সংবাদ শিরোনাম
আরব আমিরাতে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত বাংলাদেশি নাগরিক শনাক্ত | বিশ্বে ২২ কোটি ৮০ লাখ মানুষের প্রথম ভাষা বাংলা | বোন-কন্যাকে সঙ্গে নিয়ে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতির সামনে প্রধানমন্ত্রীর সেলফি | ‘খালেদা জিয়া উর্দুতে পাস করলেও বাংলায় ফেল’- তথ্যমন্ত্রী | একুশে ফেব্রুয়ারিতে বাংলা ফন্ট উদ্বোধন করল জাতিসংঘ | শহীদ দিবসের ব্যানারে বীরশ্রেষ্ঠদের ছবি! | বাবাকে নিয়ে ইশরাকের আবেগঘন স্ট্যাটাস | অবশেষে বিটিআরসিকে এক হাজার কোটি টাকা দিতে রাজি হল গ্রামীণফোন | ‘ধনীদের উচিত গরীবদের বিয়ে করা’- ইন্দোনেশিয়ার সংস্কৃতিমন্ত্রী | ব্যস্ততার কারণে মাতৃভাষা দিবসে শিক্ষার্থীদের পরীক্ষা নিলেন বশেমুরকৃবির তিন শিক্ষক |
  • আজ ১০ই ফাল্গুন, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

গণধোলাই খাওয়া সেই পুলিশ সদস্যদের বিরুদ্ধে মামলা, কারাগারে প্রেরণ

৩:১৩ অপরাহ্ণ | শুক্রবার, নভেম্বর ২৯, ২০১৯ ঢাকা, দেশের খবর

মো. সানোয়ার হোসেন, মির্জাপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধিঃ পকেটে ইয়াবা দিয়ে ফাঁসানোর সময় টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলার বাঁশতৈল পুলিশ ফাঁড়ির তিন পুলিশ ও এক সোর্সকে আটক করে জনতা গণধোলাই দিয়েছে।

এ ঘটনার পর পাঁচ পুলিশ ও দুই সোর্সের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। তাদের মধ্যে চারজনকে আজ শুক্রবার কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

এর আগে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় টাঙ্গাইল জেলার সখিপুর উপজেলার হাতিবান্ধা ইউনিয়নের হতিয়া রাজাবাড়ী গার্লস স্কুল সংলগ্ন বাজারে তাদের আটক করে এলাকাবাসী। এ ঘটনায় আরও ২ পুলিশ সদস্য পলাতক রয়েছে বলে জানা গেছে।

আটককৃত পুলিশ সদস্যরা হলেন, টাঙ্গাইল জেলার মির্জাপুর উপজেলার বাঁশতৈল ফাঁড়ির এএসআই রিয়াজুল ইসলাম রিয়াজ, কনস্টেবল রাসেল আহম্মেদ ও গোপাল সাহা। এ ঘটনার সাথে তোজাম্মেল ও হালিম নামের ২ পুলিশ সদস্য পলাতক রয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বাঁশতৈল পুলিশ ফাঁড়ির পুলিশরা দীর্ঘদিন যাবৎ ঐ এলাকার সাধারণ জনগণের পকেটে ইয়াবা দিয়ে গ্রেপ্তার করে আসছে এবং তাদের ছুটাতে প্রায় একেক জনের কাছ থেকে লক্ষাধিক টাকা হাতিয়ে নিতো। আজ (২৮ নভেম্বর) সন্ধ্যা ৬টার দিকে সিনএজি যোগে ঐ গ্রামে ঢুকে পুলিশ সদস্যরা। ঐ ইউনিয়নের ভাতকুড়াচালা গ্রামের মো. ফরহাদ মিয়ার ছেলে বজলু মিয়াকে পকেটে ইয়াবা দিয়ে আটকের চেষ্টা করে পরে বজলুর ডাক চিৎকারে এলাকাবাসী ৩ পুলিশ সদস্য ও সোর্সকে আটক করে গণধোলাই দেয়। এ সময় দুই পুলিশ সদস্য ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়। খবর পেয়ে সখিপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।

এ ঘটনায় সখিপুর থানায় মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে এএসআই রিয়াজ, কনস্টেবল রাসেল আহমেদ, গোপাল সাহা, পলাতক তোজাম্মেল ও হালিমসহ ৫ পুলিশ সদস্য এবং দুই সোর্সসহ মোট ৭ জনের মামলা দায়ের করা হয়েছে। তাদেরকে শুত্রবার ২৯ নভেম্বর টাঙ্গাইল জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন সখিপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মো. আমির হোসেন।

এ বিষয়ে সহকারি পুলিশ সুপার (মির্জাপুর সার্কেল) দীপংকর রায় ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন ঘটনাস্থল থেকে তাদের উদ্ধার করে সখিপুর থানায় রাখা হয়েছে এবং পরবর্তীতে তাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

Loading...