• আজ ১২ই ফাল্গুন, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

আজহারীকে জড়িয়ে ধরে কাঁদলেন তারেক মনোয়ার

১১:১৬ অপরাহ্ণ | রবিবার, জানুয়ারি ১২, ২০২০ ইসলাম
azha

ইসলাম ডেস্কঃ ১২ বছর পরে এক মঞ্চে উঠলেন দেশের দুই জনপ্রিয় ও বিতর্কিত ইসলামি বক্তা ড. মিজানুর রহমান আজহারী ও মাওলানা তারেক মনোয়ার। এ সময় দুজনেই আবেগে আপ্লুত হয়ে ওঠেন। একে অপরকে জড়িয়ে ধরে কেঁদে ফেলেন। তাদের এই ভ্রাতৃত্ব বন্ধনের দৃশ্য দেখল লাখো লাখো মুসল্লি।

বুধবার গাইবান্ধার সদর থানাধীন লক্ষ্মীপুর ইউনিয়নের এক মাহফিলে একে অপরকে জড়িয়ে ধরে কেঁদে ফেলেন। মাহফিলে একে অপরকে জড়িয়ে ধরে কেঁদে ফেলার দৃশ্য ফেসবুকে ভাইরাল হয়েছে। বিভিন্ন ক্যাপশন দিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভিডিওটি শেয়ার করেন অনেকেই।

স্থানীয় সূত্র জানায়, আজহারী ও তারেক মনোয়ার মাহফিলে আসবেন জেনে শৈত্যপ্রবাহ উপেক্ষা করে লাখো মুসল্লির ঢল নামে লক্ষ্মীপুর ইউনিয়নের মাহফিলে। আগের দিন থেকেই দূর-দূরান্ত থেকে মানুষ এসে মাহফিলে জমায়েত হন।

মাহফিলের আয়োজক সংগঠনটির দাবি, আজহারীর এই তাফসির মাহফিলটিতে ৫ লাখের বেশি মুসল্লির জমায়েত হয়েছেন।

ভাইরাল ভিডিওতে দেখা যায়, মিজানুর রহমান আজহারী যখন বক্তব্য দিচ্ছেন হঠাৎ মঞ্চে উঠে আসেন তারেক মনোয়ার। তিনি আজহারীকে জড়িয়ে ধরে কেঁদে ফেলেন। এ সময় আজহারী দাঁড়িয়ে যান। তারেক মনোয়ার তার কপালে চুমু দেন। এমন দৃশ্য দেখে উপস্থিত মুসল্লিরা আপ্লুত হয়ে পড়েন। তাদের অনেকেই দাঁড়িয়ে যান। পরে আয়োজক সংগঠন থেকে মাইকে মুসল্লিদের বসে যেতে ও নীরব থাকতে অনুরোধ জানানো হয়।

প্রসঙ্গত সম্প্রতি ইসলাম বিষয়ে বক্তব্য দিয়ে ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করেছেন মিসরের আজহার বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ডিগ্রি নিয়ে ফেরা এ মাওলানা।

তবে তাকে নিয়ে নানা বিতর্কও চলছে। বিভিন্ন মাহফিলে যুদ্ধাপরাধে সাজাপ্রাপ্ত বাংলাদেশের জামায়েত ইসলামী দলের নেতা দেলোয়ার হোসেন সাঈদীর প্রশংসায় বক্তব্য দিতে দেখা গেছে। এ ছাড়া ওয়াজে বিভিন্ন শব্দ ও ভাষার ব্যবহার নিয়েও তার সমালোচনা করা হয়েছে। এসব কারণ দেখিয়ে কুমিল্লা, ফেনী ও চাঁদপুরে মাহফিল করতে দেয়া হয়নি আজহারীকে।

এদিকে ধর্মীয় উগ্রবাদ ছড়ানোর অভিযোগ আনা হয়েছে আরেক বির্তকিত বক্তা বাংলাদেশের বিভিন্ন বেসরকারি টেলিভিশনের ধর্মীয় অনুষ্ঠানের উপস্থাপক ও ইসলামী সমাজ কল্যাণ পরিষদের নেতা মাওলানা তারেক মনোয়ার। তার ওয়াজ ও বয়ান ইউটিউব ফেসবুক থেকে সরিয়ে নেয়ার নিদের্শনাও তামিল করেছে বিটিআরসির (বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রক সংস্থা)।

Loading...