শিশু পর্নোগ্রাফি ও জিহাদী মনোভাবের দায়ে ২১ সৌদি সেনাকে বহিষ্কার

৪:৩২ অপরাহ্ণ | মঙ্গলবার, জানুয়ারি ১৪, ২০২০ আন্তর্জাতিক
soudi

আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ তিন আমেরিকার নৌসেনাকে গুলি করে হত্যার ঘটনার জেরে এবার ২১ সৌদি সামরিক কর্মকর্তাকে বহিষ্কার করেছে যুক্তরাষ্ট্র। তাদের সৌদি আরবে ফেরত পাঠানো হবে। তদন্তে সন্ত্রাসবাদের প্রমাণ পাওয়ায় সোমবার মার্কিন বিচার বিভাগ এমন ঘোষণা দিয়েছে। তাদের তদন্তে বহিষ্কৃত এ সকল কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে শিশু পর্নোগ্রাফি ও যুক্তরাষ্ট্র বিদ্বেষ ও জিহাদী মনোভাবের প্রমাণ মিলেছে।

সোমবার (১৩ জানুয়ারি) এই তথ্য নিশ্চিত করেছে যুক্তরাষ্ট্রের যুক্তরাষ্ট্রের অ্যাটর্নি জেনারেল উইলিয়াম বার। খবর আল জাজিরার।

গত ৬ ডিসেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডা অঙ্গরাজ্যের একটি মার্কিন বিমান ঘাঁটিতে হামলা চালায় সৌদি সেনাবাহিনীর সেকেন্ড লেফট্যানেন্ট মোহাম্মেদ সাইদ আলশামরানি। ওই ঘটনায় তিন জন নিহত এবং আট জন আহত হন।

যুক্তরাষ্ট্রের অ্যাটর্নি জেনারেল বিল বার বলেন, সাক্ষ্যপ্রমাণে দেখা গেছে— বন্দুকধারী জিহাদি মতাদর্শে প্ররোচিত হয়েছিলেন। তবে তিনি অন্যান্যদের সঙ্গে আঁতাত করেছেন বলে কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি। তার দুটি আইফোন আনলক করা সম্ভব হয়নি। কাজেই আল-শামরানি কাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন এতে তাও জানা সম্ভব হয়নি।

বার বলেন, বন্দুকধারীর আইফোন আনলক করতে আমরা অ্যাপলের সহায়তা চেয়েছি। কিন্তু তারা আমাদের বাস্তবিক কোনো সহায়তা করেনি।

জিহাদি উপদান ও শিশু পর্নোগ্রাফির সঙ্গে সংশ্লিষ্টতা পাওয়ায় ঘাঁটির ফ্লাইট স্কুল থেকে আল-শামরানির ২১ সহকর্মীকে বরখাস্ত করা হয়েছে বলে জানালেন মার্কিন অ্যাটর্নি জেনারেল। বলেন, এসব বিষয় ফৌজদারি বিচারের পর্যায়ে না পৌঁছালেও রিয়াদ দৃঢ়ভাবে জানিয়েছে যে সৌদি বিমান ও নৌবাহিনীর একজন কর্মকর্তার সঙ্গে এসব কার্যক্রম বেমানান। কাজেই প্রশিক্ষণ কার্যক্রম থেকে এই ২১ ক্যাডেটকে বাদ দেয়া হয়েছে।

সোমবার তাদের সৌদি আরবে ফেরত পাঠানো হবে বলেও জানালেন তিনি। বিল বার বলেন, সামরিক অপরাধ ও বিচার নীতিমালা অনুসারে প্রতিটি ঘটনাই পর্যালোচনা করা হবে। সৌদি আমাদের নিশ্চিত করেছে যে ফেরত পাঠানো কারো বিরুদ্ধে যদি পরবর্তী সময়ে অভিযোগ গঠনের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়, তবে যুক্তরাষ্ট্রে পাঠিয়ে দেয়া হবে।