• আজ ১০ই ফাল্গুন, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

হাবিপ্রবিতে পদোন্নয়নের দাবিতে কর্মকর্তাদের অবস্থান ধর্মঘট

৯:১২ অপরাহ্ণ | বুধবার, জানুয়ারি ১৫, ২০২০ শিক্ষাঙ্গন
hazi

শাহ্ আলম শাহী,স্টাফ রিপোর্টার,দিনাজপুর থেকেঃ দিনাজপুর হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় রিজেন্ট বোর্ডের সুপারিশ প্রাপ্তির পরও সহকারি প্রশাসনিক কর্মকর্তারা পর্যায়োন্নয়ন নীতিমালা থেকে বঞ্চিত হওয়ায় অন্তোষ বিরাজ করছে। এনিয়ে প্রশাসন,শিক্ষক-কর্মচারীদের মধ্যেও বিভাজন সৃষ্টি হয়েছে।

রিজেন্ট বোর্ড কর্তৃক গঠিত কমিটি’র সুপারিশ অবিলম্বে বাস্তবায়নের দাবীতে কলম বিরতি,অবস্থান ধর্মঘট ও মানববন্ধনসহ বিভিন্ন কর্মসূচী আব্যাহত রেখেছে সহকারি প্রশাসনিক কর্মকর্তারা। তবে বিশ্বদ্যিালয় কর্তৃপক্ষ বলছেন,নীতিমালা নিয়েই তারা কাজ করছেন। বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের সুপারিশ ছাড়া পর্যায়োন্নয়ন বা পদোন্নয়ন সম্ভব নয়।

বুধবার বেলা সাড়ে ১২টায় সরজমিনে দিনাজপুর হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে গিয়ে দেখা গেছে, সহকারি প্রশাসনিক কর্মকর্তারা প্রশাসনিক ভবনের সামনে মাববন্ধন শেষে কলম বিরতি’তে অবস্থান ধর্মঘট করছেন। এ সময় তাদের কেউ কেউ সহকর্মীদের উদ্দেশ্যে বক্তব্য রাখছেন।

আন্দোলনরত হারিসুল ইসলাম পাভেজ,শাহীন পারভেজ,কানিজ পারভীন,মোতালেব হোসেন,রফিকুল ইসলামসহ অনেকের অভিযোগ,তাদের নিয়ে টাল-বাহানা শুরু করেছে বিশ্বদ্যিালয় কর্তৃপক্ষ। রিজেন্ট বোর্ডের সুপারিশ প্রাপ্তির পরও তারা পর্যায়োন্নয়ন নীতিমালা থেকে বঞ্চিত হয়ে আছেন প্রায় ৩ বছর ধরে। এ নিয়ে পর পর ৩ বার কমিটি গঠন করা হয়েছে। সব কমিটি’র রিপোর্ট অর্থাৎ সুপারিশ মালা তাদের পক্ষেই রয়েছে। এ বিয়য়ে আবারও ৪র্থ বার কমিটি গঠন করেছে বিশ্বদ্যিালয়ের ভিসি প্রফেসর ড. মু.আবুল কাসেম।

এবিষয়ে “প্রগতিশীল শিক্ষক ফোরাম” এর সহ-সভাপতি প্রফেসর ড.এটিএম শরিফুল ইসলাম জানান, বিশ্বদ্যিালয়ের ভিসি প্রফেসর ড. মু.আবুল কাসেম সব কিছুই বিভাজন করে রেখেছেন। তার পছন্দের অনেকের ক্ষেত্রে আইন আর নীতিমালা মানা না হচ্ছেনা। যা খুশি তা করছেন তিনি। অথচবিশ্ববিদ্যালয় রিজেন্ট বোর্ডের সুপারিশ প্রাপ্তির পরও সহকারি প্রশাসনিক কর্মকর্তারা পর্যায়োন্নয়ন নীতিমালা থেকে বঞ্চিত হয়েছে। এর একটা সুরাহা হওয়া প্রয়োজন। তা না হলে এর বিরূপ প্রভাব পড়ছে,শিক্ষাঙ্গণে। প্রশাসনিক কার্যক্রম স্থবির হয়ে পড়েছে।

বিশ্বদ্যিালয়ের পরিচালক(অর্থ) প্রফেসর ড.শাহাদাৎ হোসেন খান লিখন জানান, সহকারি প্রশাসনিক কর্মকর্তারা পর্যায়োন্নয়ন বিষয়ে প্রথম গঠিত কমিটি’র সদস্য সচিব ছিলেন তিনি। তারা নীতিমালা’র সুপারিশ দিয়েছেন। কিন্তু.তা অনুমোদনের দায়িত্ব বিশ্বদ্যিালয়ের ভিসি’র। তিনি তা সন্তোষজনক নয় বলে আবারো নতুন কমিটি গঠন করেছেন। এই কমিটি’তেও তিনি রয়েছেন বলে জানান।

অন্যদিকে বিশ্বদ্যিালয়ের ভিসি প্রফেসর ড. মু.আবুল কাসেম জানান, বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের সুপারিশ ছাড়া পর্যায়োন্নয়ন বা পদোন্নয়ন সম্ভব নয়। যা হবে,তা সব বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য। আমরা অপেক্ষায় আছি। অনুমতি পেলে সহকারি প্রশাসনিক কর্মকর্তারা পর্যায়োন্নয়ন দেয়া হবে।

Loading...