সংবাদ শিরোনাম
আরব আমিরাতে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত বাংলাদেশি নাগরিক শনাক্ত | বিশ্বে ২২ কোটি ৮০ লাখ মানুষের প্রথম ভাষা বাংলা | বোন-কন্যাকে সঙ্গে নিয়ে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতির সামনে প্রধানমন্ত্রীর সেলফি | ‘খালেদা জিয়া উর্দুতে পাস করলেও বাংলায় ফেল’- তথ্যমন্ত্রী | একুশে ফেব্রুয়ারিতে বাংলা ফন্ট উদ্বোধন করল জাতিসংঘ | শহীদ দিবসের ব্যানারে বীরশ্রেষ্ঠদের ছবি! | বাবাকে নিয়ে ইশরাকের আবেগঘন স্ট্যাটাস | অবশেষে বিটিআরসিকে এক হাজার কোটি টাকা দিতে রাজি হল গ্রামীণফোন | ‘ধনীদের উচিত গরীবদের বিয়ে করা’- ইন্দোনেশিয়ার সংস্কৃতিমন্ত্রী | ব্যস্ততার কারণে মাতৃভাষা দিবসে শিক্ষার্থীদের পরীক্ষা নিলেন বশেমুরকৃবির তিন শিক্ষক |
  • আজ ১০ই ফাল্গুন, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

এক মাসের ব্যবধানে চলে গেলেন ৪ এমপি!

১০:২৪ অপরাহ্ণ | মঙ্গলবার, জানুয়ারি ২১, ২০২০ ফিচার
ak

সময়ের কণ্ঠস্বর ডেস্কঃ গত এক মাসে এমপিশূন্য হয়েছে দেশের পাঁচটি সংসদীয় আসন। একটি পদত্যাগ আর বাকি চারটি আসন শূন্য হয়েছে সংসদ সদস্যের মৃত্যুজনিত কারণে। এই সংসদ সদস্যদের সবাই ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের নৌকা প্রতীকে নির্বাচিত সদস্য।

গত ২৭ ডিসেম্বর মারা যান গাইবান্ধা-৩ (সাদুল্লাপুর-পলাশবাড়ী) আসনের সংসদ সদস্য মো. ইউনুস আলী সরকার। তিনি ফুসফুসের ক্যান্সারে ভুগছিলেন। বঙ্গবন্ধু মেডিকেলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি। একাদশ সংসদে ইউনুস আলী স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রণালয় সর্ম্পর্কিত সংসদীয় কমিটির সদস্য হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন।

বাগেরহাট-৪ ( মোরেলগঞ্জ-শরণখোলা) আসনের সংসদ সদস্য ডা. মোজাম্মেল হোসেন গত ১০ জানুয়ারি বঙ্গবন্ধু মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। তিনি সংসদ সদস্য হিসেবে পাঁচবার জয়লাভ করেন।

বগুড়ার এমপি আব্দুল মান্নান হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে গত ১৮ জানুয়ারি চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। বগুড়া-১ আসনে সংসদ সদস্য মান্নান ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি ও আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ছিলেন। তার বয়স হয়েছিল ৬৬ বছর। ২০০৮ সালে প্রথম সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন মান্নান। এরপর ২০১৪ ও ২০১৮ সালেও নির্বাচিত হন তিনি।

সর্বশেষ যশোর-৬ আসনের এমপি ও সাবেক জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ইসমাত আরা সাদেক মঙ্গলবার (২১ জানুয়ারি) মারা গেছেন। রাজধানীর একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন তিনি।

ইসমাত আরা সাদেক দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে যশোর-৬ ( কেশবপুর) নির্বাচনী এলাকা থেকে সাংসদ নির্বাচিত হন। ১২ জানুয়ারি ২০১৪ তারিখে নতুন সরকার গঠিত হলে তাকে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী করা হয়। পরবর্তী সময়ে ১৫ জানুয়ারি ২০১৪ তারিখে তাকে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব দেয়া হয়। ২০১৮ সালের ৩০ ডিসেম্বরের নির্বাচনে তিনি সংসদ সদস্য নির্বাচিত হলেও মন্ত্রিসভায় স্থান পাননি।

ইসমাত আরা সাদেকের স্বামী এ এস এইচ কে সাদেক সাবেক শিক্ষামন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য ছিলেন। সাবেক এই সচিব আওয়ামী লীগ থেকে দুবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।

এ ছাড়া রাজধানী ঢাকার দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে মেয়র পদে নির্বাচনের জন্য গত ২৯ ডিসেম্বর এমপি পদ থেকে পদত্যাগ করেন ঢাকা-১০ আসনের সংসদ সদস্য ফজলে নূর তাপস। সিটি নির্বাচনে আওয়ামী লীগ মনোনীত মেয়র প্রার্থী হিসেবে তার নাম ঘোষণা করার পরই তিনি সংসদ সদস্যের পদ ছাড়েন। কারণ নির্বাচন করতে হলে তাকে সংসদ সদস্য পদ ছাড়তে হবে।

এ ছাড়া গত ছয় মাসে আারও দুটি আসন শূন্য হয়েছিল। জাসদের সংসদ সদস্য চট্টগ্রাম-৮ আসনের মঈনউদ্দিন খান বাদল মারা যান গত ৭ নভেম্বর। আর সংরক্ষিত আসনের এমপি রুশেমা বেগম মারা যান ১০ জুলাই।

উল্লেখ্য ইতিমধ্যে আওয়ামী লীগের মহাজোটের শরিক জাসদের সাংসদ মঈনুদ্দিন খান বাদলের শূন্য আসনে উপনির্বাচন হয়েছে। সেখানে আওয়ামী লীগের প্রার্থী মোছলেম উদ্দিন নির্বাচিত হয়ে শপথও নিয়েছেন। আর সংরক্ষিত আসনের এমপি রুশেমা বেগমের শূন্য আসন গত ১৮ আগস্ট পূরণ করা হয়।

বাকি আসনগুলোতে কবে নির্বাচন হবে সে বিষয়ে এখনো নির্বাচন কমিশনের কোনো নির্দেশনা দেয়া হয়নি। তবে শূন্য আসনে ৯০ দিনের মধ্যে উপনির্বাচনের বিধান রয়েছে।

Loading...