সংবাদ শিরোনাম
‘সংবিধান সংশোধন করে বঙ্গবন্ধুর খুনিদের দায় মুক্তি দিয়েছিল জিয়াউর রহমান’ | ঢাকা স্পাইস হোটেলকে ভ্রাম্যমাণ আদালতের লাখ টাকা জরিমানা | ‘ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক রক্তের, তা কখনোই দুর্বল হওয়ার নয়’ | করোনায় ২৪ ঘণ্টায় প্রাণ গেল আরও ৪৪ জনের | অন্যের টিকিটে ট্রেনে ভ্রমণ করলে তিন মাসের জেল | পদোন্নতি পাচ্ছেন সেব্রিনা ফ্লোরা | নওগাঁয় করোনায় আরো ২ জনের মৃত্যু, নতুন আক্রান্ত ২৪ জন | উপাচার্য-কোষাধ্যক্ষ শূন্য হচ্ছে ইবি, পদ প্রত্যাশীদের দৌড়ঝাঁপ | করোনার প্রভাব: রাজস্ব আয় কমেছে শেরপুরের নাকুগাঁও স্থলবন্দরে | আক্রান্ত ও মৃত্যুহার কম হওয়াতেই করোনা ব্রিফিং বন্ধ হয়েছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী |
  • আজ ২৯শে শ্রাবণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

বঙ্গবন্ধু উপাধিতে ভূষিত হন শেখ মুজিব

১:০০ পূর্বাহ্ণ | রবিবার, ফেব্রুয়ারি ২৩, ২০২০ গুণীজন সংবাদ
bang

সময়ের কণ্ঠস্বর ডেস্কঃ ১৯৬৯ সালের এ দিনে অর্থাৎ ২৩ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশের জনগণ জাতির জনক শেখ মুজিবুর রহমানকে ‘বঙ্গবন্ধু’ উপাধি দিয়েছিলেন। সেই কারণে এই দিনটি বাঙালি জাতির জন্যে এক গুরুত্বপূর্ণ দিন।

বঙ্গবন্ধু আগরতলা মামলা থেকে মুক্তিলাভের পর তৎকালীন রেসকোর্স ময়দানে (আজকের সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) ১০ লাখ লোকের ঐতিহাসিক সমাবেশে তৎকালীন ডাকসুর ভিপি ও সর্বদলীয় ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের সভাপতি তোফায়েল আহমেদ এই উপাধি ঘোষণা করেন। এরপর থেকেই জাতির জনক শেখ মুজিবুর রহমান হয়ে গেলেন বাঙালির প্রিয় ‘বঙ্গবন্ধু’।

১৯৬৮-৬৯ মেয়াদে ডিইউসিএসইউ’র ভিপি’র দায়িত্ব পালন করা তোফায়েল আহমেদ বাসস’কে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেন, ‘ঐতিহাসিক ১১-দফা আন্দোলনের ভিত্তিতে গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে আমরা ২২ ফেব্রুয়ারি বঙ্গবন্ধুকে পাকিস্তান জেল থেকে মুক্ত করি। ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ ২৩ ফেব্রুয়ারি জাতির পক্ষে কৃতজ্ঞতা স্বরূপ শেখ মুজিবুর রহমানকে ‘বঙ্গবন্ধু’ উপাধি প্রদান করে।’

আওয়ামী লীগের প্রবীণ এ নেতা সেদিনের কথা স্মরণ করে বলেন, ডিইউসিএসইউ’র ভিপি হিসেবে আমি সমাবেশে সভাপতিত্ব করি। আমি বঙ্গবন্ধুর উদ্দেশ্যে ভাষণ দেই। তখন আমি বলি, আমরা মহান এই নেতাকে বঙ্গবন্ধু উপাধি দিচ্ছি যে নেতা তাঁর যৌবনের পুরোটা সময় পাকিস্তানি জেলে কাটিয়েছেন এবং হাসিমুখে মৃত্যুকে বরণ করে নিতে প্রস্তুত ছিলেন।

এরপর থেকে সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ এই বাঙালি ‘বঙ্গবন্ধু’ উপাধিতে পরিচিত হয়ে আসছেন। ‘বঙ্গবন্ধু’ বাংলায় যার অর্থ জনগণের বন্ধু।

তোফায়েল আহমেদ আরও বলেন, আমি গর্বের সঙ্গে বলছি আমরা আমাদের দুটি শ্লোগানকেই বাস্তবায়িত করতে পেরেছি। একটি বঙ্গবন্ধুকে কারামুক্ত এবং অন্যটি মাতৃভূমি বাংলাদেশকে স্বাধীন করা। ২২ ফেব্রুয়ারি আমরা আমাদের প্রিয় নেতা বঙ্গবন্ধুকে মুক্ত করি যিনি একইসঙ্গে জাতির জনকে পরিণত হন। অন্যদিকে ১৬ ডিসেম্বর বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে আমরা দেশকে স্বাধীন করি। সূত্র- বাসস

Skip to toolbar