নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা করলেন আতিকুল ইসলাম

১২:৪২ অপরাহ্ণ | রবিবার, জানুয়ারি ২৬, ২০২০ ঢাকা
atik

সময়ের কণ্ঠস্বর ডেস্কঃ নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা করলেন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন নির্বাচনে আওয়ামী লীগ মনোনীত মেয়রপ্রার্থী আতিকুল ইসলাম। রোববার (২৬ জানুয়ারি) দুপুর ১২টার দিকে রাজধানীর গুলশানের হোটেল লেকশোরে আয়োজিত অনুষ্ঠানে নির্বাচনি ইশতেহার ঘোষণা করেন তিনি।

আতিকুলের নির্বাচনী ইশতেহারের বিশেষ কিছু অংশ-

১. এলাকাভিত্তিক পথচালীবান্ধব ও বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন মানুষের জন্যে ফুটপাথ নেটওয়ার্ক তৈরি করা।

২. যানজট নিরসনে ডিএমপি, ডিটিসিএ, বিআরটিএ, ডিএসসিসি, পরিবহন মালিক সমিতিসহ অন্যান্য প্রতিষ্ঠানকে সাথে নিয়ে সমন্বিত পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা।

২. নিরাপদে পথচারী পারাপারের জন্যে ঢাকার উত্তরে বিভিন্ন জেব্রা ক্রসিংয়ে ডিজিটাল পুশ বাটন সিগনাল স্থাপন করা।

৩. আধুনিক নগর পরিবহন ব্যবস্থার জন্য ডিজিটাল ই-টিকিটিং সেবাপ্রদান, অ্যাপ-নির্ভর সময়সূচি প্রবর্তন এবং সুনিয়ন্ত্রত ও নারীবান্ধব গণ-পরিবহন নিশ্চিতকরণ।

৪. স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য পরিবহন ব্যবস্থা প্রবর্তন।

৫. বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন নাগরিকদের জন্য গণস্থাপনা ও গণ পরিবহন নিশ্চিতকরণ।

৬. নগরীর ব্যস্ততম এলাকাগুলোতে বহুতল ও আন্ডারগ্রাউন্ড পার্কিং কমপ্লেক্স নির্মাণ।

৭. হকারদের পুনর্বাসন ও কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা।

৮. ঢাকা বাস রুট র‍্যাশনালাইজেশন এর কাজ সরকারের উচ্চ পর্যায়েএর সকলকে নিয়ে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে সম্পন্ন করা।

৯. নিরাপদ সড়ক বাস্তবায়ন প্রয়োজন অনুযায়ী অধিকাংশ স্থানে এক্সেলেটরসহ নতুন ফুটওভার ব্রিজ নির্মাণ।

১০. সাইকেলের জন্যে আলাদা লেন (যেখানে সম্ভব) এবং সাইকেল পার্কিং তৈরি করা।

১১. নাগরিকদের যাতায়াতের জন্যে পরিকল্পিত স্মার্ট বাস স্টপ ও বাস-ট্রাক টার্মিনাল নির্মাণ।

১২. প্রতিটি মহল্লার ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নয়ন, নগরীর জলাবদ্ধতা নিরসন এবং সেন্সরের মাধ্যমে জলাবদ্ধতার স্থান ট্র্যাক করে সমাধান করা।

১৩. উন্নত বিশ্বের ইন্টিগ্রেটেড ভেক্টর ম্যানেজমেন্ট পদ্ধতিতে ডিএনসিসি, ডিএসসিসি, ওয়াসা, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়, পাশের সিটি কর্পোরেশনসহ শংশ্লিষ্ট সকল প্রতিষ্ঠানকে সাথে নিয়ে বছরব্যাপী মশা নিধন কর্মসূচি বাস্তবায়ন।

১৪. টেকসই বর্জ্যব্যবস্থাপনায় আমিনবাজার আরআরএফ স্থাপনের মাধ্যমে পরিকল্পিতভাবে বর্জ্য অপসারণ ও জ্বালানি শক্তিতে রূপান্তর।

১৫. তারুণ্যকে অনুপ্রাণিত করতে প্রতিবেশীদের মধ্যে সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতি বাড়াতে শহরের সকল ওয়ার্ডে নিয়মিত পাড়া উৎসব উদযাপন।

১৬. বস্তিবাসীদের জন্য নাগরিক সুযোগ সুবিধা নিশ্চিতকরণ।

১৭. প্রতিটি এলাকার জলাশয় দখলমুক্ত ও পরিচ্ছন্ন করে নাগরিকদের কাছে ফিরিয়ে দেওয়া।

১৮. ডিএনসিসির বর্ধিত এলাকায় নারীবান্ধব সিআরএইচসিসি এবং পিএইচসিসি নির্মাণ।

১৯. মিরপুর ডিএসসিসির নিজস্ব জাআয়গায় বৃক্ষ অনুরাগীদের জন্য বৃক্ষ ক্লিনিক ও পোষ্য প্রাণী ক্লিনিক নির্মাণ।

২০. সকলের জন্যে নানা সুযোগ-সুবিধাসম্পন্ন এলাকাভিত্তিক দৃষ্টিনন্দন উন্মুক্ত পার্ক ও আধুনিক খেলার মাঠ নির্মাণ।

২১. নগরীর বিভিন্ন এলাকায় আধুনিক পশু জবাইকেন্দ্র স্থাপন।

২২. ডিএনসিসির প্রতিটি স্থাপনায় মাতৃদুগ্ধ কক্ষ নির্মাণ।

২৩. বিশেষভাবে সক্ষম এবং নারী-পুরুষ-শিশু নির্বিশেষে সকলের জন্য পর্যাপ্ত আধুনিক পাবলিক টয়লেট নির্মাণ।

২৪. ঢাকা উত্তরের উন্নয়ন প্রকল্পসহ বিভিন্ন জায়গায় মিস্ট ব্লোয়ার এবং অন্যান্য অত্যাধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে বায়ুদূষণ।

২৫. ডিএনসিসির প্রতিটি ওয়ার্ডে নানাবিধ সুবিধা সম্বলিত ওয়ার্ড কমপ্লেক্স তৈরি করা।

বিস্তারিত আসছে…………

Loading...