এখন প্রফেশনাল যৌনকর্মী নিয়ে সিনেমা বানানো হয়: পপি

১১:৩৬ অপরাহ্ণ | শুক্রবার, ডিসেম্বর ১৩, ২০১৯ বিনোদন
popi

বিনোদন ডেস্কঃ ঢাকাই সিনেমার জনপ্রিয় চিত্রনায়িকা সাদিকা পারভীন পপি বলেছেন, এখন সিনেমা বানাতে হলে কোনো শিল্পীর দরকার হয় না! এখন যৌনকর্মী দ্বারা সিনেমা বানানো হয়ে থাকে। এটি খুবই দুঃখজনক, একারণে এখন ইন্ডাস্ট্রির বাজে অবস্থা।

তিনি আরও বলেন, ‘আমরা তো আমাদের নিজের কাজের প্রয়োজনে দৌড়াই। কিন্তু শুনি যে, শিল্পীরা শপিং করতে প্রডিউসারদের সঙ্গে বিদেশ যায়। আমরা তো আর ওই ধরনের শিল্পী না।’

প্রশ্ন রেখে পপি বলেন, ‘যাদের ব্যক্তিগত ইমেজ খারাপ, তারা শিল্পী হয় কীভাবে? ঘরে জামাই রেখে বদমায়েশি করে বেড়ায়, এরা শিল্পী হয় কীভাবে? চারটা-পাঁচটা বিয়ে করে, অসামাজিক কার্যকলাপ আর টাকার পেছনে বেড়ায় এরা শিল্পী হয় কীভাবে? শিল্পী আর যৌনকর্মীর মধ্যে পার্থক্য আছে। আমাদের দেশে এটারই (শিল্পী) খুব অভাব আছে।’

এখন মনে রাখার মতো শিল্পী কোথায়-মন্তব্য করে পপি বলেন, ‘এত সুন্দর একটি ইন্ডাস্ট্রি, এই সমস্ত যৌনকর্মীদের কারণে এখন ধ্বংস হতে চলেছে। একটার পর একটা বিয়ে করবে, টাকা-পয়সা নেওয়া হয়ে গেলে আবার আরেকজনের সঙ্গে…। এদের কারণে অন্যান্য শিল্পীদের ইমেজও ক্ষুণ্ন হয়। আমাদের দেশে মানুষ বলে “তোমাদের নায়িকারা” বা “আপনাদের তো একটা বিয়ে হয় না” ইত্যাদি। এসব কথা শুনলে, খুব খারাপ লাগে। শাবানা, ববিতা, চম্পা, শাবনাজ, মৌসুমী আপা কয়টা বিয়ে করেছেন? একটা করেছেন। কিন্তু বর্তমানের কিছু নায়িকাদের জন্য সব নায়িকাদের সুনাম নষ্ট হচ্ছে। আমি এসব নায়িকাদের নাম উল্লেখ করতে চাই না। এসব নায়িকাদের মুখে কালি মেখে ইন্ডাস্ট্রি থেকে বের করে দেওয়া উচিৎ।’

প্রসঙ্গত, ১৯৯৫ সালে একটি ফটোসুন্দরী প্রতিযোগিতার মাধ্যমে মিডিয়ায় অভিষেক হয় পপির। মনতাজুর রহমান আকবর পরিচালিত ‘কুলি’ ছবিতে অভিনয়ের মধ্য দিয়ে চলচ্চিত্রে আসেন তিনি।

তার উল্লেখ্যযোগ্য সিনেমার মধ্যে রয়েছে, ‘কুলি, ‘আমার ঘর আমার বেহেশত’, ‘দরদী সন্তান’, ‘লাল বাদশা’, ‘বিদ্রোহী পদ্মা’, ‘রানীকুঠির বাকী ইতিহাস’, ‘মেঘের কোলে রোদ’, ‘গঙ্গাযাত্রা’, ‘কি যাদু করিলা’, ‘পৌষ মাসের পিরীত’।

তিনি তিনবার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার লাভ করেন। তিন ‘কারাগার’ (২০০৩), ‘মেঘের কোলে রোদ’ (২০০৮) ও ‘গঙ্গাযাত্রা’ (২০০৯) ছবির জন্য এ পুরস্কার লাভ করেন।

Skip to toolbar