পুলিশের অনুরোধে মুহূর্তেই সরে গেলেন বিএনপি নেতারা

১:২৫ অপরাহ্ণ | রবিবার, ফেব্রুয়ারি ২, ২০২০ আলোচিত

সময়ের কণ্ঠস্বর, ঢাকা- ঢাকার দুই সিটি করপোরেশন নির্বাচন প্রত্যাখ্যান করে বিএনপির হরতাল চলছে। রবিবার সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত হরতাল চলবে। হরতালের সমর্থনে বিএনপির নয়াপল্টনে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে উপস্থিত হয়ে সকাল থেকে বিক্ষোভ করছিলেন নেতা-কর্মীরা।

বেলা ১১টার দিকে কর্মসূচিতে যোগ দেন দক্ষিণে পরাজিত বিএনপির মেয়রপ্রার্থী ইশরাক হোসেন। বিক্ষোভে অংশ নিয়ে নেতাকর্মীদের উজ্জীবিত করতে স্লোগান ধরেন ধানের শীষ প্রতীকের এই প্রার্থী। তার সঙ্গে মুহুর্মুহু স্লোগান দিতে থাকেন নেতাকর্মীরা। এতে প্রকম্পিত হয়ে উঠে নয়াপল্টন এলাকা।

তবে বেলা ১২ টার দিকে কর্মদিবসে রাস্তায় অবরোধ করে অবস্থান নিয়ে যান চলাচল বিঘ্নিত না করার পুলিশি অনুরোধে মুহূর্তের মধ্যে নয়াপল্টনে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে থেকে সরে গেছেন বিএনপি নেতারা।

প্রথমে পুলিশের অনুরোধে কিছুটা উত্তেজিত হয়ে ওঠেন নেতাকর্মীরা। পরে বিএনপি সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবীর রিজভীর সঙ্গে কথা বলেন পুলিশের কর্মকর্তারা। এ সময় আধাঘণ্টার মধ্যে তাদের সরে যেতে অনুরোধ করে পুলিশ।

পুলিশ জানায়, অতীতের অভিজ্ঞতায় আশঙ্কা করা হচ্ছে কর্মসূচীর নামে সহিংসতা করতে পারে বিএনপি, সে সুযোগ দেয়া হবেনা, আধাঘন্টা সময় বেঁধে দেয়া হয়েছে। অবস্থান কর্মসূচী পালন করে চলে যাওয়ার অনুরোধ তাদের করা হয়েছে, এর ব্যতিক্রম হলে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

এসময় পুলিশ আধাঘণ্টার আলটিমেটাম দিলেও দু-তিন মিনিটের মধ্যে সরে গিয়ে নেতারা বর্তমানে দলীয় কার্যালয়ের ভেতরে অবস্থান করছেন। বর্তমানে নয়াপল্টন এলাকাতে স্বাভাবিক হয়েছে যান চলাচল।

এর আগে মাটিতে বসে ইশরাক হোসেন হরতালের সমর্থনে স্লোগান দেন

পরে রুহুল কবীর রিজভী সাংবাদিকদের জানান, বিএনপি কোনো সহিংসতায় বিশ্বাসী নয়। এ মুহূর্তের জন্য তারা অবস্থান কর্মসূচি স্থগিত করছেন। এখন দুপুরের খাবারের সময় এবং নামাজের সময় হওয়ায় আপাতত অবস্থান থেকে সরে গেলেও আবার তারা রাস্তায় অবস্থান নেবেন।

বর্তমানে ছাত্রদল, যুবদল, মহিলাদল, ও স্বেচ্ছাসেবক দলের শতাধিক নেতাকর্মীকে নিয়ে কার্যালয়ের ভেতরে অবস্থান করছেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও ইশরাক হোসেন। আর বাইরে কড়া অবস্থানে রয়েছে পুলিশ।

এদিকে বিএনপির ডাকা সকাল-সন্ধ্যা হরতালে রাজধানীতে সকাল থেকেই যানচলাচল স্বাভাবিক রয়েছে। নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়সহ ঢাকার গুরুত্বপূর্ণ স্থান ও স্থাপনায় বিপুলসংখ্যক পুলিশ মোতায়েন দেখা গেছে। এছাড়া সাধারণ মানুষ ও পথচারীরদের মধ্যে হরতাল নিয়ে কোনো আগ্রহ বা আতঙ্ক লক্ষ্য করা যায়নি।

Loading...