ঢাবি ছাত্রী ধর্ষণ: ডিএনএ পরীক্ষায়ও মিলেছে মজনুর সম্পৃক্ততা

১২:০২ পূর্বাহ্ণ | রবিবার, জানুয়ারি ২৬, ২০২০ আলোচিত বাংলাদেশ
kho

সময়ের কণ্ঠস্বর ডেস্কঃ রাজধানীর কুর্মিটোলায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী ধর্ষণের ঘটনায় ডিএনএ টেস্টের মাধ্যমে সন্দেহভাজন ধর্ষক মজনুর সম্পৃক্ততা পেয়েছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। ছাত্রীর কাপড় থেকে সংগৃহিত নমুনার সঙ্গে মজনুর ডিএনএ মিলে গেছে।

শনিবার সিআইডির উপ-মহাপরিদর্শক শেখ নাজমুল আলম বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রীর ব্যবহৃত জিনিসপত্র থেকে ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছিল। ওই নমুনার সঙ্গে গ্রেপ্তার মজনুর ডিএনএ নমুনা মিলিয়ে দেখা হয়। সব প্রক্রিয়া অনুসরণ করে মজনুর সম্পৃক্ততা পাওয়া যায়।

এদিকে ডিবির (উত্তর) উপকমিশনার মশিউর রহমান বলেন, তাদের অভিযোগপত্র প্রায় চূড়ান্ত। ঢাকা মেডিকেল কলেজের ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারের (ওসিসি) একটি মেডিকেল প্রতিবেদন তারা এখনো হাতে পাননি। ওই প্রতিবেদনটি হাতে পেলেই আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেবেন।

প্রসঙ্গত, গত ৫ জানুয়ারি বিকাল সাড়ে ৫টার পর বিশ্ববিদ্যালয়ের বাসে করে ওই ছাত্রী বান্ধবীর বাসায় যাচ্ছিলেন। কুর্মিটোলা বাসস্টেশনে নামার পর তাকে অজ্ঞাত এক ব্যক্তি অনুসরণ করতে থাকে। মাঝপথে তাকে ধরে নির্জন স্থানে নিয়ে ধর্ষণ করে। ঘটনাটি সন্ধ্যা ৭টা থেকে ৮টার মধ্যে ঘটে। রাত ১০টার দিকে জ্ঞান ফেরে ওই ছাত্রীর। পরে তিনি রিকশায় করে বান্ধবীর বাসায় যান। সেখান থেকে বান্ধবীসহ অন্য সহপাঠীরা তাকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান।

ঘটনার পর দিন ৬ জানুয়ারি সকালে অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিকে আসামি করে ওই ছাত্রীর বাবা ক্যান্টনমেন্ট থানায় মামলা দায়ের করেন। ৮ জানুয়ারি মজনু নামে একজনকে গ্রেফতার করে র‌্যাব। মজনু বর্তমানে কারাগারে রয়েছে।

গ্রেপ্তারের পর মজনু ডিবি হেফাজতে সাত দিনের রিমান্ডে ছিল। আদালতে উপস্থাপনের পর ধর্ষণে সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছেন। বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রীও ২২ ধারায় আদালতে জবানবন্দি দেন। এই মামলায় শিক্ষার্থীকে আইনগত সহযোগিতা দিচ্ছে মানবাধিকার সংস্থা আইন ও সালিশ কেন্দ্র।

Loading...