সংবাদ শিরোনাম
‘বঙ্গবন্ধু বেঁচে থাকলে দেশ মালয়েশিয়া-সিঙ্গাপুরকে ছাড়িয়ে যেত’- তথ্যমন্ত্রী | ক্যারিয়ারের ১৪ বছরঃ সমর্থকদের উদ্দেশে যা বললেন সাকিব | দিনাজপুরে ভুয়া নারী চিকিৎসককে এক মাসের জেল,ক্লিনিক সিলগালা | র‌্যাব ম্যাজিস্ট্রেট সারওয়ারের আল্টিমেটাম | ‘স্বাস্থ্যবিধি মেনে সীমিত আকারে খেলাধুলা পরিচালনা করা যাবে’- ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী | বেনাপোলে আমদানি নিষিদ্ধ ভারতীয় ওষুধ সহ পাচারকারী আটক | ভারতে ৪০ দিন কারাভোগের পর দেশে ফিরলেন তাবলীগ জামায়াতের ৮ নারীসহ ১৭ জন | বাম্পার ফলন হলেও দাম কম থাকায় হতাশ হবিগঞ্জের লেবু চাষিরা | রাজবাড়ীতে প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া অনুদানের চেক পেলেন সাংবাদিকরা | মাগুরায় করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে ৫৮৫ |
  • আজ ২৬শে শ্রাবণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

জ্বলছে দিল্লি, দেখামাত্র গুলির নির্দেশ

১০:৪৩ পূর্বাহ্ণ | বুধবার, ফেব্রুয়ারি ২৬, ২০২০ আন্তর্জাতিক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক- মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রথম বারের মতো ভারত সফরের মধ্যেই নাগরিকত্ব আইনের পক্ষে-বিপক্ষে বিক্ষোভকারীদের সংঘর্ষে রণক্ষেত্র হয়ে উঠেছে রাজধানী নয়াদিল্লি। সংঘর্ষে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ১৭ জনে দাঁড়িয়েছে। আহত ১৫০-এর বেশি।

খবর সংগ্রহ করতে গিয়ে ভুক্তোভোগী হয়েছেন দেশটির সনামধন্য সংবাদমাধ্যমগুলোর সাংবাদিকরাও। সংঘর্ষ চলাকালে সাংবাদিকদের বেধড়ক মারধর করা হয়েছে, মেরে ফেলার হুমকি দেয়া হয়েছে। এমনকি সাংবাদিক মুসলমান কিনা তা নিশ্চিত করতে প্যান্ট খুলে যাচাই করার মতো ন্যাক্কারজনক ঘটনা ঘটেছে।

এদিকে মঙ্গলবার রাতে জাফরাবাদ, মৌজপুর, চাঁদবাগ, কারওয়াল নগরে ১৪৪ ধারা জারি করে দেখামাত্র গুলির নির্দেশ দিয়েছে দিল্লি পুলিশ। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সেনা মোতায়েনের দাবি উঠেছিল। তবে প্রশাসন জানিয়েছে, যথেষ্ট সিআরপি নামানো হয়েছে। এখনই সেনা ডাকার দরকার নেই।

এছাড়া পরিস্থিতি সামলাতে গোটা উত্তর-পূর্ব দিল্লিতে আগামী এক মাসের জন্য ১৪৪ ধারা জারি করে পুলিশ। দিল্লি-সংলগ্ন উত্তরপ্রদেশের গাজিয়াবাদেও ১৪৪ ধারা জারি হয়। নিয়ন্ত্রণ জারি করা হয় গাজিয়াবাদ-দিল্লির সীমানায় যাতায়াতের উপর। টানা বন্ধ দু’দিন উত্তর-পূর্ব দিল্লির পাঁচটি মেট্রো স্টেশন। সংঘর্ষের ছবি না-দেখানোর পরামর্শ দেওয়া হয় বেসরকারি চ্যানেলগুলোকে।

কিন্তু অশান্তি থেমে থাকেনি। সংঘর্ষ পাথর-যুদ্ধ, গুলি, ভিড় জমিয়ে মারধর, অসংখ্য বাড়ি-দোকানে আগুন লাগানো, লুঠতরাজ— কিছুই বাকি থাকেনি। উত্তর-পূর্ব দিল্লির আকাশে সারা দিনই কালো ধোঁয়া পাকিয়ে পাকিয়ে উঠেছে। আগুন নেভাতে গিয়ে দমকল কর্মীরাই আক্রান্ত হয়েছেন।

এদিকে উত্তর-পূর্ব দিল্লির গুরু তেগবাহাদুর হাসপাতালে গুরুতর আহতের সংখ্যা লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে। ফলে মৃত্যুও বাড়ার আশঙ্কা। হাসপাতালের চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন, আহতদের প্রায় অর্ধেক গুলিবিদ্ধ। সোমবার দিল্লি পুলিশের কনস্টেবল রতন লালের মৃত্যু হয়। প্রথমে জানা গিয়েছিল, মাথায় পাথরের চোট লেগে মার যান রতন। ময়নাতদন্তে জানা গেল, তার বাম কাঁধ দিয়ে গুলি ঢোকে। ডান কাঁধ থেকে সেই গুলি উদ্ধার হয়েছে।

ডিসি (শাহদরা) অমিত শর্মাও বেসরকারি হাসপাতালের আইসিইউ-তে ভর্তি। হিংস্র জনতা তার ওপরে লাঠি নিয়ে চড়াও হয়েছিল। তার মাথার খুলিতে চোট লেগেছে। পুলিশ বাহিনীর অন্তত ৫০ জন আহত। ছাড় পাননি সাংবাদিকরাও।

Skip to toolbar