রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানে চীনের সহযোগিতা চাইলেন কৃষিমন্ত্রী

১১:২৩ অপরাহ্ণ | সোমবার, ডিসেম্বর ২, ২০১৯ জাতীয়
krishi

সময়ের কণ্ঠস্বর ডেস্কঃ খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ, রপ্তানি বৃদ্ধি ও রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানে চীনের সহযোগিতা চাইলেন কৃষিমন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাক।

রোববার (২ ডিসেম্বর) কৃষি মন্ত্রণালয়ে নিজ দপ্তরে চীনের ভাইস মিনিস্টার (শুল্ক ও সাধারণ প্রশাসন) ঝাং জিওয়েন সাক্ষাৎ করতে এলে তিনি একথা বলেন। এসময় কৃষি সচিব মো. নাসিরুজ্জামান উপস্থিত ছিলেন। সাক্ষাৎকালে চীনের উদ্ভাবিত সুপার রাইস নিয়েও কথা হয়।

কৃষিমন্ত্রী ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক বলেছেন, ‘বাংলাদেশের উন্নয়নে অন্যতম সহযোগী চীন। এই ধারাবাহিকতায়, বাংলাদেশ তাদের চাহিদা অনুযায়ী মানসম্মত পণ্য রপ্তানি করবে।’

বাংলাদেশ খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ। খাদ্যের প্রক্রিয়াজাত ও রপ্তানিতে চীনের সহযোগিতা প্রয়োজন উল্লেখ করে কৃষিমন্ত্রী বলেন, ‘কৃষি ক্ষেত্রে আরও উন্নয়নের লক্ষ্যে চীনের কারিগরি সহায়তার গুরুত্ব রয়েছে। এক্ষেত্রে কৃষিজাত পণ্য প্রক্রিয়াজাত করে রপ্তানির বড় সুযোগ সৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।’

কৃষিমন্ত্রী বলেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান চীনের সঙ্গে যে সম্পর্কের সূচনা করেছিলেন সেটা আরও বিকশিত করছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ইতোপূর্বে ঢাকা-বেইজিং দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতার নয়টি চুক্তি স্বাক্ষর তারই উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। বাংলাদেশের উন্নয়নে অন্যতম সহযোগী চীন। বাংলাদেশে কৃষির অপার সম্ভাবনা রয়েছে। সেক্ষেত্রে কৃষিজাত পণ্য প্রক্রিয়াজাত করে রপ্তানির বড় সুযোগ রয়েছে এবং সেক্ষেত্রে চীনের সহযোগিতা চায় বাংলাদেশ।

বাংলাদেশের সামাজিক-অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে বর্তমানে বড় সমস্যা রোহিঙ্গা সংকট। রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানে চীনের সহযোগিতা চান কৃষিমন্ত্রী। এ প্রসঙ্গে চীনের ভাইস মিনিস্টার জানান, এ ব্যাপারে তারা আন্তর্জাতিক ফোরামে বাংলাদেশের পক্ষে কথা বলবেন। বাংলাদেশের উন্নয়নে সব ক্ষেত্রে চীন অংশীদার হতে আগ্রহী।

ঝাং জিওয়েন বলেন, চীন বাংলাদেশের প্রধান বিনিয়োগকারী দেশে পরিণত হবে। বর্তমানে বাংলাদেশের পদ্মাসেতুসহ বড় বড় স্থাপনা নির্মাণের কাজ করছে চীন। বাংলাদেশ থেকে চীন রাইস ব্রান তেল আমদানি করতে চায়।

এছাড়া বাংলাদেশ যেসব কৃষিজাত পণ্য চীনে রপ্তানি করতে আগ্রহী সে সম্পর্কে বাংলাদেশে চীনের দূতাবাসকে অবহিত করার জন্য বলেন। বাংলাদেশ থেকে কৃষিজাত পণ্যসহ অন্য পণ্য আমদানির ক্ষেত্রে কোনো বাধা-বিপত্তির অবকাশ থাকবে না।

সাত সদস্যের প্রতিনিধি দলে আরও ছিলেন শুল্ক আদায় বিভাগের উপ মহাপরিচালক সান রেনউ, ব্যুরো অব আমদানি এবং রপ্তানি নিরাপদ খাদ্য’র উপ মহাপরিচালক ইউ ওয়েঞ্জুন, জিয়ামেন কসটিউম ডিসট্রিক্ট এর মহাপরিচালক চেন ইউ প্রমুখ।

Loading...