সংবাদ শিরোনাম
‘দেশে আজ আর কেউ না খেয়ে থাকে না’- পরিকল্পনামন্ত্রী | বর্ণাঢ্য আয়োজনে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত | কৃষি অর্থনীতি ও গ্রামীণ সমাজবিজ্ঞান অনুষদে প্রতি বছর বৃত্তি পাবে ৭ শিক্ষার্থী | এবার রাবিতে মাতৃভাষা দিবসের ব্যানারে বীরশ্রেষ্ঠদের ছবি | ‘বর্তমানে আমরা পাকিস্তান আমলের চেয়েও খারাপ অবস্থায় আছি’- অলি আহমদ | ‘শত্রুরা বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করে একাত্তরের পরাজয়ের প্রতিশোধ নিয়েছিল’ | আন্ডারওয়ার্ল্ডের নেতৃত্ব দিতে ঢাকায় এসে গ্রেফতার শাকিল | ‘গৃহহীনদের ঘর তৈরি করে দেবো’- প্রধানমন্ত্রী | কুড়িগ্রামে সাবেক এমপি‘র আত্মহত্যার হুমকি! | চলন্ত ট্রেনে উঠতে গিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকের মৃত্যু |
  • আজ ১০ই ফাল্গুন, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

সংসদে আবারো তোপের মুখে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী

৯:৫৭ অপরাহ্ণ | বৃহস্পতিবার, জানুয়ারি ১৬, ২০২০ আলোচিত বাংলাদেশ
mp

সময়ের কণ্ঠস্বর ডেস্কঃ রাজাকারের তালিকা নিয়ে আজ সংসদে তোপের মুখে পড়েন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক। একটি লিখিত প্রশ্নের জবাবে রাজাকারের তালিকায় মুক্তিযোদ্ধা মন্ত্রণালয়ের দায় অস্বীকার করে এককভাবে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ওপর চাপিয়ে দিলে একের পর এক সম্পূরক প্রশ্নবানের মুখে পড়েন মন্ত্রী।

স্পীকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদ অধিবেশনে প্রশ্নোত্তর পর্বে সরকারি দলের সংসদ সদস্য মোয়াজ্জেম হোসেন রতনের প্রশ্নের জবাব দিতে গিয়ে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী দায় এড়িয়ে বলেন, রাজাকারের তালিকা মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় থেকে প্রণয়ণ করা হয়নি।

তিনি জানান, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের চাহিদার প্রেক্ষিতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, জননিরাপত্তা বিভাগ হতে ১০ হাজার ৭৮৫ জন রাজাকার, আলবদর, আলশামস এবং স্বাধীনতা বিরোধীদের একটি তালিকা এ মন্ত্রণালয়ে প্রেরণ করে। প্রাপ্ত তালিকা হুবহু মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়। যেহেতু মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় উক্ত তালিকা প্রস্তুত করেনি, সেহেতু কারও গাফিলতি থাকলে তা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ব্যবস্থা নিতে পারে।

সরকারি দলের সংসদ সদস্য মোয়াজ্জেম হোসেন রতন বলেন, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব নয়, এই কথাটি সরাসরি বলা যায় না। যার কাছ থেকেই তথ্য নেন, সেই তথ্য সঠিক আছে কিনা এটা দেখার দায়িত্ব এই মন্ত্রণালয়ের ওপর বর্তায়। কিছু কিছু জায়গায় অসংগতির কারণে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তি, আমরা অত্যন্ত ব্যথিত হয়েছি। প্রকৃত রাজাকাররা এই লিস্টে আসেনি।

জবাবে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী বলেন, ভুলভ্রান্তি ছিল বলেই দুঃখ প্রকাশ করে তালিকা প্রত্যাহার করেছি। রাজাকারের তালিকায় যাদের নাম দিয়েছে তারা সক্রিয় ছিল কিনা তা শুধু যাচাই করার ব্যাপার। সমস্ত ডকুমেন্টারি প্রমাণাদি আছে, আমরা চেক করব। সমস্যাটা হচ্ছে, তখনকার মেম্বার-চেয়ারম্যান সাহেবদের কাছে নাম চাওয়া হয়েছিল- তারা সমানে অর্থাৎ যাচাই-বাছাই না করে অনেকের নাম দিয়ে দিয়েছে হয়তো। সেজন্যই এই বিভ্রান্তির সৃষ্টি হয়েছে। ভবিষ্যতে যাতে আর ভুলত্রুটির পুনরাবৃত্তি না হয় সেই জন্য আমরা সকলের সহযোগিতা নিয়ে এবং সম্পূর্ণ রূপে যাচাই বাছাই করেই ভবিষ্যতে তালিকা প্রকাশ করব।

এ সময় মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেক্টর কমান্ডার ও সরকারি দলের সংসদ সদস্য মেজর (অব.) রফিকুল ইসলাম বীরউত্তমও অসন্তোষ প্রকাশ করে বলেন, আমাদের সিদ্ধান্ত ছিল আমরা কোন তালিকা তৈরি করব না। আমাদের লক্ষ্য ছিল যারা স্বাধীনতার বিরোধীতা করেছে তাদের তালিকা বিদ্যমান আছে সেই তালিকা প্রকাশ করতে হবে। আমি মন্ত্রীর বক্তব্যের সঙ্গে দ্বিমত পোষণ করি। কেননা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কি দিয়েছে সেটা আমরা জানি না, যেহেতু মালিক স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় তাই তারাই তালিকাটি প্রকাশ করতে পারতো। মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী কেন সেটা প্রকাশ করলেন? উনি (মন্ত্রী) সঠিক তালিকা প্রকাশ করতে পারেননি, পারবেনও না।

Loading...