সংবাদ শিরোনাম
এলাকাভিত্তিক কঠোর লকডাউনের তালিকা প্রস্তুত | বগুড়ায় পিকআপ চাপায় প্রাণ গেল রাস্তার পাশে বসে থাকা দুই ব্যক্তির | রেড জোন চিহ্নিত করে রোববার থেকে ‘কঠোর লকডাউন’, ঘর থেকে বের হওয়া বন্ধ | রুবানা হক শ্রমিক ছাঁটাইয়ের ঘোষণা দেননি: বিজিএমইএ | টাঙ্গাইলে জালিয়াতির মামলায় ভুয়া সাংবাদিক গ্রেফতার | সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাহারা খাতুন হাসপাতালে ভর্তি | গোপনীয় চিঠি কীভাবে ফাঁস হলো, প্রশ্ন ডিএমপি কমিশনারের | সিলেটের সাবেক মেয়র কামরানের অবস্থার অবনতি, হাসপাতালে ভর্তি | যুক্তরাষ্ট্রের চেয়ে চীন-ভারতে বেশি করোনা রোগী আছে: ট্রাম্প | গণস্বাস্থ্যের কিটের পরীক্ষা শেষ, চলতি সপ্তাহেই প্রতিবেদন |
  • আজ ২৩শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

গডফাদারদের ধরতে ২২ জেলায় দুদকের গোয়েন্দা

৬:২৬ অপরাহ্ণ | বৃহস্পতিবার, ফেব্রুয়ারি ৬, ২০২০ Uncategorized

সময়ের কন্ঠস্বর ডেস্ক: অপরাধ জগতের গডফাদারদের ধরতে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) সমন্বিত ২২ জেলায় ২২ জন গোয়েন্দা নিয়োগ দেয়া হবে বলে কমিশনের ২২তম সভায় সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৬ ফেব্রুয়ারি) সাংবাদিকদের এ তথ্য জানিয়েছেন দুদক চেয়ারম্যান ইকবাল মাহমুদ চৌধুরী।

এদিন দুদকের প্রধান কার্যালয়ে ডে-কেয়ার সেন্টারের উদ্বোধন করা হয়েছে। কমিশনের চেয়ারম্যান ইকবাল মাহমুদ প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে এটির উদ্বোধন করেন।

এ সময় দুদক কমিশনার ড. মো. মোজাম্মেল হক খান, এ এফ এম আমিনুল ইসলাম, সচিব মুহাম্মদ দিলোয়ার বখত সহ কমিশনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

উদ্বোধন অনুষ্ঠানে উপস্থিত গণমাধ্যমকর্মীদের উদ্দেশে দুদক চেয়ারম্যান বলেন, ‘এই ডে কেয়ার সেন্টার চালুর মাধ্যমে আমাদের নারী কর্মকর্তাগণ আরও নিশ্চিন্ত মনে তাদের দায়িত্ব পালন করতে পারবেন।’

তিনি বলেন, ‘আমাদের দেশের মায়েরা এখন অনেকেই চাকরি করছেন। নারীরা এখন আর ঘরে বসে শুধু সন্তান পালনই করছেন না বরং সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন পর্যায়ে তারা চাকরি করছেন। দুদকেও এখন অনেক নারী কর্মকর্তা রয়েছেন। আবার অনেক পুরুষ কর্মকর্তা রয়েছেন যাদের স্ত্রী চাকরি করেন। তাদের সন্তানদের পরিপালনের বিষয়টি একটি উদ্বেগের কারণ। কমিশন তাদের উদ্বেগের বিষয়টি আমলে নিয়েছে। কমিশনের কর্মপরিবেশ আরও উন্নত করার জন্যই এই ডে কেয়ার সেন্টারটি চালু করা হয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘সরকারি-বেসরকারি প্রতিটি দফতরে নারীবান্ধব কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করা জরুরি। দেশের অর্ধেক জনগোষ্ঠীকে উন্নয়নের ধারায় সম্পৃক্ত করা না গেলে টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করা কঠিন। দুদকের এ কার্যক্রম দেখে সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোও নারীবান্ধব কর্মপরিবেশ সৃষ্টিতে আরও সক্রিয় হবে বলে আশা করছি।