গণধর্ষণের মাধ্যমে কি সন্ত্রাস মোকাবিলা করতে হয়? প্রশ্ন গাম্বিয়ার

১০:৫৯ অপরাহ্ণ | বৃহস্পতিবার, ডিসেম্বর ১২, ২০১৯ আন্তর্জাতিক
gamb

আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ আন্তর্জাতিক বিচার আদালতের শুনানিতে মিয়ানমারের রাষ্ট্রীয় উপদেষ্টা অং সান সু চি গণহত্যার অভিযোগ অস্বীকার করে দাবি করেছেন, রাখাইনে সন্ত্রাসবিরোধী অভিযান পরিচালিত হয়েছে।

শুনানির তৃতীয় দিনে মামলার বাদী গাম্বিয়া সেখানে সংঘটিত নারী নিপীড়নের প্রসঙ্গ উল্লেখ করে প্রশ্ন তুলেছে, সংঘবদ্ধ ধর্ষণ কি সন্ত্রাস মোকাবিলার পথ?

২০১৭ সালের আগস্টে রাখাইনে রোহিঙ্গাদের ওপর পূর্ব-পরিকল্পিত ও কাঠামোগত সহিংসতা জোরদার করে মিয়ানমার সেনাবাহিনী। হত্যাকাণ্ড, সংঘবদ্ধ ধর্ষণ, ঘরবাড়িতে অগ্নিসংযোগের বাস্তবতায় জীবন বাঁচাতে নতুন করে বাংলাদেশে পালিয়ে আসে সাত লাখেরও বেশি রোহিঙ্গা। এই নৃশংসতাকে ‘গণহত্যা’ আখ্যা দিয়ে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর জাতিসংঘের আদালত ইন্টারন্যাশনাল কোর্ট অব জাস্টিসে (আইসিজে) মামলা করে গাম্বিয়া।

মামলায় নিজ দেশের আইনি লড়াইয়ে নেমে শুনানির প্রথম দিন বুধবার সু চি দাবি করেন, গাম্বিয়ার দায়ের করা মামলায় রাখাইনের একটি খণ্ডিত ও বিভ্রান্তিকর চিত্র হাজির করা হয়েছে। সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে গণহত্যার অভিযোগ অস্বীকার করেন তিনি।

সু চি দাবি করেন, রাখাইনে আরসার মতো সন্ত্রাসী গোষ্ঠীগুলোর বিরুদ্ধে শুদ্ধি-অভিযান পরিচালিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার শুনানির শেষ দিনে গাম্বিয়ার আইনজীবী মিয়ানমারে সেনাবাহিনীর দ্বারা সংঘটিত সংঘবদ্ধ ধর্ষণের প্রসঙ্গ তুলে ধরে প্রশ্ন তোলেন, এমন কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে কি সন্ত্রাস মোকাবিলা করতে হয়?

Skip to toolbar