‘ইতিহাস থেকে বঙ্গবন্ধুর নাম মুছে ফেলতে চেয়েছিল জিয়া’- প্রধানমন্ত্রী

৯:০০ অপরাহ্ণ | শনিবার, ডিসেম্বর ১৪, ২০১৯ জাতীয়
hasinan

সময়ের কণ্ঠস্বর ডেস্কঃ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, জাতির পিতার হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকায় জিয়াউর রহমানকে খন্দকার মোশতাক সেনাপ্রধান করেছিল। ইতিহাস থেকে বঙ্গবন্ধুকে মুছে ফেলতে চেয়েছিল জিয়া।

শনিবার বিকেলে রাজানীর ফার্মগেটে কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন অব বাংলাদেশ (কেআইবি) মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত এক আলোচনা সভায় এ কথা বলেন। শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ এই আলোচনা সভার আয়োজন করেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘এই বাংলাদেশের মাটিতে সেই মীর জাফর, মোশতাক থেকে শুরু করে বেঈমানের জন্ম বারবার হয়েছে। খুনি জিয়ার মতো বারবার খুনিরা এসেছে। কিন্তু ভবিষ্যতে আর এ দেশের মানুষের ভাগ্য নিয়ে কেউ যেন ছিনিমিনি খেলতে না পারে, সেই দায়িত্ব বাংলাদেশের জনগণকে নিতে হবে। আমাদের তরুণ সমাজকে নিতে হবে। প্রজন্মের পর প্রজন্মকে সচেতন থাকতে হবে।’

তিনি বলেন, ‘স্বাধীন বাংলাদেশ জাতির পিতা দিয়ে গেছেন, এই স্বাধীনতাকে সমুন্নত রেখে বাংলাদেশ যেখানে অর্থনৈতিকভাবে এগিয়ে যাচ্ছে, রাজনৈতিকভাবেও সেভাবে এগিয়ে যাবে। বিশ্বসভায় যেন বাংলাদেশ মর্যাদা নিয়ে চলতে পারে। তাহলেই শহীদের আত্মত্যাগ এবং তাদের মহান অবদান চিরভাস্বর হয়ে থাকবে।’

শহীদের আত্মত্যাগ কখনও বৃথা যায় না উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বুদ্ধিজীবীদের মধ্যে যারা এ দেশের জন্য জীবন দিয়ে গেছেন, যাদের নির্মমভাবে হত্যা করা হয়েছে, তাদের নামটাও মুছে ফেলা হয়েছিল। কিন্তু সেটাতো মুছে ফেলতে পারেনি। কারণ আত্মত্যাগ কখনও বৃথা যায় না। সেটা প্রমাণ হয়েছে এখন বাংলাদেশে।’

তিনি বলেন, ‘জাতির পিতার যে স্বপ্ন ছিল দুঃখি মানুষের মুখে হাসি ফোটানো, বাংলাদেশকে সেভাবে গড়ে তুলতে চাই। সে লক্ষ্য নিয়েই আমরা কাজ করে যাচ্ছি।’

আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক এবং তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ এবং উপ-প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক আমিনুল ইসলাম আমিনের পরিচালনায় সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য প্রদান করেন আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদ সদস্য আমির হোসেন আমু, প্রেসিডিয়াম সদস্য বেগম মতিয়া চৌধুরী, শেখ ফজলুল করিম সেলিম, অ্যাডভোকেট আব্দুল মতিন খসরু, ড. আব্দুর রাজ্জাক, সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রহমান, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সম্পাদক মৃণাল কান্তি দাস।

এছাড়া অনুষ্ঠানে শহীদ আলতাফ মাহমুদের মেয়ে শাওন মাহমুদ, ঢাকা উত্তর নগর আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ বজলুর রহমান, ঢাকা দক্ষিণ নগর আওয়ামী লীগের সভাপতি আবু আহমেদ মান্নাফী বক্তব্য প্রদান করেন।

Skip to toolbar