মরতে চাওয়া সেই শিশুটি এখন রাগবি খেলার মাঠে

৭:০৮ অপরাহ্ণ | রবিবার, ফেব্রুয়ারি ২৩, ২০২০ খেলা

স্পোর্টস আপডেট ডেস্ক- স্কুলে বুলিংয়ের শিকার হয়ে মরতে চাওয়া কাডেন বেলস নয় বছরের সেই শিশুটিকে রাগবি খেলতে মাঠে তারকা খেলোয়ারদের নের্তৃত্ব দিতে দেখা গেছে।

শনিবার অস্ট্রেরিয়ার গোল্ড কোস্টের সিবিস সুপার স্টেডিয়ামে ম্যাচের আগে মাওরি অল স্টারদের বিপক্ষে ইনডিজিনিয়াস অল স্টার রাগবি দলের অধিনায়ক জোয়েল থম্পসনের সঙ্গে কাডেনকে হাত ধরে হাঁটতে দেখে সমবেত জনতা উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে।

কয়েকদিন আগে অস্ট্রেলিয়ান ওই শিশুটির মা ইয়াররাকা বেলস স্কুলে বুলিংয়ের শিকার হওয়া ছেলের কান্নার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্ট করেন। পরে সেটি ভাইরাল হয়। ভিডিওটি বিশ্ব জুড়ে মানুষের মধ্যে আলোড়ন তোলে।

ইনডিজিনিয়াস অল স্টার রাগবি দলের পক্ষ থেকে কাডেন বেলসকে মাঠে দলের নের্তৃত্ব দিতে আমন্ত্রণ জানানো হয়। বৃহস্পতিবার ইডিজিনিয়াস অল স্টার দলের সদস্যরা ভিডিওতে কাডেনের জন্য আন্তরিক বার্তা শেয়ার করার পর তাদের সমর্থকরা উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে।

দলের তারকা খেলোয়াড় ল্যাট্রেল মিচেল বলেন ‘ হেই কাডেন… আমরা জানি তুমি খুবই কঠিন সময় পার করছো, কিন্তু ছেলেরা সবাই তোমার সঙ্গে আছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমরা তোমাকে আমাদের পাশে চাই। আমরা চাই প্রতি সপ্তাহের শেষে তুমি আমাদের নের্তৃত্ব দেবে। এটি আমাদের কাছে খুবই গুরুত্বপূর্ণ।’

তিনি এসময় কাডেনকে নিজের খেয়াল রাখার কথা বলেন। সেই সঙ্গে আগামীতে তাকে নিজেদের দলের সঙ্গে দেখার আশাও করেন।

ম্যাচ শুরুর আগে কোচ লরি ডেলি বলেন, ‘আমরা কাডেনকে জড়িয়ে ধরতে চাই। সেই সঙ্গে পরের ৪৮ ঘন্টার মধ্যে তাকে এবং তার পরিবারকে আমাদের কিছু কাজে অন্তর্ভুক্ত করতে চাই।’ তিনি আরও বলেন, ‘ সবাইকে জানাতে চাই আমরা তার ব্যাপারে কতটা যত্নশীল।’

রাগবি খেলোয়াড়দের মতো অভিনয় জগতের বড় তারকাদেরও মন ছুঁয়েছে কাডেনের মায়ের পোস্ট করা সেই ভিডিও। কেউ কেউ অবশ্য ট্রোল করতেও ছাড়েননি।

এর আগে তহবিল সংগ্রহের জন্য কাডেনের মা একাধিক অনুমোদিত পেইজ থেকে তহবিল সংগ্রহের চেষ্টা করছেন এমন দাবি তুলে তাকে সতর্ক করা হয়। কারও কারও অভিযোগ কাডেনের বয়স আসলে ১৮ বছর। শুধুমাত্র তহবিল সংগ্রহের জন্য তার বয়স কমানো হয়েছে।

অবশ্য এমন অভিযোগের বিপক্ষেও সরব হয়েছেন অনেকে। এ ব্যাপারে র‌্যাপার কর্ডি বি বলেন, ‘ সবার ধারণা, কাডেনের বয়স নিয়ে মিথ্যা বলা হচ্ছে। কিন্তু আমার তা মনে হয় না।’