সংবাদ শিরোনাম
তারেক এতো দূর্নীতি, অন্যায় ও মানুষ খুন করেছে তার সাহস নাই বাংলাদেশে আসার: কৃষিমন্ত্রী | ঢাবি ছাত্রী ধর্ষণ: ডিএনএ পরীক্ষায়ও মিলেছে মজনুর সম্পৃক্ততা | কুকরি মুকরিতে পর্যটকদের বাড়তি আনন্দ দিতে যোগ হয়েছে রংবেরঙের নৌকা | ভারতের পাটনায় বোরকা পরে কলেজে আসলে জরিমানা | লক্ষ্মীপুর ৫ম শ্রেণির ছাত্রী ধর্ষণের অভিযোগে ৭০বছরের বৃদ্ধ গ্রেফতার | সীমান্তে হত্যার প্রতিবাদে জাবি ছাত্রের অনশন | সীমান্তে হত্যার প্রতিবাদে রাজু ভাস্কর্যে ঢাবি শিক্ষার্থীর অবস্থান | ‘সরকারের নতজানু পররাষ্ট্রনীতির কারণে বিএসএফ দুঃসাহস দেখাতে পারছে’ | শাহজাদপুরে ইয়াবা বিক্রেতা ও গরুচোরসহ ৭জন আটক | ইশতেহার অনুষ্ঠানে ফখরুল-তাবিথকে আমন্ত্রণ করলেন আতিকুল |
  • আজ ১৩ই মাঘ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

‘মুসলিমদের কেন নাগরিকত্ব দেবো?’

১২:৪৬ অপরাহ্ণ | বৃহস্পতিবার, ডিসেম্বর ১২, ২০১৯ আন্তর্জাতিক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক- ভারতের বিতর্কিত নাগরিকত্ব বিল নিয়ে বর্তমান বিজেপি সরকারের মনোভাব রাজ্যসভায় আরও স্পষ্ট করে দিয়েছেন দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। বুধবার (১১ ডিসেম্বর) তিনি জানান, সারাদুনিয়া থেকে যদি মুসলমানেরা এসে ভারতের নাগরিকত্ব চান, তাহলে তা দেওয়া সম্ভব নয়।

দেশটির বিরোধীদলগুলোর মতে, এই বিল হলো বিজেপি সরকারের আগ্রাসী হিন্দুত্ববাদী নীতির পরিচায়ক। তবে, বিজেপি’র পাল্টা যুক্তি, দলের ইশতেহারেই বিলটি আনা হবে বলে উল্লেখ ছিলো। আর এখন সেই প্রতিশ্রুতিই রক্ষা করছে সরকার। এক প্রতিবেদনে এসব খবর জানিয়েছে আনন্দবাজার।

বিরোধী শিবিরের তীব্র প্রতিবাদ, হাড্ডাহাড্ডি লড়াই সত্ত্বেও বুধবার ভারতের রাজ্যসভায় পাস হয়েছে “নাগরিকত্ব সংশোধনী বিল (সিএবি)”। এখন রাষ্ট্রপতি স্বাক্ষর করলেই বিলটি আইনে পরিণত হবে। এরফলে আরও মসৃণ হবে বাংলাদেশ, পাকিস্তান ও আফগানিস্তান থেকে ভারতে আসা “অ-মুসলিম” শরণার্থীদের নাগরিকত্ব পাওয়ার পথ। ২০১৪-র ৩১ ডিসেম্বর বা তার আগে থেকে তারা ভারতে শরণার্থী হিসেবে বাস করলেই নাগরিকত্বের জন্য আবেদন জানাতে পারবেন। অবৈধভাবে বসবাস করার জন্য আবেদনকারীদের বিরুদ্ধে ফৌজদারি তদন্ত হবে না বলেও ভরসা দিয়েছেন শাহ।

বিল পাস হওয়ার পর দেশটির প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বলেন, “সমবেদনা ও সৌভ্রাতৃত্বের যে-সংস্কৃতি আমাদের রয়েছে, এই বিলটি তার মাইলফলক।”

অন্যদিকে, রাজ্যসভায় শাহ পাল্টা প্রশ্নে বলেন, গোটা পৃথিবী থেকে যদি মুসলমানেরা এসে এ দেশের নাগরিকত্ব চান, তাহলে সেটি দেওয়া সম্ভব নয়। এভাবে চলতে পারে না। আর আমরা মুসলিমদের কেন নাগরিকত্ব দেবো?

তিনি বলেন, “প্রতিবেশী তিন দেশের রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম। সেকারণে শরণার্থী হিসেবে আসা তিনদেশের ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের নাগরিকত্ব দেওয়া হবে। নাহলে নিপীড়নের শিকার মানুষগুলো কোথায় যাবে?”

এদিকে বিলটি ঘিরে ইতোমধ্যেই উত্তপ্ত দেশের উত্তর-পূর্বের রাজ্যগুলো। বিলের ইস্যুতে বিক্ষোভ করছে ভারতের আসাম ও ত্রিপুরা রাজ্যের মানুষ। যার জেরে বুধবার সেখানে বিপুল পরিমাণ সেনাবাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে।

ইতোমধ্যে বিতর্কিত নাগরিকত্ব সংশোধনী বিল (সিএবি) প্রত্যাহারের আহ্বান জানিয়ে মোদী সরকারকে একাধিক খোলা চিঠি দিয়েছেন ভারত ও অন্য দেশের লেখক, বিজ্ঞানী, সমাজকর্মী, শিক্ষাবিদ, অভিনয় শিল্পীসহ সব পেশার বিশিষ্ট ব্যক্তিরা।

Loading...