সংবাদ শিরোনাম
করোনা আক্রান্ত বন্ধু রনোকে দেখতে গেলেন ডা. জাফরুল্লাহ | টাঙ্গাইলে ম্যাজিস্ট্রেটসহ আরও ৩২ জন করোনায় আক্রান্ত | কিশোরী মেয়েকে টানা এক বছর ধরে ধর্ষণ, লম্পট বাবা গ্রেপ্তার | করোনার মধ্যে জুনেই ধর্ষণের শিকার ১০১ নারী ও শিশু, খুন ৬২ | দেশে করোনা কেড়ে নিল আরো ৩৮ প্রাণ, নতুন আক্রান্ত ৪ হাজার ১৯ | মিয়ানমারে খনি ধসে নিহত অন্তত ১১৩, নিখোঁজ অনেকে | জামালপুরের এমপিকন্যা এক মাসের ছুটি নিয়ে ১১ বছর ধরে অস্ট্রেলিয়ায়! | বাংলাদেশে আবিষ্কার করোনার টিকা ৬ মাসের মধ্যে বাজারে আসবে | সিদ্ধান্তে অটল বাংলাদেশি ব্যবসায়ীরা, বেনাপোলে আজও ভারতীয় পণ্য আমদানি বন্ধ | করোনায় বগুড়ার আ.লীগ নেতার মৃত্যু |
  • আজ ১৮ই আষাঢ়, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

টাঙ্গাইলে বাস চলাচল বন্ধ চরম দুর্ভোগে যাত্রীরা

৮:০৫ পূর্বাহ্ণ | বৃহস্পতিবার, নভেম্বর ২১, ২০১৯ ঢাকা
Tangail bus stand

মোল্লা তোফাজ্জল, টাঙ্গাইল প্রতিনিধি: সদ্য পাস হওয়া পরিবহন আইন সংশোধনের দাবিতে টাঙ্গাইলে পরিবহন শ্রমিকরা অনির্দিষ্টকালের জন্য ধর্মঘট শুরু করেছে। বুধবার সকাল ১১ টার দিকে টাঙ্গাইল শহরের নতুন বাস স্টার্মিনাল থেকে প্রায় সব ধরনের বাস চলাচল বন্ধ করে দেয় পরিবহন শ্রমিকরা। আর এতে টাঙ্গাইল থেকে ঢাকা রোডে, টাঙ্গাইল থেকে ময়মনসিংহ রোডে এবং উত্তরবঙ্গসহ অন্যান্য জেলার সাথে বাস চলাচল বন্ধ রয়েছে। এছাড়া ঢাকা-টাঙ্গাইল-বঙ্গবন্ধুসেতু মহাসড়ক দিয়েও যানবান চলাচল বন্ধ রয়েছে। এ কারণে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন রাস্তায় চলাচলকারী যাত্রীরা। তাদের পায়ে হেঁটে ও তিনচাকার যানে চড়ে গন্তব্যে যেতে হচ্ছে।

অন্যদিকে বাস না চলায় যাত্রীদের ভোগান্তিকে কাজে লাগিয়ে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করছে সিএনজি ও লেগুনা চালকরা। অপরদিকে মহাসড়কে বাস চলাচল না করায় যাত্রীরা ভিড় করছে রেল স্টেশনে।

এছাড়া একই দাবিতে টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে টানা তৃতীয় দিনের মতো পরিবহন ধর্মঘট পালন করছেন শ্রমিকরা। সোমবার সকাল থেকে পূর্ব ঘোষণা ছাড়াই ভূঞাপুর থেকে দেশের বিভিন্ন গন্তব্যে চলাচলরত বাস-ট্রাক বন্ধ করে দেয় শ্রমিকরা।

পরিবহন চালকরা বলেন, নতুন সড়ক আইনের কয়েকটি বিষয় সংস্কার না করলে তারা পরিবহন সেক্টরে কাজ করবেন না। বিশাল অংকের জরিমানা ও শাস্তি মাথায় নিয়ে গাড়ি চালাবেন না। আপত্তিকর বিষয়গুলো সংস্কারেরর দাবি জানান তারা। সংস্কার না করলে ধর্মঘট চলবে বলে জানান শ্রমিক নেতারা।

টাঙ্গাইল জেলা বাস-মিনিবাস শ্রমিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক চিত্তরঞ্জন সরকার বলেন, শ্রমিক ও মালিক সমিতির পক্ষ থেকে গাড়ি বন্ধের কোন সিদ্ধান্ত হয়নি। ফাঁসির দন্ড মাথায় নিয়ে কোন চালক গাড়ি চালাতে চাচ্ছে না। তাই তারা আইনের কিছু কিছু ধারা পরিবর্তনের জন্য স্বেচ্ছায় গাড়ি চালানো বন্ধ করে দিয়েছে।
তিনি আরো বলেন, টাঙ্গাইল প্রায় ৮শ’ বাস রয়েছে। এর মধ্যে প্রতিদিন বিভিন্ন রোডে প্রায় ৪শ’ থেকে ৫শ’ গাড়ি চলে।

এ ব্যাপারে টাঙ্গাইল জেলা বাস-মিনিবাস মালিক সমিতির সভাপতি ইকবাল হোসেন বলেন, বুধবার সকাল ১১টার দিকে শ্রমিকরা প্রায় সব রোডে বাস চলচল বন্ধ করে দেয়। বিশেষ করে ময়মনসিংহ, ঢাকা এবং উত্তরবঙ্গগামী বাস চলাচল বন্ধ রয়েছে। মাঝে-মধ্যে ঢাকাগামী দু’একটি গাড়ি চললেও তা ধীরে ধীরে বন্ধ হয়ে যাবে। শ্রমিকরা পরিবহন আইন সংশোধন চান।

এ বিষয়ে টাঙ্গাইলের পুলিশ সুপার সঞ্জিত কুমার রায় বিপিএম বলেন,  কারো ইন্দোনে বাস বন্ধ রয়েছে কিনা সে বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।