শেরপুরের ঝিনাইগাতীতে কালোঘোষা নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন চলছেই

৪:১২ অপরাহ্ণ | রবিবার, ফেব্রুয়ারি ২৩, ২০২০ দেশের খবর, ময়মনসিংহ

মইনুল হোসেন প্লাবন, শেরপুর প্রতিনিধি: শেরপুরের ঝিনাইগাতী উপজেলার কাংশা ইউনিয়নের কালঘোষা নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন চলছে তো চলছেই। স্থানীয় বালুদস্যুদের অবাধে বালু উত্তোলন বন্ধ করা যাচ্ছে না কোন মতেই।

জানা গেছে, বালুদস্যুরা কালঘোষা নদীর ফুলহারী, বাকাকুড়া, গাঁন্ধিগাও এলাকাসহ বিভিন্ন স্থানে ৫/৭ টি ড্রেজার মেশিন বসিয়ে দীর্ঘদিন ধরে অবৈধভাবে বালু লুটপাট করে আসছে। অবাধে বালু উত্তোলন করে দেশের বিভিন্ন স্থানে বিক্রি করছে ওইসব বালুদস্যুরা। প্রতিদিন হাজার হাজার টাকা মূল্যের বালু উত্তোলন ও ট্রাক, ট্রলি যোগে দেশের বিভিন্ন স্থানে বিক্রি করা হচ্ছে।

এতে করে পরিবেশের ভারসাম্য হুমকির সম্মুখীন হয়ে পড়েছে। সরকারি নিয়মনীতি উপেক্ষা করে বেপরোয়াভাবে বালু লুটপাট করায় নদীর দুপার ভেঙ্গে ক্ষত-বিক্ষত হয়ে পড়েছে। প্রশাসনের নাকের ডগায় অবাধে ওইসব বালু লুটপাট করা হলেও তা দেখার যেন কেউ নেই। অবাধে বালু উত্তোলনের ফলে একদিকে যেমন পরিবেশের ভারসাম্য হুমকির সম্মুখীন হয়ে পড়েছে। অপরদিকে, সরকার বঞ্চিত হচ্ছে বিপুল পরিমাণ রাজস্ব আয় থেকে।

কাংশা ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান জহুরুল হক বলেন, অবৈধ বালু উত্তোলনের বিষয়ে উপজেলা আইন শৃঙ্খলা কমিটির সভায় বিভিন্ন সময় আলোচনায় হয়েছে। কিন্তু অবৈধভাবে বালু উত্তোলন বন্ধ করা সম্ভব হয়নি।

তিনি বলেন, এখন এ বিষয়ে কিছু বলতে ইচ্ছে করে না। এটা প্রশাসনের ব্যাপার তারা দেখলে দেখুক, না দেখলে না দেখুক।

উল্লেখ্য, ১৯ ফেব্রুয়ারী বুধবার উত্তোলনকৃত বালু ভর্তি ৬টি ট্রলি আটক করে গজনী বিট কর্মকর্তা। ওইসময় বালুদস্যুরা ওই বিট কর্মকর্তাকে জিম্মি করে ট্রলি ৬টি ছিনিয়ে নিয়ে যায় বলে জানান শেরপুরের সহকারী বন সংরক্ষক ডঃ প্রাণতোষ রায়। অবৈধ বালু উত্তোলনের বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার রুবেল মাহমুদের সাথে কথা হলে তিনি বালু উত্তোলন বন্ধের ব্যাপারে অভিযান করবেন বলে আশ্বাস প্রদান করেন।

Loading...