বাঞ্ছারামপুরে লবন নিয়ে তুলকালাম, ব্যবসায়ীকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা

৮:০৯ অপরাহ্ণ | মঙ্গলবার, নভেম্বর ১৯, ২০১৯ চট্টগ্রাম, দেশের খবর

ফয়সল আহমেদ খান, বাঞ্ছারামপুর (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি- পেঁয়াজের দাম বৃদ্ধির ধকল কাটতে না কাটতেই ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুর উপজেলায় সর্বত্র লবণের কৃত্রিম সংকট সৃষ্টির চেষ্টা চলছে।

এদিকে গুজবে কান দিয়ে উপজেলার বিভিন্নস্থানে লবণ কিনতে মানুষের ভিড় বেড়েছে। আর এতে তৈরি হচ্ছে নানা বিশৃঙ্খলা।

আজ মঙ্গলবার পৌর এলাকার চকবাজারে বিকাল থেকে লবণ কেনার ধুম পড়েছে। এ রিপোর্ট লিখা পর্যন্ত (রাত ৭.৩০মি:) মুদি দোকানে চলছে হুলুস্থুল। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে উপজেলা প্রশাসন গুজব ঠেকাতে তাৎক্ষণিক মাইকিং শুরু করে।

বিকেলে নারী-পুরুষ নির্বিশেষে সবাইকে দেখা গেছে ৫ থেকে ১০ কেজি করে লবন অধিক দামে কিনে নিয়ে যেতে। আর এতে দোকানীরা ঝুপ বুঝে কূপ মারে। ৩০ টাকা কেজির লবন বিক্রি করেন ৬০ হতে ৭০ টাকা কেজিতে। মোবাইলে মূহুর্তে পুরো এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে লবন কেনা নিয়ে রাতেও ক্রেতাদের লবনের দোকানে ভিড় করতে দেখা গেছে।

এদিকে লবণের দাম বৃদ্ধির গুজবে বিকেলে উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মো.নিজাম উদ্দিন সারোয়ার বাজারের বিভিন্ন দোকানে অভিযান চালান। এসময় লবন ব্যবসায়ী পৌর এলাকার জহিরুল ইসলামের ছেলে ইয়ামিনকে দ্বিগন দামে লবন বিক্রি করায় নগদ ১০ হাজার টাকা অর্থদন্ড করা হয়। এরপর তিনি সব ব্যবসায়ীদের সর্তক করা হয়। জনগণকে বিভ্রান্ত না হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

তিনি (ইউএনও) জানান, লবণের দাম বাড়েনি। এটা একটা গুজব। যারা এ গুজব রটাবে বা কৃত্রিম সংকট তৈরির জন্য মজুত রাখবে, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

পাইকারী লবন ব্যবসায়ীদের মধ্যে সদর এলাকার আনিছ মিয়া জানান, এটা গুজব ছিলো। লবনের দাম বাড়েনি। অসাধু কিছু ব্যবসায়ী গুজবের সুযোগটি নিয়ে ৩ ঘন্টায় লাখ টাকা কামিয়েছে। কিছু পাবলিকও বোকা। আমি নির্ধারিত মূল্যে বিক্রি করেছি’।

Loading...