ওপর চাপ পড়েছে। যার কারণে হয়তো দাম কিছুটা বেড়েছে।’

Loading...