‘ধর্মঘট ১০ দিন থাকলেও চালের বাজারে প্রভাব পড়বে না, গ্যারান্টি দিলাম’

৪:২০ অপরাহ্ণ | বুধবার, নভেম্বর ২০, ২০১৯ জাতীয়

সময়ের কণ্ঠস্বর ডেস্ক- পরিবহন ধর্মঘট ১০ দিন থাকলেও ঢাকার চালের বাজারে প্রভাব পড়বে না বলে জানিয়েছেন খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার। চালের দাম বাড়ার পরিপ্রেক্ষিতে বুধবার সচিবালয়ে চালকল মালিকদের সঙ্গে বৈঠকের শুরুতে সাংবাদিকদের এ কথা জানান তিনি।

পরিবহন ধর্মঘটের কারণে আগামী দিনগুলোতে চালের বাজারে কী প্রভাবে পড়বে- জানতে চাইলে খাদ্যমন্ত্রী বলেন, ‘সাত দিনও যদি পরিবহন ধর্মঘট থাকে, ১০ দিনও যদি থাকে, বাবুবাজারে যে স্টক থাকে, বড় বড় বাজারে যে স্টক থাকে, তাতে ঢাকার বাজারে (দাম বাড়ার) বিন্দুমাত্র কারণ নেই। ৩-৪ দিন কেন, ১০ দিন বন্ধ থাকলেও প্রভাব পড়বে না, গ্যারান্টি দিলাম, আমার সোজা কথা।’

তিনি জানান, চলমান পরিবহন ধর্মঘটেও চালের বাজারে প্রভাব পড়বেনা। যদি না ব্যবসায়ীরা কারসাজি না করে। আর ব্যবসায়ীরা যাতে চালের দাম না বাড়াতে পারে সেজন্য মনিটরিং করতে স্বরাষ্ট্র, বাণিজ্য মন্ত্রণালয় এবং ভোক্তা অধিকারকে চিঠি দেওয়া হয়েছে।

মন্ত্রী আরো জানান, এই মুহূর্তে যে পরিমাণ চাল মজুদ রয়েছে, তাতে নতুন করে আমদানির দরকার নেই বরং সরকার চাল রপ্তানির জন্য প্রস্তুত রয়েছে। তাই বাজারে চালের দাম বৃদ্ধির কোনো কারণ নেই। এরপরেও যদি কোনো ব্যবসায়ী কারসাজি করলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মিল মালিকদের উদ্দেশ্যে খাদ্যমন্ত্রী বলেন, চালের দাম বাড়ানোর চেষ্টা করলে পাইকারি ব্যবসায়ীদের অনুরোধ করব সেটি মনিটর করতে। কারণ খুচরা বাজারে প্রতিকেজি চালে ৫ থেকে ৬ টাকা লাভ করে বিক্রি করছে। পাইকারি ব্যবসায়ীরাও কেজিতে ৫০ পয়সার বেশি লাভ করতে পারেন না, যদি বেশি নেন তাহলে বোঝা যাবে সেবা করতে নয় তারা শোষণ করতে বসেছেন। খুচরা বাজার পাইকারদেরই কন্ট্রোল করতে হবে।

খাদ্যমন্ত্রী জানান, বর্তমানে ১১ লাখ ১২ হাজার মেট্রিক টন শুধু সরকারি গুদামে চাল মজুদ আছে। চালের দাম মনিটরিংয়ের জন্য কন্ট্রোল রুম খোলা হয়েছে। ভোক্তা অধিকার আইনের মধ্য দিয়ে যা করা দরকার তা করা হবে। ভোক্তা অধিকারকে জরুরি ভিত্তিতে মাঠে মনিটরিংয়ে নামার তাগিদ দেন।

Loading...